প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

প্রদীপ কুমারের বিনিয়োগের তথ্য দুদকে দিয়েছে বিএসইসি

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের বিদায়ী ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রদীপ কুমার দত্তের পুঁজিবাজারে কোনো বিনিয়োগ আছে কি না, তা জানতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। চলতি বছরের শুরুতে সাবেক এই ব্যাংকারের বিষয়ে তথ্য দুদকে জমা দিয়েছে বিএসইসি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিএসইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সদস্য সিকিউরিটিজ হাউজ র‌্যাপিড সিকিউরিটিজ লিমিটেড, হ্যাক সিকিউরিটিজ লিমিটেড, নূর-ই-আলম ছিদ্দিকী অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড, সালাম অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডে প্রদীপ কুমার দত্ত ও তার স্ত্রীর বিনিয়োগ হিসাব রয়েছে।

জানা গছে, সোনালী ব্যাংকের সাবেক এই এমডির বিষয়ে গত ২৭ অক্টোবর দুদক বিএসইসিকে চিঠি দেয়। চিঠিতে প্রদীপ কুমার দত্ত, তার স্ত্রী অর্পিতা দত্ত,পুত্র প্রাঞ্জল দত্ত ঐশিক ও প্রাঙ্গন দত্ত অর্ঘের নামে পুঁজিবাজারে কোনো বিনিয়োগ থাকলে তা জানাতে বলা হয়। এই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বিএসইসি সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল), ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই), সকল মার্চেন্ট ও  ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশে (আইসিবি) চিঠি দেয় বিএসইসি। চলতি বছরের প্রথম কার্যদিবস বিএসইসি দুদকে চিঠি পাঠায় বলে জানা গেছে।

প্রদীপ কুমার দত্ত ২০১২ সালের জুন থেকে টানা চার বছর সোনালী ব্যাংকের এমডি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) দায়িত্ব পালন করেন। চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় বিদায়ী বছরের জুনে অবসরে যাওয়া তিনি। প্রদীপ কুমার ১৯৭৭ সালে সোনালী ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার (শিক্ষানবিশ) হিসেবে যোগ দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০০৩ সালে জিএম হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে যোগ দেন এবং ২০০৫ সালে আবার সোনালী ব্যাংকে ফিরে আসেন। ২০০৮ সালে তিনি সোনালী ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। আর ২০১০ সালে এমডি হিসেবে রাকাবে যোগ দেন। প্রদীপ কুমার দত্ত ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত রসায়ন শাস্ত্রে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।