কোম্পানি সংবাদ

প্রান্তিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ৯ কোম্পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ৯ কোম্পানি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো: দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৯ টাকা ৭৩ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৭ টাকা ৯ পয়সা। আর প্রথম দুই প্রান্তিক বা ছয় মাস শেষে (জানুয়ারি-জুন) ইপিএস হয়েছে ২১ টাকা ১৭ পয়সা। আগের বছর একই সময় ছিল ৩২ টাকা ৩৬ পয়সা। দুই প্রান্তিক শেষে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ দাঁড়িয়েছে ৫৩ টাকা ৫৯ পয়সা (লোকসান), যা আগের বছর একই সময় ছিল ২০ টাকা ৭১ পয়সা (লোকসান)। ২০১৯ সালের ৩০ জুন এনএভি হয়েছে ১৮০ টাকা ৭০ পয়সা, যা ২০১৮ সালের ৩০ জুনে ছিল ১৪০ টাকা ৭৬ পয়সা।
সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ২৮ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৭ পয়সা। আর প্রথম দুই প্রান্তিক বা ছয় মাস শেষে (জানুয়ারি-জুন) ইপিএস হয়েছে ৬২ পয়সা। আগের বছর একই সময় ছিল ৪৪ পয়সা। দুই প্রান্তিক শেষে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ দাঁড়িয়েছে ১৭ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৩ পয়সা। ২০১৯ সালের ৩০ জুন এনএভি হয়েছে ১৬ টাকা ১৯ পয়সা, যা ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বরে ছিল ১৫ টাকা ৫৫ পয়সা।
ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৫৩ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৫৮ পয়সা। আর প্রথম দুই প্রান্তিক বা ছয় মাস শেষে (জানুয়ারি-জুন) ইপিএস হয়েছে এক টাকা ১৮ পয়সা। আগের বছর একই সময় ছিল ৯৪ পয়সা। দুই প্রান্তিক শেষে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ দাঁড়িয়েছে ৯৪ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল এক টাকা। ২০১৯ সালের ৩০ জুন এনএভি হয়েছে ৩৫ টাকা ৯৩ পয়সা, যা ২০১৮ সালের ৩০ জুনে ছিল ৩৭ টাকা এক পয়সা।
ইস্টার্ন ব্যাংক: দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৮৯ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল এক টাকা দুই পয়সা। আর প্রথম দুই প্রান্তিক বা ছয় মাস শেষে (জানুয়ারি-জুন) ইপিএস হয়েছে এক টাকা ৯৫ পয়সা। আগের বছর একই সময় ছিল এক টাকা ৫৫ পয়সা। দুই প্রান্তিক শেষে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৩০ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৯ টাকা ৫২ পয়সা। ২০১৯ সালের ৩০ জুন এনএভি হয়েছে ২৮ টাকা ৯৩ পয়সা, যা ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বরে ছিল ২৮ টাকা ৭৯ পয়সা।
এশিয়া ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৪০ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩৫ পয়সা। আর প্রথম দুই প্রান্তিক বা ছয় মাস শেষে (জানুয়ারি-জুন) ইপিএস হয়েছে ৯৪ পয়সা। আগের বছর একই সময় ছিল ৯১ পয়সা। দুই প্রান্তিক শেষে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ দাঁড়িয়েছে এক টাকা ৪২ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল এক টাকা ১০ পয়সা। ২০১৯ সালের ৩০ জুন এনএভি হয়েছে ১৯ টাকা ৯১ পয়সা, যা ২০১৮ সালের ৩০ জুনে ছিল ১৯ টাকা ৩১ পয়সা।
এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৪৭ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৫৭ পয়সা। আর প্রথম দুই প্রান্তিক বা ছয় মাস শেষে (জানুয়ারি-জুন) ইপিএস হয়েছে এক টাকা ২৮ পয়সা। আগের বছর একই সময় ছিল এক টাকা এক পয়সা। দুই প্রান্তিক শেষে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ দাঁড়িয়েছে ৬৪ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৪৪ পয়সা। ২০১৯ সালের ৩০ জুন এনএভি হয়েছে ১৯ টাকা ২৪ পয়সা, যা ২০১৮ সালের ৩০ জুনে ছিল ২০ টাকা ২৩ পয়সা।
রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে এক টাকা ৬৮ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল এক টাকা ৫৮ পয়সা। দুই প্রান্তিক শেষে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ দাঁড়িয়েছে চার টাকা ছয় পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল তিন টাকা ২৫ পয়সা। ২০১৯ সালের ৩০ জুন এনএভি হয়েছে ৫৪ টাকা ৩৬ পয়সা, যা ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বরে ছিল ৫৫ টাকা ২৯ পয়সা।
ঢাকা ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৪৯ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৪৫ পয়সা। দুই প্রান্তিক শেষে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ দাঁড়িয়েছে ৯ পয়সা (লোকসান), যা আগের বছর একই সময় ছিল ৭৬ পয়সা। ২০১৯ সালের ৩০ জুন এনএভি হয়েছে ২৩ টাকা ৫৪ পয়সা, যা ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বরে ছিল ২৪ টাকা ছয় পয়সা।
উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট: দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে তিন টাকা ৪৩ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল চার টাকা এক পয়সা। দুই প্রান্তিক শেষে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ দাঁড়িয়েছে আট টাকা ১৪ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল পাঁচ টাকা ৬২ পয়সা। ২০১৯ সালের ৩০ জুন এনএভি হয়েছে ৬১ টাকা পাঁচ পয়সা, যা ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বরে ছিল ৫৫ টাকা।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..