প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

পড়ার বিষয় খাদ্য প্রকৌশল

 

 

রবিউল ইসলাম রবি: জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খাদ্যের ওপরও প্রভাব পড়ছে। এ অবস্থায় উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে গড়ে উঠছে খাদ্য শিল্পপ্রতিষ্ঠান কিংবা বেভারেজ ও বেকারিশিল্প। এসব শিল্পের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন খাদ্য প্রকৗশলীরা। নানা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যক্রমে খাদ্য প্রকৌশল বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। বাড়ছে এ পেশায় আকর্ষণীয় ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ। একই সঙ্গে এ বিষয়ে অনেকের আগ্রহও বাড়ছে। এ বিষয়ে পড়ালেখা করে আপনি অর্গানিক কেমিস্ট, বায়োকেমিস্ট ও অ্যানালাইটিক্যাল কেমিস্ট্রি অ্যানালিস্ট হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন।

খাদ্য প্রকৌশলীর চাহিদা রয়েছে হাসপাতালগুলোতে। সেখানে তারা ডায়েটেশিয়ান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে ফুড অ্যান্ড বেভারেজ কোম্পানিতে তারা অগ্রাধিকার পেয়ে থাকেন। বর্তমানে দেশি-বিদেশি অনেক এনজিও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিচ্ছে। সেখানে ভালো বেতনে চাকরি করছেন খাদ্য প্রকৌশলীরা। অনেক এনজিও চর এলাকায় তাদের কর্মকাণ্ড চালিয়ে থাকেন। সেখানে এ বিভাগের ডিগ্রিধারীরা সুযোগ পেয়ে থাকেন। এমনকি দেশের বাইরেও তাদের চাহিদা রয়েছে।

ফুড সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে ডিগ্রি অর্জনের পর দেশের বড় ফুড প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রিগুলোয় কাজ করছেন অনেকে। ন্যাশনাল-মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি, পাবলিক হেলথ ডিপার্টমেন্ট, ফিটনেস সেন্টার, পাঁচতারা হোটেল, ক্যাটারিং সংস্থায় কাজের জায়গা রয়েছে। পড়ালেখায় ভালো করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, মেডিক্যাল রিসার্চার, এক্সারসাইজ ফিজিওলজিস্ট, ফুড সায়েন্স রিসার্চার, হোম ইকোনমিস্ট পেশায় যুক্ত হতে পারবেন।

এ পেশায় যেসব বিভাগে কাজ করার সুযোগ রয়েছেÑ

* ফুড প্রসেসিং

* ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং

* নিউট্রিশন ও

* কোয়ালিটি কন্ট্রোল

একজন ফুড টেকনোলজিস্টকে বা টেকনিশিয়ানকে

ম্যানুফ্যাকচারিং, প্রসেসিং, প্রিজারভেশন, প্যাকেজিং ও ক্যানিংয়ের কাজ করতে হয়। গুণগত মানের কাঁচামাল সরবরাহ হচ্ছে কি না, ফুড প্রসেসিংয়ের প্রতিটি ধাপ সঠিকভাবে করা হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে লক্ষ রাখতে হয়। এমনকি ফুড প্রসেসিং-সংক্রান্ত যন্ত্রপাতির বিষয়ে খেয়াল রাখতে হয়। খাবার যেন নির্ভেজাল থাকে তা দেখভালের দায়িত্ব তারই। আর পুষ্টিগুণ যাচাই করাও তার কর্তব্যের

মধ্যে পড়ে।