প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

ফরাসি সেনাদের বুরকিনা ফাসো ত্যাগের নির্দেশ

শেয়ার বিজ ডেস্ক: ফরাসি সেনাদের এক মাসের মধ্যে দেশত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে বুরকিনা ফাসোর সরকার। গত শনিবার পশ্চিম আফ্রিকার দেশটি এ ঘোষণা দেয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্যারিস। খবর: রয়টার্স।

ফরাসি সেনাদের বুরকিনা ফাসো চলে যাওয়ার নির্দেশের ব্যাখ্যা চেয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ। তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে দেশটির প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে স্পষ্ট ব্যাখ্যার জন্য অপেক্ষা করছেন তিনি।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে বুরকিনা ফাসোয় সামরিক অভ্যুত্থানের পর এ অঞ্চলের সাবেক ঔপনিবেশিক শক্তি ফ্রান্সের সঙ্গে দেশটির সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এক পর্যায়ে ফ্রান্সের সঙ্গে ২০১৮ সালের সামরিক চুক্তি স্থগিত করে দেশটি। চুক্তিটি স্থগিতের ফলে ফরাসি সেনাদেরও আর বৈধভাবে বুরকিনা ফাসোয় অবস্থানের সুযোগ নেই।

২০১৮ সালের একটি সামরিক চুক্তি বুরকিনা ফাসোর সামরিক সরকার গত বুধবার স্থগিত করেছে।

ওই চুক্তির আওতায় দেশটিতে ফরাসি সৈন্যদের উপস্থিতির অনুমতি ছিল।

তবে এ ব্যাপারে ফ্রান্সের তরফ থেকে কোনো মন্তব্য জানা যায়নি। বুরকিনা ফাসোর সামরিক বাহিনীর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, ফ্রান্সের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করছে না বুরকিনা ফাসো। সিদ্ধান্তটি কেবল সামরিক সহযোগিতা চুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত।

বুরকিনা ফাসোয় ফ্রান্সের বিশেষ বাহিনীর প্রায় ৪০০ সৈন্য মোতায়েন রয়েছে। তারা আল-কায়েদা ও আইএসআইএলের (আইএস) সঙ্গে সম্পর্কিত গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করছে।

বিশ্বে দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে একটি বুরকিনা ফাসো। দেশটি দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর কারণে হিমশিম খাচ্ছে। ২০১৫ সালে মালিতে ছড়িয়ে পড়া

আল-কায়েদা ও আইএসের মতো জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো দেশটিতে একের পর এক সহিংস কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।  সেই থেকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর সহিংসতায় দেশটির কয়েক হাজার বেসামরিক নাগরিক ও নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছেন। তাছাড়া প্রায় ২০ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে অস্থায়ী শিবিরে বসবাস করছেন। এদের দমনে ফ্রান্সের সৈন্য মোতায়েন রয়েছে।