প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

ফার্মা এইডসের শেয়ারদর বেড়েছে ২৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ফার্মা এইডস লিমিটেড গত সপ্তাহে দর বৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ২৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্রমতে, গত সপ্তাহে কোম্পানিটির প্রতিদিন গড় লেনদেন হয়েছে ১৪ কোটি ২৭ লাখ ৭৭ হাজার ৪০০ টাকার শেয়ার। সপ্তাহ শেষে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৭১ কোটি ৩৮ লাখ ৮৭ হাজার টাকা।

এদিকে সর্বশেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে শেয়ারদর দুই দশমিক ৭৮ শতাংশ বা ২১ টাকা ৪০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ৭৯১ টাকায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দরও ছিল একই। দিনভর শেয়ারদর ৭৫২ টাকা থেকে ৮০৫ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। দিনজুড়ে এক লাখ ৮৬ হাজার ৫৯৫টি শেয়ার মোট দুই হাজার ৯৬৬ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ১৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা। গত এক বছরে শেয়ারদর ৩৭২ টাকা থেকে ৮০৫ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে।

কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন, ২০২১ সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগকারীর জন্য ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৬ টাকা ১১ পয়সা। ৩০ জুন, ২০২১ তারিখে শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৯৩ টাকা ২৬ পয়সা। এছাড়া এই হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১০ টাকা সাত পয়সা। এর আগে ২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে ইপিএস হয়েছে ১৬ টাকা ৮২ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি এনএভি দাঁড়িয়েছে ৮২ টাকা ৫৫ পয়সা।

সম্প্রতি চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কোম্পানিটি। প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০২১) কোম্পানিটির শেযারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে পাঁচ টাকা ১৫ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল চার টাকা এক পয়সা। ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তারিখে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৯৮ টাকা ২৯ পয়সা। আর প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে তিন টাকা ৩৭ পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে ছিল এক টাকা ৯৪ পয়সা।

কোম্পানিটির মোট ৩১ লাখ ২০ হাজার শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ২৪ দশমিক ২২ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১০ দশমিক ২৩ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৬৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ শেয়ার।

ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানিটি ১৯৮৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে লেনদেন হচ্ছে। পাঁচ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন তিন কোটি ১২ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ২৫ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।

সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ৪৯ দশমিক ১০ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ৩৮ দশমিক ৪০।

তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা ফু ওয়াং ফুড লিমিটেডের শেয়ারদর বেড়েছে ২৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ। গত সপ্তাহে কোম্পানিটির প্রতিদিন গড় লেনদেন হয়েছে ২২ কোটি ৬১ লাখ ১১ হাজার টাকার শেয়ার। সপ্তাহ শেষে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ১১৩ কোটি পাঁচ লাখ ৫৫ হাজার টাকা।

সম্প্রতি চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০২১) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানি ফু-ওয়াং ফুড লিমিটেড। প্রাপ্ত তথ্যমতে, কোম্পানিটির প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০২১) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ছয় পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল সাত পয়সা। ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৬৬ পয়সা। আর প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১০ পয়সা।

এর আগে ৩০ জুন, ২০২১ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ না দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে পাঁচ পয়সা এবং ৩০ জুন, ২০২১ শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৮৫ পয়সা। ২০০০ সালে পুঁজিবাজারে আসা ‘বি’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ১১০ কোটি ৮৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা।