প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

ফের যান্ত্রিক সমস্যায় কানতাস

শেয়ার বিজ ডেস্ক: সম্ভাব্য যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত বৃহস্পতিবার ফিজি থেকে সিডনিতে ফিরে গেছে কানতাস এয়ারওয়েজ লিমিটেডের একটি ফ্লাইট। অকল্যান্ড থেকে সিডনিগামী একটি যাত্রীবাহী ফ্লাইটে মাঝ আকাশে সমস্যা হওয়ার এক দিন পর একই এয়ারলাইনসের আরও একটি ফ্লাইটে ঘটল এ ঘটনা। খবর: ব্লুমবার্গ।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার কানতাসের কিউএফ১০১ ফ্লাইটে সম্ভাব্য যান্ত্রিক গোলযোগের সংকেত পাওয়ার পরপর প্লেনটি সিডনিতে ফিরিয়ে নিয়ে যান পাইলট।

উড়োজাহাজটি ছিল বোয়িং ৭৩৭ মডেলের। গত বুধবার একই সংস্থার একই মডেলের আরেকটি উড়োজাহাজে গোলযোগ দেখা দিয়েছিল।

কানতাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংকেত পাওয়ার পর ক্রুরা যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ করেন এবং উড়োজাহাজটি স্বাভাবিকভাবে অবতরণ করে।

তারা জানিয়েছে, কিউএফ১০১ ফ্লাইটটির জরুরি অবতরণের প্রয়োজন হয়নি এবং এর ত্রুটি নির্দেশক সংকেত ইঞ্জিনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। প্রকৌশলীরা এটি পরীক্ষা করবেন বলে জানিয়েছে এয়ারলাইনটি।

এর আগে, গত বুধবার নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড থেকে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিগামী কানতাসের কিউএফ ১৪৪ ফ্লাইটে সমস্যা দেখা দেয়। প্লেনটির দুটি ইঞ্জিনের একটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরেও সেটি নিরাপদে গন্তব্যে অবতরণ করে।

এয়ারলাইনটি জানিয়েছে, এভাবে উড়োজাহাজের একটি ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা খুবই বিরল। তবে বোয়িং ৭৩৭ এক ইঞ্জিনেও উড়তে সক্ষম এবং তাদের পাইলটরা বিষয়টি সামলানোর মতো প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।

জানা যায়, কানতাসের কিউএফ১৪৪ ফ্লাইটটিতে মোট ১৪৫ আরোহী ছিলেন। মাঝ আকাশে একটি ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গেলেও যাত্রীদের বিষয়টি জানানো হয়নি। তারা মাটিতে নামার পর এ বিষয়ে জানতে পারেন।

ইঞ্জিনে গোলযোগ দেখার পরপর ‘মে ডে’ সংকেত পাঠিয়েছিলেন পাইলট। সাধারণত, বিধ্বস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিপদগ্রস্ত উড়োজাহাজকে অবতরণের ব্যবস্থা করে দেয়ার জন্য এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারদের কাছে এ সংকেত পাঠান পাইলটরা।

ফ্লাইট রাডারের তথ্য বলছে, মাঝ আকাশে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাওয়া উড়োজাহাজটি উচ্চতা ও গতি দুটোই হারিয়েছিল।

কানতাসের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, গন্তব্য থেকে এক ঘণ্টার দূরত্বে থাকতে উড়োজাহাজটির ইঞ্জিনে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেটি নিরাপদে অবতরণ করে।