প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

ফোরজি সেবা: তিন বছরে ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে বাংলালিংক

নিজস্ব প্রতিবেদক : সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ফোরজি দিয়ে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষকে ডিজিটাল দুনিয়ার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলালিংক। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে বাংলালিংক প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ও সহায়ক নীতিমালার আওতায় আগামী তিন বছরে ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে আগ্রহী দেশের বহুজাতিক মোবাইল ফোন অপারেটরটি।

নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, তরঙ্গ (স্পেকট্রাম) ও ডিজিটাল সেবার উন্নয়নে এই অর্থ ব্যয় করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলালিংকের সিংহভাগ শেয়ারধারী মূল প্রতিষ্ঠান ভিওন গ্রুপের সিইও জন ইভস্ সার্লিয়ার। গতকাল শনিবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।

জন ইভস্ সার্লিয়ার বলেন, ভিওন বাংলাদেশকে শীর্ষস্থানীয় যোগাযোগ এবং ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে আগ্রহী। এর মাধ্যমে ভিওন বাংলাদেশে ফোরজি সেবা চালু ও ডিজিটাল অর্থনীতিকে গতিশীল করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে যাত্রা শুরুর পর থেকে বাংলালিংক এ পর্যন্ত ২৫০ কোটি ডলারেরও বেশি পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেছে।

4GLTEজন ইভস্ সার্লিয়ার বলেন, এর আগে বাংলালিংক ১২ বছরে প্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশিদের জীবনমান পরিবর্তনের একটি মর্যাদাপূর্ণ ইতিহাস নিয়ে কাজ করছে। টেলিকমশিল্পকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি কোম্পানিটি বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল স্বপ্ন পূরণেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত টুজি ও থ্রিজি তরঙ্গ (স্পেকট্রাম) বরাদ্দ এবং ফোরজি সেবার খসড়া নীতিমালার বিষয়ে জানতে চাইলে ভিওন সিইও বলেন, টেলিযোগাযোগে অসামঞ্জস্যপূর্ণ করহার ও তরঙ্গের উচ্চমূল্যের সম্মিলিত অর্থনৈতিক চাপ বিনিয়োগের অন্তরায়; তা বিবেচনায় আনা উচিত।

বিশ্বের অন্যান্য দেশ অ্যাকটিভ রেডিও এক্সেস নেটওয়ার্ক (আরএএন) শেয়ারিংয়ের অনুমতি দেয় উল্লেখ করে বাংলালিংক কর্তৃপক্ষ বলে, টুজি, থ্রিজি, ফোরজি ও পরবর্তীতে প্রযুক্তি শেয়ারিং চালু করা নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হবে। এর মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকায় প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাবে এবং ফোরজি কভারেজকে বর্তমান টুজি বা থ্রিজির সমপর্যায়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। যা একটি কার্যকর ফোরজি স্ট্র্যাটেজি প্রবর্তন করে সরকার স্থিতিশীল, গ্রাহকবান্ধব, প্রতিযোগিতামূলক, উদ্ভাবনসহায়ক ও বিনিয়োগবান্ধব কর্মসূচি প্রয়োগের মাধ্যমে তার নিয়ন্ত্রক বিষয়গুলোকে আরও অগ্রসর করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এরিক অস, সিনিয়র ডিরেক্টর অব জিআর অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স তাইমুর রহমান, হেড অব করপোরেট কমিউনিকেশনস আসিফ আহমেদ প্রমুখ।