দিনের খবর সারা বাংলা

বগুড়ায় হু-হু করে বাড়ছে চালের দাম

পারভীন লুনা, বগুড়া: ঈদের আগে চালের দাম কিছুটা কমলেও ঈদের পর থেকে ফের বেড়েছে চালের দাম। গত মঙ্গলবার বগুড়ার কয়েকটি চালের আড়ত ও খুচরা দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মিনিকেট (জিরাশাইল), কাটারি ও বি আর-২৮ চালের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ছয় টাকা। বাজারে এখন গুটি স্বর্ণা নামে মোটা চালের উপস্থিতি নেই। কারণ বাজারে এখন মোটা চালের কোনো কদর বা ক্রেতা কোনোটাই নেই।

বগুড়ার অভিজাত বড় বাজারের সরমা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মজনু জানান, এ মুহূর্তে বগুড়ার মিলগেটে মিনিকেট (জিরাশাইল) ৫০ কেজির বস্তা ২৬০০, কাটারি ২৬০০, বি আর-২৮ ২৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ঈদে যার দাম ছিল যথাক্রমে ২৩০০ ও ২০০০ টাকা। ফলে কেজির হিসাব কষলে দেখা যায়, ৪৬ টাকার চাল ৫২ টাকা ও ৪৪ থেকে ৪৫ টাকার চাল বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮ থেকে ৪৯ টাকায়।

তিনি জানান, সামনে চালের দর কমার সম্ভাবনা নেই। তাছাড়া এটা মিলগেট রেট। ওই দরে চাল কিনে খুচরা বিক্রেতারা কেউ এক টাকা, কেউ বা দুই টাকা লাভ রেখে বিক্রি করছেন।

গুটি স্বর্ণা বা মোটা চাল সম্পর্কে তিনি জানান, এখন বাজারে মোটা চালের সরবরাহ নেই। মোটা চালের ধান শুরুতেই কিনে নেন মিল ও চাতাল মালিকরা। সরকারি ধান চাল সংগ্রহ অভিযানে চুক্তিবদ্ধ মিল ও চাতাল মালিকরা নিজেদের লস ঠেকাতে বা কিছু লাভ করতে এলএসডিতে সরবরাহ করে।

বগুড়ার মিল মালিকরা জানিয়েছেন, ধানের প্রাপ্যতা মূল্য এখনও সহনীয় পর্যায়ে থাকায় চালের দাম কেজিপ্রতি খুচরায় ৬০ টাকার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। ভবিষ্যতে আমদানি কার্যক্রম স্বাভাবিক না হলে চালের দাম আরও বাড়বে। চালের পাইকাররা বলেছেন, কভিড ইস্যুতে পরিবহন খরচ বা ট্রাক ভাড়া বেড়েছে গড়ে পাঁচ হাজার টাকা। চালের বাজার ঊর্ধ্বগতির এটাও একটা কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..