দিনের খবর প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

বড় মূলধনি কোম্পানির দরপতনে সূচক নেতিবাচক

রুবাইয়াত রিক্তা: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল বেশিরভাগ শেয়ারের দর বেড়েছে। সে সঙ্গে বেড়েছে লেনদেন। তা সত্ত্বেও সবগুলো সূচক নেতিবাচক অবস্থানে ছিল। গতকাল ৫০ শতাংশের বেশি কোম্পানির দর বৃদ্ধি পায়। তা সত্ত্বেও সূচক নেতিবাচক হওয়ার প্রধান কারণ সূচকে প্রভাব বিস্তারকারী বড় মূলধনি কোম্পানিগুলোর দরপতন। বিশেষ করে স্কয়ার ফার্মা, গ্রামীণফোন, বিএটিবিসি, রেনাটা, ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংকসহ অধিকাংশ ব্যাংকের দরপতন সূচক নেতিবাচক করতে মূল ভূমিকা রাখে। ডিএসইর মোট লেনদেনের এক-পঞ্চমাংশ ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাতের দখলে। এ খাতে লেনদেন বাড়লেও শেয়ার কেনার পাশাপাশি বিক্রির চাপও ছিল। বিক্রির চাপে ব্যাংক খাতেও লেনদেন বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে।  তবে কেনার চাপ বেশি ছিল প্রকৌশল, জ্বালানি ও খাদ্য খাতে। এ-ছাড়া ছোট অধিকাংশ  খাতেই ছিল কেনার চাপ।

গতকাল মোট লেনদেনের ২০ শতাংশ হয় ওষুধ ও রসায়ন খাতে। এ খাতে ৫৬ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। প্রায় ১৯ কোটি টাকা লেনদেন হয় ইন্দোবাংলা ফার্মার। দর বেড়েছে এক টাকা ৩০ পয়সা। ওরিয়ন ইনফিউশনের ১৭ কোটি ১৮ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দরপতন হয় ৩০ পয়সা। স্কয়ার ফার্মার ১৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দরপতন হয় তিন টাকা ৪০ পয়সা। ওরিয়ন ফার্মার ১৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দরপতন হয় ৮০ পয়সা। সাড়ে ৯ শতাংশ বেড়ে সেন্ট্রাল ফার্মা, সোয়া ৯ শতাংশ বেড়ে গ্লোবাল হেভী  কেমিক্যালস, প্রায় ছয় শতাংশ বেড়ে ফার  কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় উঠে আসে। বস্ত্র খাতে লেনদেন হয় ১৮ শতাংশ। এ খাতে ৬২ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। ভিএফএস থ্রেড ডায়িংয়ের ১৯ কোটি ৩২ লাখ টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে ১০ পয়সা। সায়হাম কটনের ১৬ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৭০ পয়সা। এছাড়া প্রায় ৯ শতাংশ দর বেড়ে মোজাফফর হোসেন স্পিনিং দর বৃদ্ধিতে চতুর্থ অবস্থানে উঠে আসে। প্রকৌশল খাতে লেনদেন হয় ১২ শতাংশ। এ খাতে ৭২ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। প্রায় ৯ শতাংশ দর বেড়েছে অলিম্পিক এক্সেসরিজের। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে লেনদেন হয় ১০ শতাংশ। এ খাতে ৬৮ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। ১৪ কোটি টাকা লেনদেন হলেও সামিট পাওয়ারের দর এক টাকা ৯০ পয়সা কমেছে। প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে। এছাড়া ব্যাংক খাতের লেনদেন বেড়ে আট শতাংশ হলেও ব্র্যাক ব্যাংকের দর কমেছে চার টাকা ১০ পয়সা। গতকাল ২০ কোটি টাকা লেনদেন হয়ে শীর্ষে উঠে আসে কোম্পানিটি। গ্রামীণফোনের ১৮ কোটি টাকা লেনদেন হলেও দরপতন হয় তিন টাকা। চামড়াশিল্প খাতে ৯০ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। সমতা লেদার ও ফরচুন শুজ দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় উঠে আসে। এছাড়া পাট, কাগজ ও মুদ্রণ, সেবা ও আবাসন খাত শতভাগ ইতিবাচক ছিল। 

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..