কোম্পানি সংবাদ পুঁজিবাজার

বন্ড ছাড়ার অনুমোদন পেল আইডিএলসি ফাইন্যান্স

নিজস্ব প্রতিবেদক: আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের কোম্পানি আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের বন্ড ছাড়ার অনুমোদন দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, বিএসইসির ৭৫৭তম কমিশন সভায় আইডিএলসি ফাইন্যান্সের ৫০০ কোটি টাকার চার বছরমেয়াদি অসুরক্ষিত, অরূপান্তরযোগ্য, জিরো কুপন বন্ডের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। স্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, বিভিন্ন ফান্ড, করপোরেটসসহ অন্যান্য যোগ্য বিনিয়োগকারীদের প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বন্ডটি ইস্যু করা হবে। উল্লেখ্য, এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ উত্তোলন করে আইডিএলসি ফাইন্যান্সের চলমান আর্থিক চাহিদা পূরণ করবে। এই বন্ডের প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ৫০ লাখ টাকা। বন্ডটির ট্রাস্টি এবং ম্যানডেটেড লিড অ্যারেঞ্জার হিসেবে যথাক্রমে ইসি সিকিউরিটিজ লিমিটেড এবং আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড কাজ করছে।

কোম্পানিটি ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে চার টাকা ৫১ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ১৮ পয়সা। এর আগে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ সমাপ্ত হিসাববছরেও ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে পাঁচ টাকা ৭৬ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩৬ টাকা ১৭ পয়সা।

এদিকে গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর তিন দশমিক ৮৯ শতাংশ বা তিন টাকা ২০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ৮৫ টাকা ৪০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৮৫ টাকা ৪০ পয়সা। দিনজুড়ে ৩৪ লাখ ২০ হাজার ৫৩টি শেয়ার মোট এক হাজার ৭৮৪ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ২৯ কোটি ৬১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। দিনভর কোম্পানিটির শেয়ার ৮৪ টাকা থেকে ৮৮ টাকা ৬০ পয়সায় লেনদেন হয়। গত এক বছরে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৩৫ টাকা থেকে ৮৮ টাকা ৬০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।

১৯৯২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ‘এ’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি। এক হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৩৭৭ কোটি পাঁচ লাখ ১০ হাজার টাকা। কোম্পানির রিজার্ভের পরিমাণ ৮৬০ কোটি ৬২ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট ৩৭ কোটি ৭০ লাখ ৫০ হাজার ৭৮০টি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের ৫৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর ২২ দশমিক ৬০ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীর ৯ দশমিক ৬৪ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে বাকি ১১ দশমিক ১০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ১৮ দশমিক ৯৪ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ১৫।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..