কোম্পানি সংবাদ পুঁজিবাজার

বন্ড ছাড়ার অনুমোদন পেল ডাচ্-বাংলা ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক: ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের ৫০০ কোটি টাকার বন্ড ছাড়ার অনুমোদন দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড ৫০০ কোটি টাকার নন-কনভার্টেবল, ফ্লোটিং রেট এবং সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড ছাড়বে। আর বিএসইসির ৭৪১তম কমিশন সভায় এই বন্ড ছাড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, বিভিন্ন ফান্ড, করপোরেটসহ অন্যান্য যোগ্য বিনিয়োগকারীদের প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বন্ডটি ইস্যু করা হবে। এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ উত্তোলন করে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের টায়ার-২ শর্ত পূরণ সাপেক্ষে মূলধন শক্তিশালী করা হবে। বন্ডের প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য এক লাখ টাকা। এবং এর মেয়াদ হবে সাত বছর।

২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের লভ্যাংশ দেওয়ার নীতিমালা অনুযায়ী একটি ব্যাংক সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দিতে পারবে তবে ওই ৩০ শতাংশের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিতে পারবে। এ জন্য ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এজিএমে আগের সিদ্ধান্তে পরিবর্তন এনে বিনিয়োগকারীরা ১৫ শতাংশ নগদ এবং ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেওয়ার অনুমোদন করেছে।

আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে আট টাকা ৬৮ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৫৪ টাকা ৮৯ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ১২ টাকা ৮৫ পয়সা।

এদিকে ব্যাংক খাতের কোম্পানিটির চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ, ২০২০) শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৫১ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৯৫ পয়সা। অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ৫৬ পয়সা। ২০২০ সালের ৩১ মার্চে শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৫৬ টাকা ৩৫ পয়সা, যা ২০১৯ সালের ৩১ মার্চে ছিল ৪৭ টাকা ১২ পয়সা। আর প্রথম প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ১৭ টাকা ৮৬ পয়সা আগের বছর একই প্রান্তিকে হয়েছিল চার টাকা ৯ পয়সা।

২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৫০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে, যা ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরে ছিল ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২১ টাকা এক পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১১৫ টাকা ৪৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১২ টাকা ২৮ পয়সা ও ৯৭ টাকা ৪১ পয়সা।

গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর ডিএসইতে শূন্য দশমিক ১৫ শতাংশ বা ১০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ৬৫ টাকা ৮০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৬৫ টাকা ৭০ পয়সা। দিনজুড়ে ৭৭ হাজার ১৮২টি শেয়ার মোট ১৫১ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৫০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর ৬৫ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৬৬ টাকা ৩০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ৪৯ টাকা ১০ পয়সা থেকে ৭৯ টাকা ৬০ পয়সায় হাতবদল হয়।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..