Print Date & Time : 17 April 2021 Saturday 1:28 am

বন্দরের মনোগ্রামযুক্ত গাড়ি থেকে স্থানান্তরের সময় মদ আটক

প্রকাশ: February 23, 2021 সময়- 04:44 pm

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মনোগ্রামযুক্ত প্রাইভেট কার (ইমারজেন্সি পাইলট ডিউটি) থেকে বিপুল পরিমাণ মদ আটক করেছেন আনসার সদস্যরা। সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অভ্যন্তরে ডিউটিরত আনসার সদস্যরা প্রাইভেট কার থেকে সিএনজিতে হস্তান্তরের সময় এসব মদ আটক করেন। এসময় প্রাইভেট কার ও সিএনজি চালককে আটক করা হয়। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার একেএম সুলতান মাহমুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কাস্টম হাউসের অভ্যন্তরে রাত পৌনে ১০টার সময় আনসার সদস্যরা ডিউটি করছেন। এসময় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মনোগ্রামযুক্ত একটি প্রাইভেট কার (ইমারজেন্সি পাইলট ডিউটি, গাড়ির অভ্যন্তরে বন্দর কর্তৃপক্ষের ওয়াকিটকি সংযুক্ত, যার রেজিস্ট্রেশন নম্বর-চট্ট মেট্রো-গ-১২-৮১০৪) হতে একটি সিএনজিতে (রেজিস্ট্রেশন নম্বর-চট্ট মেট্রো-থ-১২-৪১১২) কিছু পণ্য তোলা হয়। আনসার সদস্যরা দেখে ফেললে তাদের সন্দেহ হয়।

তিনি আরও জানান, এসময় আনসার সদস্য গাড়ির চালককে কি জিনিস তোলা হচ্ছে জিজ্ঞাসা করেন। তখন সিএনজি এবং প্রাইভেট কার উভয়েই দ্রুত পালানোর চেষ্টা করে। পরে কাস্টম হাউসের মূল গেইটে কর্মরত আনসার সদস্যরা দ্রুত গেইট লাগিয়ে দেয় এবং গাড়ি দুটি আটক করেন। গাড়ি দুইটি তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ মদ ও বিয়ার উদ্ধার করা হয়।

যার মধ্যে রয়েছে- ২০৯ ক্যান হিনেকেন বিয়ার (প্রতিটি ৫০০ এমএল), ২৪ পিস পাসপোর্ট স্কচ ব্লাইন্ডেড স্কচ হুইস্কি (প্রতিটি ১০০০ এমএল), ৭ পিস ব্যালান্টাইনস ফাইনেস্ট ব্লাইন্ডেড স্কচ হুইস্কি (প্রতিটি ১০০০ এমএল)। এসময় গাড়ি চালক মন্টু চন্দ্র দাশ ও সিএনজি চালক মো. মাসুদ রানাকে আটক করা হয়।

ডেপুটি কমিশনার জানান, এ বিষয়ে রাতেই বন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয় এবং গাড়ি ও মদ, বিয়ারসহ চালকদের থানায় সোপর্দ করা হয়। চট্টগ্রাম বন্দরের অভ্যন্তর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের মনোগ্রামযুক্ত গাড়ির মাধ্যমে মদ ও বিয়ারগুলো পাচার করা হচ্ছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এবং কাস্টম হাউসের অভ্যন্তরে মদ ও বিয়ারগুলো গাড়ি থেকে সিএনজিতে স্থানান্তর করা হয়। মদ ও বিয়ার এর উৎস এবং সরবরাহস্থল এর সাথে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার জন্য কাস্টম হাউসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মাসুম বাদী হয়ে এ বিষয়ে বন্দর থানায় রাতেই একটি মামলা দায়ের করেন এবং কাস্টম হাউসের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

###