সারা বাংলা

বাঁধ ও মহাসড়ক নির্মাণ দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি

প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ: দেওয়ানগঞ্জ-জামালপুর-ময়মনসিংহ-টোক-ভৈরব বাজার পর্যন্ত বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিকরা। প্রায় ২৮৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যে নদের পূর্ব তীরে ব্রহ্মপূত্র রক্ষাবাঁধ ও বাঁধ প্রশস্ত করে জাতীয় মহাসড়ক, ওয়াকওয়ে নির্মাণের মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং নদের পাশে বিস্তীর্ণ অনাবাদি চর এলাকায় শিল্প-কারখানা প্রতিষ্ঠারও দাবি জানান তারা। এবিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেস ক্লাব।
গতকাল সোমবার ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমানের মাধ্যমে সংগঠনের নেতারা এ স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেস ক্লাব সভাপতি এফএমএ সালাম ও সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় প্রেস ক্লাব সহসভাপতি শামসুল আলম খান, ময়মনসিংহ সিটি প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক মতিউল আলম, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি ত্রিশাল উপজেলা কমিটির সভাপতি মোখলেছুর রহমান সবুজ, বিভাগীয় প্রেস ক্লাবের দফতর সম্পাদক ইব্রাহিম মুকুট প্রমুখ।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ব্রহ্মপুত্র খননের মতো বিশাল প্রকল্প বাস্তবায়ন এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। এ খননকাজ সম্পন্ন হলে ভারতসহ ভুটান ও নেপাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক নৌ-প্রটোকল রুট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এরই মধ্যে নদের খননকৃত মাটি ফেলার জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। তাই খননকৃত মাটি দিয়ে দেওয়ানগঞ্জ-জামালপুর-ময়মনসিংহ-টোক-ভৈরব বাজার পর্যন্ত প্রায় ২৮৩ কিলোমিটার ব্রহ্মপুত্র নদের পূর্ব তীরে নদীরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা সহজ হবে এবং ওই বাঁধ ২০০ ফুট প্রশস্ত করে একটি জাতীয় মহাসড়ক ও পর্যটকদের আকর্ষণে ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা যাবে। সরকারের কোনো জমি অধিগ্রহণ ছাড়াই এবং কোনো ফসলি জমি ও ঘরবাড়ির ক্ষতি ছাড়াই ব্রহ্মপুত্র নদের পাশ দিয়ে কমপক্ষে ২০০ ফুট প্রশস্ত করে জাতীয় মহাসড়ক নির্মাণ করা যাবে। সে সঙ্গে নদের পাশে যে অনাবাদি জমি রয়েছে, সেগুলোয় শিল্প-কারখানা প্রতিষ্ঠা করে শিল্পবিপ্লব ঘটানো সম্ভব। এতে প্রায় দুই কোটি মানুষের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান হবে। এ সড়কটি রাজধানীর সঙ্গে ময়মনসিংহ বিভাগ, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের একটি বাইপাস সড়ক হতে পারে, যা দিয়ে দ্রুত যাত্রী ও পণ্য পরিবহন সহজতর হবে।

 

সর্বশেষ..