প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

বাংলাদেশের গেম ইন্ডাস্ট্রি

সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের অনেক উদ্যোক্তা আন্তর্জাতিক মানের গেম ডেভেলপ করেছেন। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বাইরেও সাড়া ফেলছে এগুলো। দেশে গেম ইন্ডাস্ট্রির বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে চার গেম উদ্যোক্তার সঙ্গে কথা বলেছেন মাসুদ আনসারী। আজ থাকছে এর তৃতীয় পর্ব

বাংলাদেশের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত মোবাইলভিত্তিক ভিডিও গেম ও অ্যাপ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান রাইজ আপ ল্যাবস। ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি এখন পর্যন্ত ট্যাপ ট্যাপ অ্যান্টস, রুফটপ ফ্রেঞ্জি, হাইওয়ে চেইজসহ কয়েকটি মোবাইল গেম তৈরি করেছে। তাদের গেমস ও অ্যাপস আইওএস ও অ্যানড্রয়েডÑ দুই প্ল্যাটফর্মেই বিনামূল্যে পাওয়া যায়। ‘ট্যাপ ট্যাপ অ্যান্টস’ বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৫ মিলিয়ন বার ডাউনলোড করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ফাউন্ডার অ্যান্ড সিইও এরশাদুল হক বলেন, ‘কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ আমরা বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) সদস্যপদ অর্জন করেছি।’

কয়েক বন্ধু মিলে শুরু করেছিলেন। গেমস নিয়ে ছোটবেলা থেকেই মেতে থাকতেন তারা। একেই পেশায় রূপান্তর করেন রাইজ আপ ল্যাবসের সদস্যরা। বড় ধরনের সাফল্য আসে ট্যাপ ট্যাপ অ্যান্টস গেম দিয়ে। প্রথমদিকে তারা শুধু আইওএস-ভিত্তিক অ্যাপ ও গেম তৈরি করতেন। পরে অ্যানড্রয়েড ও উইন্ডোজ প্ল্যাটফর্মের জন্যও গেম তৈরি করেন তারা।

‘আমরা মূলত গেম তৈরি করেই বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা পেয়েছি। আমাদের গেমগুলো মজার ও আনন্দদায়ক। যে কেউ সহজে এ গেম খেলতে পারবে,’ বলেছেন এরশাদুল হক।

গেমগুলো

মীনা, রুফটপ ফ্রেঞ্জি, হাইওয়ে চেজ, ব্রেইন বস, ট্যাপ ট্যাপ অ্যান্টস: ক্ল্যাসিক, ট্যাপ ট্যাপ অ্যান্টস ব্যাটেলফিল্ড, আই অয়ার হাউজ, ফ্রুইটিটো, শুট দ্য মাংকি, বাবল অ্যাটাক ও স্পিড ট্যাপিং।