এসএমই

বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় এসএমই

শিল্প উপখাত-১
কৃষিপণ্য ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প: কৃষিভিত্তিক ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। বিশ্বায়নের যুগে তীব্র প্রতিযোগিতার মধ্যেও আমাদের এ শিল্পের প্রবৃদ্ধি সন্তোষজনক।
শিল্প খাতটির সম্ভাবনা বিবেচনা করে সরকার খাতসংশ্লিষ্ট রফতানিকারকদের নগদ প্রণোদনাসহ নানাভাবে সহযোগিতা করছে। বিশ্বের প্রায় ৭০টি দেশে ৯০ ধরনের কৃষিভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত পণ্য রফতানি হচ্ছে।
লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প: ভারী শিল্পের সহায়ক হিসেবে কাজ করছে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং। এ শিল্প খাতে প্রায় ১০ হাজার ইউনিট রয়েছে। এখানে প্রায় ছয় লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেও বিশেষ ভূমিকা রাখছে। বছরে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার নতুন যন্ত্র ও যন্ত্রাংশ তৈরি হচ্ছে। জিডিপিতে এর অবদান ঈর্ষণীয়। উৎপাদন ও বিপণনের সঙ্গে মেরামত যোগ করা হলে এ খাতে বার্ষিক আয়ের পরিমাণ ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি।
প্লাস্টিক শিল্প: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে প্লাস্টিক শিল্প খাত। এখানে প্রায় ৩০০০ প্লাস্টিক শিল্পনির্ভর ব্যবসা রয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে এ খাতটি অবদান রাখছে। এ খাতে আধা দক্ষ ও দক্ষ মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ মানুষ কর্মরত রয়েছেন। বিশ্বের প্রায় ২৩টি দেশে বাংলাদেশের প্লাস্টিক পণ্য রফতানি হয়ে থাকে।
চামড়া ও চামড়াজাত শিল্প: অর্থনৈতিক উন্নয়নে চামড়া ও চামড়াজাত শিল্পের বিশেষ অবদান রয়েছে। এ খাতে লক্ষাধিক মানুষ কর্মরত রয়েছেন। রফতানি আয়েও এর গুরুত্ব রয়েছে।
ইলেট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস শিল্প খাত: ২০২১ সালের মধ্যে পুরো দেশকে
বিদ্যুৎসুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এ লক্ষ্য অর্জন হলে ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস শিল্প খাতের একটি বিশাল বাজার উšে§াচিত হবে। বর্তমানে প্রায় ২৫০০টি ইলেকট্রিক্যাল শিল্পপ্রতিষ্ঠান উৎপাদনমূলক কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত রয়েছে। তবে এ খাতটি মূলত সংযোজননির্ভর। আমদানি করা পণ্যকে নিরুৎসাহিত করে দেশীয় শিল্প সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হলে এ শিল্প প্রসারের সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।

তথ্যসূত্র: এসএমই ফাউন্ডেশন

 

সর্বশেষ..