প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

বাজারে ইলিশের দামে ক্রেতার স্বস্তি

শেয়ার বিজ ডেস্ক: মৌসুম চলে গেলেও ইলিশের দামে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন রাজধানীর বাজারে ক্রেতারা। বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে বিল-ঝিলে ধরা পড়া মিঠাপানির মাছের সরবরাহ বাড়ায় সারা বছর চড়া দামে বিক্রি হওয়া ইলিশের দাম কমেছে। খবর বিডিনিউজ।

গতকাল সোমবার বাড্ডা কাঁচাবাজারে দেখা গেছে মাছ বিক্রেতা সেলিম মাঝারি আকারের এক জোড়া ইলিশ মাছের দাম হাঁকিয়েছেন এক হাজার টাকা। ক্রেতাকে রাজি করাতে শেষ পর্যন্ত ৮০০ টাকায় নামতে দেখা গেল তাকে। ক্রেতা সাদেকুল ইসলাম বলেন, ‘গরিবের ইলিশ খাওয়ার এখনই সময়। এত
মৌসুম চলে গেলেও ইলিশের দামে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন রাজধানীর বাজারে ক্রেতারা। বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে বিল-ঝিলে ধরা পড়া মিঠাপানির মাছের সরবরাহ বাড়ায় সারা বছর চড়া দামে বিক্রি হওয়া ইলিশের দাম কমেছে। খবর বিডিনিউজ।
গতকাল সোমবার বাড্ডা কাঁচাবাজারে দেখা গেছে মাছ বিক্রেতা সেলিম মাঝারি আকারের এক জোড়া ইলিশ মাছের দাম হাঁকিয়েছেন এক হাজার টাকা। ক্রেতাকে রাজি করাতে শেষ পর্যন্ত ৮০০ টাকায় নামতে দেখা গেল তাকে। ক্রেতা সাদেকুল ইসলাম বলেন, ‘গরিবের ইলিশ খাওয়ার এখনই সময়। এত কম দামে ইলিশ আমি আগে কখনও দেখিনি।’
কারওয়ান বাজারের মাছ বিক্রেতা নেছার উদ্দিনকে এক হাজার টাকায় ছোট আকারের এক হালি ইলিশ বিক্রি করতে দেখা যায়।
তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিল-ঝিল-হাওরে পানি কমতে শুরু করেছে। ওইসব এলাকা থেকে মাছ প্রচুর পরিমাণে মাছ বাজারে এসেছে। তাই ইলিশের দাম পড়ে গেছে।
এদিকে সপ্তাহ দুয়েক আগে কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়ে ৩০ টাকায় বিক্রি হওয়া পুরোনো আলুর দাম আবার কমেছে। পাশাপাশি ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হওয়া মৌসুমের নতুন আলুর দামও ৫০ টাকায় নেমে এসেছে।
কম দামে ইলিশ আমি আগে কখনও দেখিনি।’

কারওয়ান বাজারের মাছ বিক্রেতা নেছার উদ্দিনকে এক হাজার টাকায় ছোট আকারের এক হালি ইলিশ বিক্রি করতে দেখা যায়।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিল-ঝিল-হাওরে পানি কমতে শুরু করেছে। ওইসব এলাকা থেকে মাছ প্রচুর পরিমাণে মাছ বাজারে এসেছে। তাই ইলিশের দাম পড়ে গেছে।

এদিকে সপ্তাহ দুয়েক আগে কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়ে ৩০ টাকায় বিক্রি হওয়া পুরোনো আলুর দাম আবার কমেছে। পাশাপাশি ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হওয়া মৌসুমের নতুন আলুর দামও ৫০ টাকায় নেমে এসেছে।