প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

বাজার ইতিবাচক থাকার ইঙ্গিত

রুবাইয়াত রিক্তা: সামনের দিনগুলোয় বাজার ইতিবাচক থাকবে এমন ইঙ্গিত দিয়েই শেষ হলো সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল প্রধান সূচক ১৬ পয়েন্ট ঊর্ধ্বমুখী ও লেনদেন বেড়েছে ৮০ কোটি টাকা। তবে ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক ও ডিএস-৩০ সূচক কমেছে। গতকাল শেয়ার কেনাবেচার চাপ প্রায় সমান সমান ছিল। যার কারণে ৪৪ শতাংশ শেয়ারের দর বেড়েছে এবং কমেছে ৪৩ শতাংশের। গতকাল সবচেয়ে বেশি ইতিবাচক ছিল খাদ্য ও আনুষঙ্গিক, ব্যাংক ও আর্থিক খাত।

ব্যাংক খাতে লেনদেন বাড়ার পাশাপাশি ৮৩ শতাংশ শেয়ারের দর বেড়েছে, যা বাজারকে ইতিবাচক করতে ভ‚মিকা রেখেছে। গতকাল এ খাতে লেনদেন হয় প্রায় ১৪৯ কোটি টাকা। যা মোট লেনদেনের ২৩ শতাংশ। আগের দিন এ খাতে লেনদেন হয়েছিল ১৪৩ কোটি টাকা; অর্থাৎ লেনদেন বেড়েছে প্রায় ছয় কোটি টাকা। আর্থিক খাতে লেনদেন হয় প্রায় ৭৭ কোটি টাকা বা ১২ শতাংশ। এ খাতে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ১০ কোটি টাকা এবং ৪৩ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে। এছাড়া বস্ত্র, ওষুধ, রসায়ন ও প্রকৌশল খাতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ১১ শতাংশ করে। প্রকৌশল খাতে লেনদেন কমেছে সাড়ে ২৩ কোটি টাকা। তবে ৫৩ শতাংশ শেয়ারের দর বেড়েছে। বস্ত্র খাতে ৫৩ শতাংশ শেয়ারের দর বেড়েছে। লেনদেন বেড়েছে সাড়ে ১০ কোটি টাকা। এ খাতের সাফকো স্পিনিং ও মোজাফফর হোসেন স্পিনিংয়ের দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় চলে আসে। ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয় ৭২ কোটি টাকা। গতকাল এ খাতে লেনদেন বেড়েছে ৩০ কোটি টাকা। তবে এ খাতে ৫০ শতাংশ

শেয়ারের দরপতন হয়েছে। খাদ্য খাতে লেনদেন হয় প্রায় ৬০ কোটি টাকা। এ খাতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন বেড়েছে ৪৬ কোটি টাকা। খাদ্য খাতের জেমিনি সি ফুড সর্বশেষ অর্থবছরের জন্য ১২৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করায় দর বৃদ্ধি ও লেনদেনের শীর্ষে উঠে আসে। এছাড়া এমারেল্ড অয়েল, এপেক্স ফুড, ফু-ওয়াং ফুড দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় স্থান করে নেয়। লেনদেনের শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলোর মধ্যে জেমিনি সি ফুডের প্রায় ৩৩ কোটি টাকা, ব্র্যাক ব্যাংক ও আইডিএলসি সাড়ে ২৮ কোটি, লংকাবাংলা ২০ কোটি, সিটি ব্যাংক ১৮ কোটি, ইফাদ অটোস ১৬ কোটি, জিপি প্রায় ১৫ কোটি, সাফকো স্পিনিংয়ের ১৪ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। সূচক ইতিবাচক করতে ভ‚মিকা রেখেছে বিএটিবিসি, ব্র্যাক ব্যাংক, আইসিবি ও সিটি ব্যাংকের দর বৃদ্ধি।