বিশ্ব বাণিজ্য

বাজার থেকে বেবি পাউডার তুলে নিচ্ছে জনসন অ্যান্ড জনসন

ক্ষতিকর উপাদান শনাক্ত

শেয়ার বিজ ডেস্ক: বহুজাতিক কোম্পানি জনসন অ্যান্ড জনসনের বেবি পাউডারে ত্বকের জন্য ক্ষতিকর উপাদান অ্যাজবেস্টসের উপস্থিতির অভিযোগ অনেক আগে থেকেই। সম্প্রতি আবারও যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ অনলাইন থেকে কেনা এক বোতল বেবি পাউডার পরীক্ষা করে সেটিতে অ্যাজবেস্টস পেয়েছে। এরপর দেশটির বৃহৎ এ ওষুধ কোম্পানি তাদের প্রধান পণ্য বেবি পাউডার বাজার থেকে তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। খবর বিবিসি।

পণ্য প্রত্যাহারের খবর প্রকাশের পর কোম্পানির শেয়ার ছয় শতাংশের বেশি পড়ে গেছে। বেবি পাউডারসহ জনসনের ট্যালকম পণ্যে ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদান রয়েছে অভিযোগ তুলে ১৫ হাজারের বেশি ক্রেতা কোম্পানিটির বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের মামলা করেছেন। গত বছর ওইসব মামলার কয়েকটির রায়ে জনসন অ্যান্ড জনসনকে কোটি কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। তবে নিজেদের ট্যালকম পণ্যে ক্ষতিকর উপদান থাকার আশঙ্কায় এ প্রথম তারা বাজার থেকে পণ্য প্রত্যাহারের ঘোষণা দিল।

যুক্তরাষ্ট্রের হেলথ রেগুলেটর থেকেও এ প্রথম বেবি পাউডারে দূষিত উপাদান থাকার কথা জানানো হলো। গত শুক্রবার সংবাদ সম্মেলন করে বাজার থেকে তাদের ৩৩ হাজার বোতল বেবি পাউডার তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেয় জনসন অ্যান্ড জনসন। সেখানে কোম্পানির চিকিৎসা নিরাপত্তা সংস্থার ‘উইমেন্স হেলথ’ বিভাগের প্রধান ডা. সুসান নিকোলসন বলেন, ‘আমাদের ট্যালকম পণ্যে অ্যাজবেস্টসের উপস্থিতি পাওয়া খুবই বিরল। এছাড়া পরীক্ষার যে সময়ের কথা বলা হচ্ছে, তাতেও গড়বড় আছে।’

এক মাস আগেও ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) তাদের ট্যালকম পণ্য পরীক্ষা করে অ্যাজবেস্টস না পাওয়ার কথা জানিয়েছিল বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায় জনসন অ্যান্ড জনসন। অন্যদিকে এফডিএ’র পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, এ বছরের শুরু থেকে তারা ট্যালকম পণ্য পরীক্ষা করা শুরু করে। ওই পরীক্ষার সময় একটি লটের বেবি পাউডারে অ্যাজবেস্টস পাওয়া গেছে। কিন্তু দ্বিতীয় আরেকটি লটের পাউডারে দূষিত এ উপাদান পাওয়া যায়নি। তবে তাদের পরীক্ষার ফল সঠিক জানিয়ে এফডিএফ কর্তৃপক্ষ ভোক্তাদের জনসনের বেবি পাউডার ব্যবহার বন্ধ করার পরামর্শ দিয়েছে।

সর্বশেষ..