প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

বিওতে লভ্যাংশ পাঠিয়েছে ইভিন্স টেক্সটাইল

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাবে বোনাস লভ্যাংশ পাঠিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত  কোম্পানি ইভিন্স টেক্সটাইল লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ঘোষিত বোনাস লভ্যাংশ বিও হিসাবে পাঠিয়েছে কোম্পানিটি।

উল্লেখ্য, ‘এ’ ক্যাটাগরির এ কোম্পানিটি ২০১৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। গতকাল কোম্পানির শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের চেয়ে দুই দশমিক শূন্য ছয় শতাংশ বা ৪০ পয়সা কমে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ১৯ টাকায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ১৯ টাকা ১০ পয়সা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ১৮ টাকা ৯০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১৯ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে হাতবদল হয়। ওই দিন ১৩ লাখ ৭২ হাজার ২৩৩টি শেয়ার মোট ৫৬৯ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর দুই কোটি ৬১ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। গত এক বছরে শেয়ারদর ১৪ টাকা ২০ পয়সা থেকে ২৭ টাকা ৬০ পয়সার মধ্যে হাতবদল হয়। কোম্পানির ১৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১৪৪ কোটি টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৬১ কোটি ৬১ লাখ টাকা।

২০১৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সমাপ্ত ১৮ মাসের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছিল। এ সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) করেছিল দুই টাকা ২৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ১৩ পয়সা। কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল ২৩ কোটি ৮২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

২০১৫ সালে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল এক টাকা ৬২ পয়সা এবং এনএভি ছিল ১৭ টাকা ৬২ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে এক টাকা ৪৪ পয়সা ও ১৫ টাকা ৯০ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী আয় ছিল ১৬ কোটি ৬৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা, যা আগের বছর ছিল ১৬ কোটি ৫২ লাখ টাকা। কোম্পানিটি চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইপিএস হয়েছে ৪৪ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ইপিএস ছিল ৫০ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস কমেছে ছয় পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত এনএভি দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৫৭ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৭ টাকা ১৩ পয়সা। কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল পাঁচ কোটি ৩০ লাখ ৫০ হাজার। কোম্পানিটির মোট ১৪ কোটি ৪০ লাখ শেয়ার রয়েছে।

ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ৩৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ১৮ দশমিক শূন্য চার শতাংশ ও ৪৫ দশমিক ২৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে।