প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

বিক্রির চাপ কম ছিল ওষুধ খাতে

রুবাইয়াত রিক্তা:পুঁজিবাজারে গতকালও দরপতন হয়েছে সূচকশেয়ারদর লেনদেনে পতন অব্যাহত ছিল। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৫১ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। দর বেড়েছে ২৯ শতাংশের। লেনদেন কমেছে ৩৩ কোটি টাকা। ছোট, বড়, মাঝারিÑসব খাতেই ছিল বিক্রির চাপ। বৃহৎ খাতগুলোর মধ্যে তুলনামূলক কম বিক্রির চাপ ছিল ওষুধ খাতে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে এ খাতের অনেক কোম্পানির প্রতিবেদন ভালো আসায় কেনার চাহিদা বাড়ছে এসব শেয়ারের। অন্যদিকে মাঝারি ও ক্ষুদ্র খাতের মধ্যে তুলনামূলক কম দরপতন হয়েছে খাদ্য ও সিরামিক খাতে। প্রকৌশল খাত লেনদেনের শীর্ষে উঠে এলেও বিক্রির চাপে অধিকাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। তবে বহুজাতিক ও বেশি দামি কোম্পানিগুলোর অধিকাংশের দর বেড়েছে। মোট লেনদেনের ৪৪ শতাংশই প্রকৌশল, ওষুধ ও বস্ত্র খাতে সীমাবদ্ধ ছিল।

প্রকৌশল খাতে লেনদেন হয় মোট লেনদেনের ১৮ শতাংশ বা প্রায় ৬৯ কোটি টাকা। এ খাতে ৫৬ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। বিবিএস  কেব্লসের ১১ কোটি ৩০ লাখ টাকা লেনদেন হলেও দর অপরিবর্তিত ছিল। কপারটেকের আট কোটি ৩৮ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে এক টাকা। এসএস স্টিলের সাত কোটি ৬৯ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ১০ পয়সা। ছয় দশমিক ২১ শতাংশ বেড়ে ইস্টার্ন কেব্লস দর বৃদ্ধিতে সপ্তম অবস্থানে উঠে আসে। ১৩ শতাংশ লেনদেন হয় ওষুধ ও রসায়ন খাতে। এ খাতে ৫০ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। আট দশমিক ৭৪ শতাংশ বেড়ে এমবি ফার্মা দর বৃদ্ধিতে তৃতীয় অবস্থানে উঠে আসে। চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে তিন পয়সা। এছাড়া ওয়াটা কেমিক্যালের সাত কোটি ১৪ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ১৮ টাকা ১০ পয়সা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে এক টাকা তিন পয়সা। বস্ত্র খাতে ৫৭ শতাংশ কোম্পানি দরপতনে ছিল। ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ বেড়ে এ্যাপেক্স স্পিনিং দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে। দেশ গার্মেন্টসের দর ছয় দশমিক ১২ শতাংশ বেড়ে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে উঠে আসে। খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে ৬৫ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। এ খাতের গোল্ডেন হার্ভেস্ট এগ্রোর ১২ কোটি ৬৫ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৬০ পয়সা। সিমেন্ট খাতের লাফার্জহোলসিম বেশ কিছুদিন ধরে লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করছে। গতকাল ২৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা লেনদেন হলেও দরপতন হয় এক টাকা ৬০ পয়সা। বর্তমানে মুনাফা তুলে নেওয়া হচ্ছে এ কোম্পানি থেকে। খুলনা পাওয়ার থেকে মুনাফা তুলে নেওয়ায় এক টাকা দরপতন হয়। লেনদেন হয় সোয়া সাত কোটি টাকা। সিরামিক খাতে ৬০ শতাংশ ও পাট খাতে ৬৬ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। এদিকে গতকাল দুই কোম্পানি হল্টেড হয়েছে। এক পর্যায়ে বস্ত্র খাতের এ্যাপেক্স স্পিনিং ও শ্যামপুর সুগার মিলের শেয়ার বিক্রেতাশূন্য হয়ে যায়। দুই কোম্পানির শেয়ারই প্রায় ১০ শতাংশ হারে বেড়েছে।