এসএমই

বিজনেস আইডিয়া:মাছের ব্যবসা

নিজের পায়ে দাঁড়াতে হলে আপনাকে উদ্যোগী হতে হবে। আর উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য ঠিক করতে হবে, কী দিয়ে শুরু করবেন। এজন্য দরকার অল্প পুঁজিতে শুরু করা যায় এমন ব্যবসা। এ ধরনের উদ্যোক্তার পাশে দাঁড়াতে শেয়ার বিজের সাপ্তাহিক আয়োজন

মাছের ব্যবসা

প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পড়ালেখা সম্পন্ন করে চাকরি অথবা ব্যবসায়ে মনোযোগী হয় বেশিরভাগ মানুষ। আমাদের দেশে চাকরিপ্রত্যাশীদের ভিড় একটু বেশিই চোখে পড়ে। কারও কাছে তা থেকে যায় অধরা। কেউ কেউ কাক্সিক্ষত চাকরি না পেয়ে হাপিত্যেশ করে। ফলে দেখা যায়, কাজে আনন্দ পায় না তারা। এ কারণে ক্যারিয়ার নিয়ে বেশ ভোগান্তিতে পড়ে এমন মানুষ। এ সমস্যা কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যবসা শুরু করা সঠিক সিদ্ধান্ত হতে পারে। বিশেষ করে উদ্যমী তরুণরা পুঁজি যেমনই হোক যে কোনো ব্যবসায় যুক্ত হতে পারে। শুরুতে অল্প পুঁজি দিয়ে ছোট ব্যবসা করা যায়। এমনই একটি কাজ হচ্ছে মাছের ব্যবসা। এ ব্যবসাকে পর্যায়ক্রমে তুলনামূলক বড় ব্যবসায় পরিণত করা সম্ভব। তাছাড়া মাছের ব্যবসা বেশ লাভজনক।

মাছের ব্যবসা দুভাবে করা যায়। একটি নিজে পুকুর বা খামার দিয়ে, অন্যটি পাইকারি দরে কিনে বিক্রি করা। দুটোই লাভজনক। আবার বাড়ির পাশে ডোবা বা খাল থাকলে সেখানে মাছ চাষ করা যায়। কারণ বর্তমানে সনাতন কিংবা পুরোনো পদ্ধতিতে মাছ চাষ কমে এসেছে। বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাছ চাষ করা হয়। এতে মাছের উৎপাদন আগের তুলনায় বেড়েছে, এ তথ্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তাই নিশ্চিন্তে এ ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

শুরুতে

ব্যবসার শুরুতে মাছ সম্পর্কে ধারণা রাখা উচিত। একই সঙ্গে কয়েক প্রজাতির মাছ চাষ করা যাবে। তাই কোন প্রজাতির মাছ রাখবেন তা নির্ধারণ করুন। এরপর চাষের বিষয়াবলি জেনে নিতে পারেন। মাছ চাষের জন্য অল্প পুঁজি দিয়ে শুরু করতে পারেন। সংশ্লিষ্টরা বলেন, তাই হাতের কাছে যা রয়েছে তা দিয়েই শুরু করুন। এরপর চাষোপযোগী স্থান নির্ধারণ করুন। কোন আড়তে কেমন দাম, তা জানুন। এসব জেনেশুনে তবেই ব্যবসা শুরু করা ভালো।

আয়-ব্যয়

এ ব্যবসায় পুকুরে ছাড়ার জন্য পোনা, মাছের খাবার ও পুকুরের পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সার, জাল প্রভৃতি কিনতে হবে। তবে একবার কেনার পরে পরবর্তী সময়ে এর পেছনে আর খরচ হয় না বললেই চলে। ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা ব্যয় হতে পারে। মাছ বড় হলে প্রতি মাসে বিক্রি করে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার মতো উপার্জন করতে পারবেন। পর্যায়ক্রমে আয় বাড়বে।

বাজারজাতকরণ

সব শ্রেণির মানুষ খাবারের তালিকায় মাছ রাখার চেষ্টা করে। তাই এর চাহিদাও বেশি। মাছ বিক্রির জন্য স্থানীয় বাজার বেছে নিতে পারেন। ব্যবসার পরিধি বাড়লে রফতানিও করতে পারেন। 

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..