এসএমই

বিজনেস আইডিয়া: পেইন্টিং

নিজের পায়ে দাঁড়াতে হলে আপনাকে উদ্যোগী হতে হবে। আর উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য ঠিক করতে হবে কী দিয়ে শুরু করবেন। এজন্য দরকার অল্প পুঁজিতে শুরু করা যায় এমন ব্যবসা। এ ধরনের উদ্যোক্তার পাশে দাঁড়াতে শেয়ার বিজের সাপ্তাহিক আয়োজন

ছবি এঁকে আয় করতে পারলে ব্যাপারটি মন্দ নয়। এ পেশার চাহিদা তুলনামূলক কম হলেও ব্যবসাটি লাভজনক। সৃজনশীল মনন ও ছবি আঁকার আগ্রহ থাকলে এ পেশায় যুক্ত হয়ে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। তাছাড়া এটি পার্টটাইম ব্যবসা হিসেবেও পরিচালনা করা যেতে পারে। এ ব্যবসা শুরু করতে হলে সময় ও ধৈর্য প্রয়োজন। স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা পুরোনো কোনো সংগ্রহশালা থেকে আর্ট সংগ্রহ করে এগুলো থেকে ধারণা নিয়ে কাজ শুরু করা যায়।
ছবি আঁকা এক ধরনের বিনোদনমূলক কাজ। তাই এ ব্যবসা যেমন নিজেকে আনন্দ দেবে, তেমনি অনেক সুবিধাও উপভোগ করা যায়। যেমন, মনোমুগ্ধকর বিভিন্ন ছবি এঁকে একদিকে প্রতিভার পরিচয় দেওয়া যায়, তেমনি ব্যবসায় সফলতার মুখও দেখা যায়।

যা প্রয়োজন
এ ব্যবসার ক্ষেত্রে অবশ্যই হাতে কিছু টাকা নিয়ে শুরু করতে হবে। প্রয়োজনীয় কিছু কেনাকাটা রয়েছে। কাগজ, পেনসিল, কালি-কলম, ইজেল, বোর্ড, ক্লিপ, তুলি ও বিভিন্ন জলরঙ, রঙ রাখার বক্স প্রভৃতি।
শুরু করবেন যেভাবে
ব্যবসাটি একা শুরু করতে পারেন, অথবা দু-একজন বন্ধুকেও সঙ্গে নিতে পারেন। এতে কাজগুলো দ্রুত এগোবে। শুরুতে তাড়াহুড়ো না করে পরিকল্পনামাফিক ধীরে ধীরে কাজ
করতে হবে। নিজ বাসাতেই প্রতিষ্ঠান তৈরি করে নিতে পারেন। এতে আলাদা খরচ হবে না। প্রথম দিকে তো গ্রাহক পাওয়া বেশ কঠিন। সেক্ষেত্রে গ্রাহক বাড়ানোর জন্য ফেসবুকে একটি পেজ খুলে সেখানে পণ্যের ছবি পোস্ট করতে হবে। আপনি যে বিষয়ে দক্ষ, সেটির ওপর আঁকতে শুরু করবেন। এরপর যখন গ্রাহক আসতে শুরু করবে, তখন তাদের পছন্দমতো পেইন্টিংয়ের কাজ করবেন। আধুনিক যুগে চিত্রশিল্পীদের খুব একটা দেখা যায় না। কিন্তু হাতে আঁকা প্রাকৃতিক অপরূপ দৃশ্যের চাহিদা এখনও রয়েছে। তাই বাজারে এর মূল্যও কম নয়। শুধু অনলাইনে ভরসা না রেখে বিভিন্ন মার্কেটে সরবরাহ করা যেতে পারে। একেকটি পেইন্টিং বিক্রি করে সফলতার মুখ দেখতে পারেন।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..