এসএমই

বিজনেস আইডিয়া: স্টেশনারি ব্যবসা

নিজের পায়ে দাঁড়াতে হলে আপনাকে উদ্যোগী হতে হবে। আর উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য ঠিক করতে হবে কী দিয়ে শুরু করবেন। এজন্য দরকার অল্প পুঁজিতে শুরু করা যায় এমন ব্যবসা। এ ধরনের উদ্যোক্তার পাশে দাঁড়াতে শেয়ার বিজের সাপ্তাহিক আয়োজন

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ব্যবসা স্টেশনারি। অনেকের মতে এটা মাঝারি ধরনের লাভজনক ব্যবসা। ছোট জায়গায় স্বল্প পরিসরে এ ব্যবসা শুরু করা যায়। এ ব্যবসার জন্য বেশি পুঁজির দরকার হয় না।
স্টেশনারি ব্যবসায় স্থান নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের আশেপাশের জায়গা নির্বাচন করা উচিত। এসব প্রতিষ্ঠানই মূলত এর ক্রেতা। মূলত পড়ালেখা, অফিস আদালত ও ব্যবসা বাণিজ্যের
হিসাব-নিকাশের জন্য প্রয়োজন স্টেশনারি পণ্য।
ব্যবসা শুরুর আগে স্টেশনারি পণ্য সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখতে হবে। সচরাচর যেসব পণ্য প্রয়োজন, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে কলম, পেনসিল/রঙ পেনসিল, পেনসিল কাটার, পেনসিল বক্স, খাতা/রেজিস্ট্রার খাতা, পেপার কাটার, ডাবল এ পেপার, পাঞ্চ মেশিন, নানা ধরনের ফিতা, স্ট্যাম্প সিল, স্ট্যাপলার, ডেস্ক গ্লোব, গাম, রুলার, ক্যালকুলেটর, খাম, ঝুড়ি, ফটো অ্যালবাম, স্টিকার, হিট সিলার, প্রাইস লেবেলার মেশিন, ফাইল/বোর্ড ফাইল/বক্স ফাইল, মার্কার পেন/সাইন পেন, ইরেজার, স্কেল, জ্যামিতি বক্স, পেন হোল্ডার, চক, ডাস্টার, হোয়াইট বোর্ড, শ্লেট, পেপার ওয়েট প্রভৃতি। গৃহস্থালি কাজে ব্যবহƒত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও খেলাধুলার উপকরণও রাখতে পারেন দোকানে। সারা বছর এসব পণ্যের চাহিদা রয়েছে।
রাজধানীর নয়াবাজার, বাবুবাজার ও চকবাজারে তুলনামূলক কম দামে এসব পণ্য পাবেন। দোকান ভাড়া ও পণ্য কেনার জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকার প্রয়োজন পড়বে। স্থানভেদে মাসে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা উপার্জন করতে পারবেন।
এ ব্যবসার অন্যতম সুবিধা বছরের যে কোনো সময়ে প্রশিক্ষণ ছাড়াই শুরু করতে পারবেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করছেন এমন ব্যবসায়ীর পরামর্শ মেনে চলা উচিত। এ ব্যবসায় ঝুঁকি নেই বললে চলে। স্টেশনারি পণ্য নষ্ট হয়ে যাওয়া কিংবা পচে যাওয়ার ভয় নেই।

রাহুল সরকার

সর্বশেষ..