প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

বিজ্ঞানে বিনিয়োগ বাড়ানোর নির্দেশ বাইডেনের

শেয়ার বিজ ডেস্ক: বিজ্ঞানে আরও বিনিয়োগ ও চিপ উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসেডেন্ট জো বাইডেন। এ-সংক্রান্ত একটি বিলে স্বাক্ষর করেছেন তিনি। খবর: রয়টার্স।

চীনকে মোকাবিলায় চিপ উৎপাদন বাড়ানোর পদক্ষেপ নিয়েছে বাইডেন প্রশাসন।

নতুন আইনে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি সেমিকন্ডাক্টরের উৎপাদন বাড়ানো, সরবরাহ শৃঙ্খলের দুর্বলতা মোকাবিলা করা, অভ্যন্তরীণ বৈজ্ঞানিক গবেষণা শক্তিশালী করা এবং অর্থনৈতিক ও জাতীয় নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে ৫২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার (পাঁচ হাজার ২৭০ কোটি ডলার) বরাদ্দের কথা বলা হয়েছে।

বাইডেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও গোটা বিশ্ব অর্থনীতি ও প্রযুক্তিতে একটি বাঁক বদলের মুখে রয়েছে। চিপ ও বিজ্ঞান আইন যুক্তরাষ্ট্রে সেমিকন্ডাক্টর তৈরির পদক্ষেপ আরও জোরালো করবে।

৩০ বছর আগে বৈশ্বিক চিপ উৎপাদনের ৪০ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্র উৎপাদন করত বলে জানান বাইডেন। তিনি বলেন, গত বছর মূল মুদ্রাস্ফীতির এক-তৃতীয়াংশের কারণ ছিল অটোমোবাইল খাতের উচ্চ মূল্য। এই চিপগুলো যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি করতে হবে। খরচ কমাতে হবে। নতুন চাকরির বাজার তৈরি করতে হবে।

ইনটেল, মাইক্রোন, গ্লোবাল ফাউন্ড্রিজ ও কোয়ালকমের মতো যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ কোম্পানিগুলো চিপশিল্পে বিনিয়োগের অঙ্গীকার করেছে বলে জানান বাইডেন।

গত মে মাসে বিশ্বের বৃহত্তম চিপনির্মাতা কোম্পানি তাইওয়ান সেমিকন্ডাকটর ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানির (টিএসএমসি) প্রতিষ্ঠাতা মরিস চ্যাং জানান, যুক্তরাষ্ট্রে চিপ উৎপাদন বেশ ব্যয়বহুল হবে এবং তা কোনো কাজে আসবে না। তাইওয়ানভিত্তিক টিএসএমসির মতো বৈশ্বিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে টেক্কা দেয়ার ক্ষমতা থাকবে না তাদের। তার মতে, স্থানীয় চিপশিল্পকে শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চাভিলাষী প্রকল্প অকার্যকর হতে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের আরিজোনায় এক হাজার ২০০ কোটি ডলার ব্যয়ে নতুন কারখানা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে টিএসএমসি। এ ব্যাপারে টিএসএমসির প্রতিষ্ঠাতা জানান, ২০১৯ সালে তিনি অবসরে গেছেন। আরিজোনায় কারখানা চালুর সিদ্ধান্ত নতুন চেয়ারম্যান মার্ক লিয়ুর। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের চাপাচাপিতে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন।