দিনের খবর প্রচ্ছদ প্রথম পাতা

বিনিয়োগ বাড়ছে স্বল্প শেয়ারধারী কোম্পানিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজার যত ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে, বিনিয়োগকারীরা ততই স্বল্প পরিশোধিত মূলধনসম্পন্ন এবং কম শেয়ারধারী কোম্পানিতে ঝুঁকে পড়ছেন। ফলে বিনিয়োগ বাড়ছে এ ধরনের কোম্পানিতে। গত সপ্তাহেও বাজারে এমন পরিস্থিতি দেখা যায়। তখন সর্বোচ্চ ৫০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন রয়েছে, এমন কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগকারীরা বেশি আগ্রহ দেখিয়েছেন। গতকাল তা আরও নিচে নেমে এসেছে।

গতকালের বাজার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এদিন বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ছিল ১০ থেকে ৩০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন রয়েছে, এ ধরনের কোম্পানির শেয়ারে। যে কারণে এ ধরনের কোম্পানির শেয়ারদর বেশি বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়। পাশাপাশি বাড়তে দেখা যায় ১০ টাকার নিচে দর রয়েছে, এ ধরনের শেয়ারের। মূলত এ ধরনের শেয়ারদর কম হওয়ায় এখান থেকে দ্রুত মুনাফা তুলবেন এমন মনোভাবে রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। এজন্য এ ধরনের কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছেন তারা।

গতকালের বাজারচিত্রে দেখা যায়, যেসব শেয়ারের বেশি দর বেড়েছে তার মধ্যে অধিকাংশই ছিল কম পরিশোধিত মূলধন রয়েছে এমন ধরনের কোম্পানির, অথবা দর অভিহিত মূল্যের নিচে এমন শেয়ারের। এ ধরনের শেয়ার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে দেখা গেছে।

পুঁজিবাজারের অতীত অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায়, কোনো কারণ ছাড়া এ ধরনের শেয়ারদর বৃদ্ধি স্বাভাবিক লক্ষণ নয়। বিশেষ করে বাজার যখন ঊর্ধ্বমুখী অবস্থায় থাকে, তখন যেসব কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন কমÑএ ধরনের শেয়ার নিয়ে কারসাজিতে মেতে ওঠেন সুযোগসন্ধানীরা। আর কিছু বিনিয়োগকারী না বুঝে এ ধরনের শেয়ারে বিনিয়োগ করেন। একটা সময় তাদেরই সমস্যায় পড়তে হয়।

একইভাবে ঊর্ধ্বমুখী পুঁজিবাজারে সেসব কোম্পানির শেয়ারদর কম, এ ধরনের শেয়ার টার্গেট করেন কারসাজিকারীরা। অনেক সময় তারা পরিকল্পনামাফিক এসব শেয়ারের দর বাড়ান। এজন্য বেশিরভাগ সময়ই তারা গুজবের আশ্রয় গ্রহণ করেন। সুযোগ কাজে লাগিয়ে শেয়ারের দর বাড়িয়ে নিজেরা বাজার থেকে বের হয়ে যান। শেষ ফলটা ভোগ করতে হয় বিনিয়োগকারীদের। তাই বিনিয়োগকারীদের এ বিষয়টি মাথায় রেখে লেনদেন করা উচিত।

এদিকে গতকালও বেশ ঊর্ধ্বমুখী অবস্থায় ছিল পুঁজিবাজার। গতকাল দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক বৃদ্ধি পায় ১৬ পয়েন্ট। লেনদেনে শেষে সূচকের অবস্থান হয় পাঁচ হাজার ১১৬ পয়েন্টে। একইভাবে গতকাল লেনদেনও বাড়তে দেখা যায়। এদিন ডিএসইতে মোট এক হাজার ১৪৭ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট কেনাবেচা হয়।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..