প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

বিবিএসের ১২২ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের কোম্পানি বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস (বিবিএস) লিমিটেডের ১২২ কোটি ৬৩ লাখ ৪৭ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করে লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্রমতে, গত সপ্তাহে কোম্পানির মোট দুই কোটি ৩২ লাখ ৯৪ হাজার ৯০৩টি শেয়ার লেনদেন হয়। এর বাজারদর ১২২ কোটি ৬৩ লাখ ৪৭ হাজার টাকা, যা মোট লেনদেনের দুই দশমিক ৮৫ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ারদর আগের সপ্তাহের চেয়ে ছয় দশমিক ৩৩ শতাংশ কমেছে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে কোম্পানিটি ‘এ’ ক্যাটাগরিতে অবস্থান করছে। ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত হিসাববছরের ৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে দুই টাকা ৩৬ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৬৮ পয়সা। আগের বছরে একই সময় ছিল যথাক্রমে দুই টাকা ৩২ পয়সা এবং ১২ টাকা ৩২ পয়সা। ২০১৫ সালের সমাপ্ত হিসাব বছরে ২০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে, যা আগের বছর থেকে ৫ শতাংশ কম। ওই বছর কোম্পানিটি কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল ২৪ কোটি ৫৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা, যা আগের বছর ছিল ২২ কোটি ৬৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এটি আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৫৪ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত সময়ে এনএভি ছিল ১৫ টাকা ৫৩ পয়সা। এটি চলতি বছরে ৩০ জুন পর্যন্ত ছিল ১৪ টাকা ৬৮ পয়সা। ১৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১০৫ কোটি ৯৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ২৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। গত বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির ৩৯ লাখ ৭৯ হাজার ২৭৩টি শেয়ার মোট দুই হাজার ৭৩১ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ২০ কোটি ৯০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের চেয়ে শূন্য দশমিক ৩৮ শতাংশ বা ২০ পয়সা কমে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ৫১ টাকা ৮০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৫১ টাকা ৮০ পয়সা। শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৫১ টাকা ৬০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৫৩ টাকা ৮০ পয়সায় ওঠানামা করে। এক বছরের মধ্যে শেয়ারদর ৩০ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ৫৮ টাকা ৭০ পয়সায় ওঠানামা করে।

তাছাড়া, গত সপ্তাহে লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০ কোম্পানির মধ্যে অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে বেক্সিমকো ১০০ কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তৃতীয় স্থানে থাকা এ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেড ৯৮ কোটি ৪০ লাখ ৮৮ হাজার টাকার লেনদেন করেছে। চতুর্থ স্থানে থাকা কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড ৯০ কোটি ৩৭ লাখ ২৪ হাজার টাকার লেনদেন করেছে। পঞ্চম স্থানে থাকা অলিম্পিক অ্যাকসেসরিজ লিমিটেডের ৮৫ কোটি ৭১ লাখ ২২ হাজার টাকার লেনদেন করেছে। ষষ্ঠ স্থানে থাকা সেন্টাল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ৮০ কোটি ৭৯ লাখ ১২ হাজার টাকার লেনদেন করেছে। সপ্তম স্থানে থাকা ইফাদ অটোস লিমিটেড ৭৮ কোটি ৯৩ লাখ ৭২ হাজার টাকার লেনদেন করেছে। অস্টম স্থানে থাকা ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্স লিমিটেড ৭৬ কোটি ৪৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকার লেনদেন করেছে। নবম স্থানে থাকা লংকাবাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেড ৭৪ কোটি ৭২ লাখ ১৬ হাজার টাকার লেনদেন করেছে এবং স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ৭৪ কোটি ৪৭ লাখ ৯৫ হাজার টাকার লেনদেন করে দশম স্থানে অবস্থান করছে।