দিনের খবর প্রচ্ছদ শেষ পাতা

বিভিন্ন পর্যায়ে করছাড় সুবিধা চায় চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জ

প্রাক-বাজেট প্রস্তাবনা

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী অর্থবছরের (২০২০-২১) প্রস্তাবিত বাজেটে বিভিন্ন পর্যায়ে কোম্পানি ও নিজেদের জন্য কয়েক ধাপে করছাড় চায় চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। গতকাল জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) প্রস্তাবটি জমা দেওয়া হয়। বর্তমানে দুই স্টক এক্সচেঞ্জের একটি হচ্ছে সিএসই।

প্রস্তাবনার মধ্যে রয়েছে: ব্যক্তি পর্যায়ে করহারের আওতা বৃদ্ধি, লেনদেনের ওপর বিদ্যমান করহার কমিয়ে আনা, নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তিতে প্রথম বছরের পাশাপাশি পরবর্তী কয়েক বছর যৌক্তিক আকারে করছাড়, বিদেশি কোম্পানি তালিকাভুক্তিতে আগ্রহী করতে বিশেষ করহার ছাড়ের প্রণোদনা, তালিকাভুক্ত কোম্পানির করহার ২৫ শতাংশের পরিবর্তে ২০ শতাংশে নামিয়ে আনা।

এসএমই কোম্পানির জন্য তালিকাভুক্তির প্রথম তিন বছর করশূন্য ও ২০ শতাংশের বেশি নগদ লভ্যাংশ প্রদানকারী কোম্পানিকে প্রচলিত করহারের পরিবর্তে বিশেষ করছাড় দেওয়া। সিএসইর পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা হয়, এই করহার ২০ থেকে ৩৫ শতাংশ লভ্যাংশ প্রদানে পাঁচ শতাংশ কর এবং ৩৫ শতাংশের বেশি হলে ১০ শতাংশ কর রেয়াত সুবিধা দেওয়া যেতে পারে।

বন্ড মার্কেট শক্তিশালী করতে লেনদেনের ওপর বিদ্যমান শূন্য দশমিক শূন্য পাঁচ শতাংশ উৎসে কর পুুরেটাই ছাড় দেওয়া যেতে পারে। এছাড়া সিএসই ও স্টক এক্সচেঞ্জ সদস্যদের উৎসে করের ওপর রেয়াত দাবি করা হয় প্রস্তাবনায়।

আগামী অর্থবছরের জন্য বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের কাছ থেকে প্রস্তাবনা নিচ্ছে এনবিআর। প্রথা অনুযায়ী এসব প্রস্তাবনা নেওয়া হয়। প্রস্তাবনাগুলো যাচাই-বাছাই করে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পাঠায় এনবিআর। পরবর্তীকালে সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

অতীতে দেখা গেছে, বাজেট প্রস্তাব নিয়ে প্রতিদিন বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে এনবিআর। কিন্তু এবার করোনাভাইরাসের কারণে সরাসরি মতবিনিময়-সংক্রান্ত সভা প্রায় বন্ধ। তাই প্রস্তাব আকারে জমা নেওয়া হচ্ছে এবার। ভার্চুয়াল মাধ্যম বিবেচনায় নিয়ে কিছু স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করার পরিকল্পনায় রয়েছে এনবিআর।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
ট্যাগ ➧

সর্বশেষ..