দিনের খবর প্রচ্ছদ প্রথম পাতা

বিমায় বেপরোয়া বিনিয়োগ চলছেই

নিজস্ব প্রতিবেদক: দিন যতই যাচ্ছে বিমা খাতে বেপরোয়া বিনিয়োগ ততই বাড়ছে। কোনো কারণ ছাড়া দর বেড়ে এই খাতের কিছু কোম্পানির শেয়ার এরই মধ্যে অতিমূল্যায়িত হয়ে গেলেও এখন তা আমলে নিচ্ছেন না বিনিয়োগকারীরা। বুঝে না বুঝে এই খাতটিতেই বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছেন তারা। ভবিষ্যতে কী হবে, তা নিয়ে মোটেও মাথাব্যথা নেই এসব বিনিয়োগকারীর।

সম্প্রতি প্রতিদিনই লেনদেনে বিমা খাতের কোম্পানির আধিপত্য দেখা যাচ্ছে। এক সপ্তাহ ধরে মোট লেনদেনে এই খাতের অবদান দেখা যাচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ শতাংশের মধ্যে। গতকাল তা পাঁচ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

গতকালের বাজার পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, আগের সব কার্যদিবসের মতো লেনদেনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একক আধিপত্য ছিল বিমা খাতের কোম্পানির। অন্যান্য দিনের মতো গতকালও বিনিয়োগকারীদের চাহিদার শীর্ষে থাকার কারণে বাড়তে দেখা যায় বিমার বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারদর। দিন শেষে মোট লেনদেনে বিমা খাতের একক অবদান দেখতে পাওয়া যায় ৫৫ শতাংশ।

এদিকে বিমা ছাড়া গতকাল আর কোনো খাত মোট লেনদেনে ১০ শতাংশ অবদান রাখতে পারেনি। এসব খাতের মধ্যে ওষুধ ও রসায়ন খাতে বিনিয়োগকারীদের সামান্য আগ্রহ দেখা যায়। দিন শেষে মোট লেনদেনে এই খাতের অবদান দেখতে পাওয়া যায় ৯ শতাংশের কম। এছাড়া আর কোনো খাতের শেয়ারেই আগ্রহ ছিল না বিনিয়োগকারীদের।

এদিকে গত সপ্তাহের শেষ দিনে বিক্রয় চাপ বেশি পরিলক্ষিত হয়, যে কারণে দিন শেষে কিছুটা কমতে দেখা যায় সূচক। গতকাল দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক কমে প্রায় তিন পয়েন্ট। লেনদেন শেষে সূচক স্থির হয় চার হাজার ৯১৪ পয়েন্টে।

অন্যদিকে বিক্রয় চাপ থাকার কারণে গতকাল ১১ কার্যদিবস পরে আবারও ডিএসইতে লেনদেন এক হাজার কোট টাকা ছাড়িয়েছে। গতকাল দিন শেষে ডিএসইতে মোট এক হাজার ২৯ কোটি টাকার শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট কেনাবেচা হয়।

এদিকে গতকাল মূল মার্কেটের তুলনায় বিবর্ণ ছিল ব্লক মার্কেট। গতকাল এই মার্কেটে ২০টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ করে। এসব কোম্পানির ১০ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ দুই কোটি ৩৯ লাখ ৮৮ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এক কোটি ৬৯ লাখ ২৫ হাজার টাকার এসকে ট্রিমসের এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ এক কোটি ২৫ লাখ ২৫ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে প্রাইম ব্যাংকের।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..