শোবিজ

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে এসে বিশ্বসুন্দরীর মঞ্চে

শোবিজ ডেস্ক: বরিশালের পিরোজপুরের মাটিভাঙ্গার মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী। এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকায় এসেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির কোচিং করতে। সে সঙ্গে তিনি শুরু করেন আইইএলটিএস কোর্স। এরপর হুট করেই বিশ্ব সুন্দরীর মঞ্চে।
মিস বাংলাদেশ ২০১৮ ঐশীর স্কুলে পড়া অবস্থায় বিতার্কিক হিসেবে ভালো পরিচিতি ছিল। এছাড়া পড়ালেখায়ও মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন। আঁকাআঁকি বা উপস্থাপনায় ভীষণ আগ্রহ তার। সাঁতারেও বেশ পারঙ্গম। তবে যে কারণে ঐশীকে অনেকে আলাদাভাবে চেনে তা হলো, বাল্যবিয়ে রোধে আগ্রহ। এলাকায় বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে কাজ করেছেন তিনি।
মাটিভাঙ্গা ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাসের পর ঢাকায় এসেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির কোচিং করতে। সেখান থেকেই তিনি আজ মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ। দুই বোনের মধ্যে ঐশী ছোট। বড় বোনের নাম শশী। বাবা আবদুল হাই সমাজসেবী আর মা আফরোজা হোসনে আরা একজন স্কুলশিক্ষক। সেরা হওয়ার পরও বাল্যবিয়ে নিয়ে কাজ করার কথা জানালেন তিনি। এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী বললেন, ‘এইচএসসি শেষ করে গত জুলাই মাসে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং করার জন্য এসেছিলাম। আইইএলটিএস করছিলাম। তখনই শুনি মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ আয়োজন করা হচ্ছে। হুট করে এতে নিবন্ধন করা।’
মুকুট জয়ী হওয়ার অনুভূতি জানাতে ঐশী বলেন, ‘এটা আমার কাছে এখনও অবিশ্বাস্য। ঢাকায় এসেছিলাম বিশ্ববিদ্যলায়ে ভর্তি জন্য। এখন মিস ওয়ার্ল্ডের মতো মঞ্চে যাচ্ছি!’ এদিকে বিজয়ী সম্পর্কে আয়োজক অন্তর শোবিজের চেয়ারম্যান স্বপন চৌধুরী বলেন, ‘এবারের বিজয়ীকে (ঐশী) নিয়ে আমরা খুব আশাবাদী। আমাদের বিশ্বাস তিনি মিস ওয়ার্ল্ডের সেরা দশে থাকবেন।’
রোববার রাত সাড়ে ১১টায় রাজধানীর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারের
(আইসিসিবি) রাজদর্শন হলে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিজয়ী ঐশীর মাথায় মুকুট পরিয়ে
দেওয়া হয়। ৭ ডিসেম্বর চীনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হয়ে অংশ নেবেন তিনি।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..