আজকের পত্রিকা

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা মেধা মূল্যায়ন, নাকি মেধা নির্যাতন?

অরিত্র দাস: ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের সামনে এখন অপেক্ষমাণ ভর্তি পরীক্ষার বৈতরণী। কাদায়-আটকানো হাতি যেমন ডাঙায় ওঠার জন্য সব শক্তি দিয়ে চেষ্টা করে, তেমনি কোনো ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীকে এই বিশাল দুস্তর বৈতরণী পার হতে প্রয়াস চালিয়ে যেতে হয় প্রাণপণে। এ পরীক্ষা শিক্ষার্থীকে ভেঙে নতুন করে তৈরি করে তার স্বপ্নের মতন, যে স্বপ্নটি সে বুকের ভেতর অনেক বছর ধরে লালন করে আসছে। এক্ষেত্রে তার স্বপ্নের বাস্তবায়ন করতে পারে জানার আগ্রহ, অধ্যবসায়, ধৈর্য ও নিষ্ঠা। সেইসঙ্গে চাই একাগ্রতা। মানুষ যখন তার লক্ষ্যের পেছনে, স্বপ্নের পেছনে অন্ধের মতো ছুটে বেড়ায়, কেবল তখনই সাফল্য এসে ধরা দেয়। এ কথাটি বলতে গিয়ে মনে পড়ে গেল ভারতের বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও দেশটির সাবেক রাষ্ট্রপতি এ পি জে আবদুল কালামের সেই বিখ্যাত কথাটি ‘স্বপ্ন সেটা নয়, যেটা মানুষ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখে; স্বপ্ন সেটাই, যেটা পূরণের প্রত্যাশা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না।’ বাস্তবতা কত গভীরভাবে অনুধাবন করলে এ রকম একটি গভীরতম কথা বলা যায়, তার উদাহরণ দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে আসা একটি নক্ষত্র এ পি জে আবদুল কালাম।
ভর্তিযুদ্ধ কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের চেয়ে কি কোনো অংশে কম? লাখ লাখ শিক্ষার্থীর সঙ্গে মেধা নামক অস্ত্রটি দিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হয় কোনো শিক্ষার্থীকে। এই যুদ্ধভূমিতে নিজের জায়গাটি তৈরি করে নিতে হলে অবশ্যই পড়াশোনার বিকল্প নেই। হাতের কাছে সিলেবাস অনুযায়ী যা থাকবে, সব পড়ে ফেলতে হবে। শুধু পড়লেই হবে না, মনে রাখতে হবে। কতটা পড়েছ, তা বিষয় নয়; কতখানি মনে রাখতে পেরেছ, সেটিই হলো বিষয়। মনে রাখার জন্য কৌশল অবলম্বন করে পড়া আবশ্যক। নয়তো এত অল্প সময়ে এত কিছু মনে রাখা স্বয়ং ঈশ্বরের পক্ষেও সম্ভব নয়। কোনোকিছুর সঙ্গে মিল রেখে বা তুলনা করে বা ছন্দ বানিয়ে পড়া সহায়ক। এটি দীর্ঘদিন মনে রাখতে সাহায্য করে। যেমন, রবীন্দ্রনাথ তার ‘সঞ্চয়িতা’ বইটি কাজী নজরুলকে উৎসর্গ করেন। অন্যদিকে কাজী নজরুল তার লেখা ‘সঞ্চিতা’ বইটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন। কিন্তু এটি ভুলে যাওয়া বা গুলিয়ে ফেলা খুবই সহজ। তাই এভাবে যদি মনে রাখা যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নামটি বানানে বড়, তাই তার বইটির নামও বড় ‘সঞ্চয়িতা’; কাজী নজরুল নামের বানানে ছোট, তাই তার বইটির নাম ‘সঞ্চিতা’। এটাই হলো কৌশল। এভাবে দীর্ঘদিন মনে থাকে। সেইসঙ্গে বেশি বেশি প্রশ্নের সমাধান খুবই উপকারে আসে। যত বেশি প্রশ্নের সমাধান, তত বেশি স্পষ্ট ধারণার জন্ম। লেকচার শিট, নোট বই, বাজারে বিভিন্ন সস্তা বইয়ের চেয়ে মূল বইয়ের গুরুত্ব অধিক। নিখুঁতভাবে পাঠ্যবইগুলো পড়া মানে ভর্তি পরীক্ষায় হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে অনায়াসে পেছনে ফেলে দেওয়া। কোচিংয়ের ওপর নির্ভরশীল হওয়া যাবে না, নিজের ওপর নির্ভরশীল হতে হবে। কোচিং কখনও চান্স পাওয়ায় না; কোচিং শুধু একটা ধারণা দেয়। মূলত বিদ্যার পথে পথে দীপশিখা জ্বালিয়ে হাঁটতে হয় একাই। বিদ্যা কখনও ধার করা যায় না, বিদ্যা অর্জন করতে হয়।
কিন্তু সেই দীপশিখা স্বাভাবিকভাবে জ্বলতে বাধা প্রদান করে বিভিন্ন প্রতিকূলতা। প্রতিকূলতার মধ্যে অন্যতম হলো একই সময়ে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিন্ন ভিন্ন পরীক্ষা পদ্ধতি ও একাধিক তারিখে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়া এবং এই ভিন্ন ভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি আবার বিভিন্ন রকম এবং সিলেবাসও আলাদা। ফলে শিক্ষার্থীরা উভয় সংকটে পড়ে যায়। কোনো একক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রস্তুতি নিতে গিয়ে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিপ্রায়ে নিজেকে শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত করা সম্ভব হয় না। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৪৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় আছে। এর মধ্যে চারটি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং পাঁচটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। সর্বশেষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় নামে নতুন একটি বিশ্ববিদ্যালয় চালু হতে যাচ্ছে লালমনিরহাটে। লালমনিরহাটে অবস্থিত দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময়ের পরিত্যক্ত বিমানবন্দরই হচ্ছে দেশের প্রথম এভিয়েশন বিশ্ববিদ্যালয়। সুতরাং ধরে নিই, ৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ে একদিন করে যদি পরীক্ষা হয় তবে ৪৬টি দিন দরকার। অর্থাৎ দেড় মাস দরকার। এটা হলো একটা মনগড়া হিসাব। প্রকৃতপক্ষে এর চিত্র ভিন্ন ও করুণ। আরও বেশি সময় লাগে। প্রায় তিন থেকে চার মাস ধরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা হয় একটানা ১০ থেকে ১২ দিন ধরে। অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন ইউনিটের পরীক্ষা হয় পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহ নিয়ে। একেক সপ্তাহে একেকটি ইউনিট। এজন্য দেখা যায়, কোনো শিক্ষার্থীকে এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ও বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং কখনও কখনও একই বিশ্ববিদ্যালয়ে বারবার ছুটে আসতে হয়। এই ছোটাছুটি করতে গিয়ে মানসিক ও শারীরিকভাবে ভেঙে পড়ে তারা। পড়াশোনা ও পরীক্ষার প্রতি তারা খেই হারিয়ে ফেলে। সেইসঙ্গে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য এত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ফরম তোলা বাবদ খরচ ও যাতায়াত খরচ অসহনীয় হয়ে পড়ে, যা বামন হয়ে চাঁদে হাত বাড়ানোর মতো। এগুলো কোনো রকমে মানা গেলেও ভর্তি পরীক্ষা দিতে এসে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের থাকা-খাওয়ার খরচ যেন মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের এক গবেষণায় দেখা যায়, একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দেওয়া ও বিভিন্ন বিষয়ে ভর্তি কোচিংসহ আনুষঙ্গিক খাতে কোনো শিক্ষার্থী তথা তার অভিভাবকের গড়ে ৯৬ হাজার টাকা খরচ হয়। কয়েক বছর আগের একটি ঘটনা। তখন আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় আমার একটা অভ্যাস ছিল। অভ্যাসটি ভালো কি মন্দ ছিল, তা জানি না। তবে এই অভ্যাসটি আমি ভীষণ উপভোগ করতাম। মাঝেমধ্যে রাতের বেলা পুরো ক্যাম্পাসে হেঁটে বেড়াতাম। নির্জন রাতের ক্যাম্পাসে হেঁটে বেড়ানোর যে সুখ, তা অন্য কোথাও নেই। একবার ক্যাম্পাসে হেঁটে বেড়াচ্ছি। হঠাৎ যখন পুরো ক্যাম্পাস চক্কর দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার সামনে এলাম, তখন রাত আনুমানিক পৌনে ৩টা। দেখলাম, ক্যাফেটেরিয়ার সিঁড়িগুলোতে দুটি ছেলে শুয়ে আছে, আর একটি ছেলে বসে আছে। আমি ধীরপায়ে এগিয়ে গেলাম তাদের দিকে। আমার উপস্থিতি টের পেয়ে শুয়ে থাকা দুজন উঠে জড়োসড়ো হয়ে বসল। আমি প্রশ্ন করলাম, ‘আপনারা কারা? এত রাতে এখানে এভাবে শুয়ে আছেন কেন?’ তারা অপ্রতিভ হয়ে বলল, ‘আমরা পরীক্ষার্থী। মাওলানা ভাসানী হলে এক ভাইয়ের কাছে থাকার কথা ছিল। পথে আসতে দেরি হওয়ায় এত রাতে তাকে ফোন দিতে সাহস পাইনি।’ পরক্ষণে আমি আবার প্রশ্ন করলাম, ‘আপনারা কোথা থেকে এসেছেন?’ তারা মৃদৃস্বরে জবাব দিল, ‘পঞ্চগড় থেকে এসেছি।’ আমি অবাক হলাম, তারাই আর কয়েক ঘণ্টা পর ভর্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করবে, যাদের খাওয়া-দাওয়া-ঘুম নেই; মাথা-মন স্থির ও শান্ত নেই। পরীক্ষার আগের রাতে তার পড়া বইগুলোতে চোখ বুলানোর সুযোগ নেই। ১০-১২ ঘণ্টা বাস জার্নি করে এসে এখন বাকি রাতটুকু খোলা আকাশের নিচে বিনিদ্রভাবে কাটাচ্ছে। সহসা আমার স্মরণে এলো, আমিও তো এমন একটি দিনে সারা রাত বাস জার্নি করে, পরের দিন সকালে পরীক্ষা দিয়েছি। বস্তুত এ কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় মেধা মূল্যায়ন হতে পারে না। এ এক মেধা নির্যাতনের প্রক্রিয়া। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার এই প্রক্রিয়া মেধাধীদের মেধা মূল্যায়ন করার চেয়ে বরং মেধাবীদের অর্থিক, শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করে, যার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রকৃত মানসম্মত শিক্ষার্থী পায় না ঝরে যাচ্ছে মেধাবীরা।
প্রতিবছর ভর্তি পরীক্ষা এলে সেই দুর্বিষহ দিনগুলোর কথা মনে পড়ে যায়, মনে পড়ে যায় কোনো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন পূরণের তীব্র সংগ্রামের কথা। ঢাকা থেকে রাজশাহী, রাজশাহী থেকে চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম থেকে বরিশাল, বরিশাল থেকে ময়মনসিংহ এভাবে একজন শিক্ষার্থীকে ছুটতে হয় সমগ্র দেশে। আরও একটি সমস্যা তো আছেই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা একই দিনে বা পরপর অনুষ্ঠিত হয়। এ বছরও মেডিক্যাল ও বুয়েটের পরীক্ষার সময়সূচি যথারীতি ৪ ও ৫ অক্টোবর। ফলে শিক্ষার্থীদের বানের জলে ভেসে যাওয়ার মতো অবস্থা। তাই অনতিবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে একটি অভিন্ন ভর্তি পরীক্ষার আওতায় নিয়ে আসা অবশ্যকরণীয়। নয়তো যেভাবে ব্যঙের ছাতার মতো বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠছে, তাতে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের দুর্দশা, দুরবস্থা, দুঃসহ লড়াই ও ভোগান্তি আরও চরম থেকে চরম আকার ধারণ করবে। শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হবে। মেডিক্যাল কলেজে এক দিনে একটি প্রশ্ন পদ্ধতিতে পরীক্ষা হচ্ছে। সম্প্রতি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ার আওতায় এসেছে। এখন সব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সব প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে একই দিনে একটি অভিন্ন প্রশ্ন পদ্ধতি পরীক্ষার আওতায় আনতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে একটি অভিন্ন পরীক্ষার আওতায় আনার দাবি দীর্ঘদিনের। ২০০৭ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে অভিন্ন ভর্তি পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়ার পর থেকে বিষয়টি নিয়ে এখন পর্যন্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একাধিক বৈঠক হয়। কিন্তু এই দাবি বাস্তবায়নে বারবার প্রধানত বাধা ও অনিচ্ছা পোষণ করে আসছে বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। মূলত শিক্ষকদের গোষ্ঠীস্বার্থ হচ্ছে উচ্চমূল্যে ফরম বিক্রিসহ ভর্তি পরীক্ষায় নানারকম ডিউটি, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও অন্যান্য কাজ, যা থেকে তারা মোটা অঙ্কের অর্থ রোজগার করে থাকেন। ফলে যে চারটি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয় ’৭৩-এর আইন বা অধ্যাদেশ অনুযায়ী চলছে, তারা অভিন্ন ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতির সিদ্ধান্তে একদমই আগ্রহী নয়। ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে ’৭৩ সালের আইন ও অধ্যাদেশ দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। এই চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ পদ্ধতিতে না যাওয়ার আরেকটি কারণ হচ্ছে, এই বিশ্ববিদ্যাগুলোর নিজস্ব স্বকীয়তা এবং একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে আলাদা চিন্তাভাবনা আছে। তাই এই চরম বাস্তবিক সমস্যা লাঘবের জন্য দরকার হলে শুধু এ চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আলাদা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হোক। বাকি যেগুলোকে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বলে অনানুষ্ঠানিকভাবে আমরা জানি, সেগুলোকে শিক্ষার্থীদের স্বার্থে একটি আইনের আওতায় নিয়ে এসে অতি দ্রুত সময়ে অভিন্ন ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করার বিধান করা হোক; নয়তো আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা দম বন্ধ হয়ে ঝরে যাবে।
সর্বোপরি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে এইটুকু বলব, ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাণ শিক্ষার্থীরা; শিক্ষার্থীদের প্রাণ বিশ্ববিদ্যালয় বা নামিদামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়। বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সবকিছু পরিবর্তনশীল। প্রতিটি স্তরে মানুষের জীবনধারায় পরিবর্তন আসে। একবার সফল হওয়া মানেই জীবন অসাধারণভাবে আলোকিত হবে, তা নয়; আবার একবার ব্যর্থতা মানেই জীবন অন্ধকারময় নিদারুণ সংকটে নিপতিত হবে, তা নয়। সর্বদা সত্য ও সুন্দরের পথে হাঁটলে জীবনে আলো আসবেই। তাই নিজের সুস্থতার প্রতি সর্বাগ্রে মনোযোগী হওয়া অতীব গুরুত্বপূর্ণ।

শিক্ষার্থী
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

সর্বশেষ..