করপোরেট টক টপ ম্যানেজমেন্ট

বিশ্লেষণ এবং পরামর্শমূলক কাজের জন্য পেশাজীবীদের আরও প্রজ্ঞাসম্পন্ন হতে হবে

মো. কাউসার আলম, হংকংভিত্তিক শুন শিং গ্রুপ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সেভেন সার্কেল (বাংলাদেশ) লিমিটেডের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) ও কোম্পানি সেক্রেটারি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমবিএ, ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ থেকে চার্টার্ড সেক্রেটারিশিপ, অ্যাসোসিয়েশন অব চার্টার্ড সার্টিফাইড অ্যাকাউন্ট্যান্টস (এসিসিএ) থেকে সার্টিফাইড চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্সি, ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) থেকে কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএমএ) এবং আইসিএইডব্লিউ থেকে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্সি (সিএ) সম্পন্ন করেছেন। দীর্ঘ ২৫ বছরের ক্যারিয়ারে তিনি ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড, রহিমআফরোজ বাংলাদেশ লিমিটেড ও সেভেন সার্কেল (বাংলাদেশ) লিমিটেডসহ দেশে এবং বিদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ফাইন্যান্স বিভাগের নানা দায়িত্ব সফলতার সঙ্গে পালন করেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি ফাইন্যান্স পেশার নানা দিক নিয়ে কথা বলেন।  সাক্ষাৎকার নিয়েছেন হাসানুজ্জামান পিয়াস

গত দশ বছরে ফাইন্যান্স পেশায় কী ধরনের পরিবর্তন দেখছেন?

ফাইন্যান্স পেশা সম্পর্কে বলার আগে একটু সার্বিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তন সম্পর্কে বলা জরুরি। গত দশ বছরে আমাদের দেশের ব্যবসার পরিধি, আকার এবং ব্যবসার ধরণে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। অনেক বহুমুখী গ্রুপ অব কোম্পানিজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পোশাক শিল্প এক সর্ববৃহৎ রপ্তানী খাত হিসেবে সুসংগত হয়েছে। অন্যদিকে আকারের প্রতিযোগীতায় অনেক ছোট ব্যবসা হোচট খেয়ে অস্তীত্ব হারিয়ে ফেলেছে। আর্থিক খাত অনেক বড় হয়েছে কিন্তু সুশাসনের অভাবে বর্তমানে একটা কঠিন সময় পার করছে। ফার্মা, সিমেন্ট, স্টীল, প্ল্যাস্টিক, সিরামিক এই শিল্পগুলি গত বছরগুলোতে অনেক প্রসার লাভ করেছে। যা বর্তমানে দেশীয় চাহিদাপূরণে পুরোপুরি সক্ষম। পারিবারিক ব্যবসাগুলো অনেক বড় আকার ধারণ করায় ব্যবসায়ে ব্যবস্থাপনায়ও পরিবর্তন এসেছে। অনেক পারিবারিক প্রতিষ্ঠান স্বতন্¿ ব্যবস্থাপনা টিম দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। তাছাড়া, আমাদের দেশে ব্যবসার পরিচালনায় একটি টুল হিসেবে ইআরপি (ওরাকল/এসএপি ইত্যাদি) ব্যবহারের বিষয়ে উদ্যোক্তাদের মধ্যে লক্ষ্যনীয় আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে অনেক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে ইআরপি স্থাপন ও ব্যবহার করছে। আবার অনেক প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণরুপে প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। এছাড়া নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতাও দেখা গেছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অনেক বড় হয়েছে। ব্যবসা বড় হওয়ার সঙ্গে বিভিন্ন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করার জন্য উদ্যোক্তাদের মানসিকতার ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে।

আর্থিক ব্যবস্থাপনার নানা ইস্যুতে প্রতিষ্ঠানে সিএফওকেই অগ্রগামী ভূমিকা পালন করতে হয়। এজন্য তাকে নানা ধরণের চ্যালেঞ্জও মোকাবিলা করতে হয়। ইতিবাচক পরিবর্তনের মধ্যে গত দশ বছরে ফাইন্যান্স পেশা অনেকটা সামনে এসেছে অর্থাৎ একটা সময় এই পেশাজীবীরা কেবল ব্যাক অফিসে কাজ করতো কিন্তু বর্তমানে সামনে থেকে প্রতিষ্ঠানের নানা ধরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে কিংবা সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। আরেকটি পরিবর্তন লক্ষ্যণীয় যে, একটা সময় খুব কম প্রতিষ্ঠানে সিএফও বা অভিজ্ঞ ফাইন্যান্স পেশাজীবীদের অবদান রাখার সুযোগ ছিল। কেবল একজন অ্যাকাউন্ট্যান্ট বা হিসাবরক্ষক থাকলেই যথেষ্ট মনে করা হতো। কিন্তু বর্তমানে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে হিসাব রক্ষণাবেক্ষণের পাশপাশি আর্থিক ব্যবস্থাপনার নানা সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য দক্ষ ফাইন্যান্স পেশাজীবী তথা সিএফও নিয়োগ দিচ্ছে। বর্তমানে প্রযুক্তুির অগ্রগতির ফলে এ পেশায় অনেক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে এবং আগামীতে আরও পরিবর্তন আসবে।

বর্তমানে সিএফওদের জন্য চ্যালেঞ্জিং বিষয় কী?

ব্যবসায় আর্থিক ব্যবস্থাপনার নানা সিদ্ধান্ত নেওয়া, প্রতিষ্ঠানে নগদ অর্থ প্রবাহ ঠিক রাখা, এছাড়া যথাযথ বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং বিনিয়োগ থেকে সর্বোচ্চ প্রাপ্তি নিশ্চিতের জন্য নানা ধরনের কাজ করতে হয়। তবে, এসব কিছুতেই চ্যালেঞ্জ রয়েছে। বর্তমানে আর্থিক ব্যবস্থাপনা পেশায় বেশ পরিবর্তন এসেছে। একটা সময় কেবল আর্থিক বিবরণী প্রস্তুত করা এবং প্রকাশ করার মধ্যেই ফাইন্যান্স পেশাজীবীদের ভূমিকা সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু বর্তমানে যেহেতু নানা ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা রাখতে হয়, তাই সিএফওকে  ব্যবসায়ের সম্পূর্ণ ধাপ তথা স্ব স্ব ব্যবসার প্রথম থেকে শেষ অবধি সকল ধাপ এবং কার্যাবলী সম্পর্কে জানা অত্যন্ত জরুরি। আবার অনেক প্রতিষ্ঠান সিএফওদের একটা নির্দিষ্ট গন্ডির মধ্যে রাখতে চায়, যেকারণে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে নেওয়া কষ্টসাধ্য হয়। যেটা কিনা পেশাদার হিসাবরক্ষকদের জন্য বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। যথাযথ কর্পোরেট গভর্নেন্স বাস্তবায়ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য একটা চ্যালেঞ্জের বিষয়।

ফাইন্যান্স পেশায় প্রযুক্তি কতটুকু  প্রভাব ফেলবে?

আধুনিক প্রযুক্তি ফাইন্যান্স পেশায় বেশ প্রভাব ফেলেছে। কারণ মানুষের অনেক কাজ এখন মেশিন তথা প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়। যেমন ধরুন, ইআরপি’তে ডাটা ইনপুট করার মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রিপোর্ট তৈরী হয়ে যায়। একটা সময় অনেক মানুষের সারা মাস কিংবা বছর ধরে অনেক পরিশ্রমের মাধ্যমে এই রিপোর্ট তৈরি করতো, অথচ প্রযুক্তির কল্যাণে তা এখন মুহুর্তের মধ্যে তৈরী হয়ে যাচ্ছে। এতে করে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়ছে।

কৃত্রিম-বুদ্ধিমত্তা ও রোবটিক প্রকৌশলের মাধ্যমে যে কাজগুলো পৌন:পুনিক এবং পূর্বানুমানযোগ্য সে কাজগুলো তথ্য-প্রযুক্তির সাহায্যে সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। এটা আগামী দিনে আরও বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। মানুষকে কেবলমাত্র বিশ্লেষণমূলক এবং পরামর্শমূলক কাজ করতে হবে। সেজন্য আগামী দিনের পেশাজীবীদের অনেক বেশি প্রজ্ঞা সম্পন্ন হতে হবে। ডাটা এনালিটিক্সের মাধ্যমে অডিট বা নিরীক্ষা পেশা অনেক বেশি প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে যাবে। আগামী দিনে ব্যাংকিং এব ব্যবসায়িক লেনদেন ব্লকচেইন এর মাধ্যমে পরিচালিত হবে যাতে প্রথাগত আর্থিক মধ্যস্থতাকারী অনেক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

প্রযুক্তি কী কেবল ফাইন্যান্স পেশায় চ্যালেঞ্জ এনেছে? না কোন সুযোগও তৈরী করেছে?

প্রযুক্তি চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরী করে দিয়েছে। যেহেতু প্রযুক্তি গতানুগতিক ফাইন্যান্স পেশাজীবীদের অনেক কাজ সহেজই করে দিচ্ছে তাই এখন সুযোগ এসেছে তথ্য বিশ্লেষণ করে ব্যবসায় সরাসরি ইতিবাচক প্রভাব রাখা। প্রযুক্তির পক্ষে অনেক ক্ষেত্রে স্বতন্¿ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব নয় তাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে একটা বিশাল সুযোগ তৈরী করেছে। একটা সময় যথাযথ তথ্যের সহজলভ্যতা ছিল না বলে বিশ্লেষণ করার কথা চিন্তায় করা যেত না। কিন্তু বর্তমানে প্রযুক্তি ব্যবসার গতি বাড়ায় এবং ‘বিগ ডাটা’ ব্যবসায় পরিচালনা খরচ কমাতেও গুরত্বপূর্ণ পালন করে থাকে। প্রযুক্তি বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় প্রচুর তথ্য দিতে সক্ষম, যার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখা সম্ভব।

চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে বলে মনে করেন?

প্রথমত, ফাইন্যান্স পেশার সকল বিষয়ে যথাযথ দক্ষ হতে হবে এবং সেগুলোর যথাযথ প্রয়োগ করা শিখতে হবে। প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান এখন ‘লার্নিং অরগানাইজেশন’ হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। ‘দলবদ্ধভাবে’ কাজ করতে হবে। ‘সফ্টস্কিল ডেভেলপ’ করতে হবে। প্রতিষ্ঠানে ব্যবসার সফলতায় ভূমিকা রাখতে হবে। বিভিন্ন বিশ্লেষণধর্মী সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানে ভূমিকা রাখতে হবে। কেবল তথ্য সংরক্ষণ করা, রিপোর্ট তৈরী করার মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। অনেক কাজ মেশিন করতে পারবে না, আর ওই কাজগুলো সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে। নতুন নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। নিজেকে খাপ খাওয়ানো শিখতে হবে। দক্ষ করে নিজেকে তুলে ধরতে হবে।

কেপিএমজির এক জরিপে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীরা বলছেন আগামীতে সিএফওরা আরও বেশি ভূমিকা রাখতে পারবে, কিন্তু আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এখনো সিএফওরা প্রস্তুত নন। এ ব্যাপারে আপনার মতামত কী?

উন্নত বিশ্বের এটি একটি গবেষণা বা জরিপের ফলাফল, তাই এর সঙ্গে দ্বিমত নয় বরং অনেকটা একমত। বর্তমানে সিএফওরা প্রতিষ্ঠানের কো-পাইলট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাই বিভিন্ন জবাবদিহির মধ্য থেকে নিজেকে বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই। অনেকেই আগামীর কথা চিন্তা করেন না। পরিবর্তনে ভয় পান। কেবল নির্দিষ্ট গন্ডির মধ্যে কিছু কাজের মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ করে রাখেন। এই বিষয়গুলো নিয়ে চিন্তার সুযোগ আছে। এমন মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। প্রতিনিয়ত কীভাবে প্রতিষ্ঠানে আরও ভূমিকা রাখা যাবে সে সম্পর্কে চিন্তা করতে হবে। উদ্যোক্তাদের নানা সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিশ্লেষণাত্মক তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে হবে। সিএফওকে ব্যবসার পরিচালনা এবং মুনাফা বৃদ্ধিতে যথাযথ অংশীদারীত্বের ভূমিকা পালন করতে হবে। ব্যবসার সকল অংশীজনের চাহিদা মোতাবেক ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জন সিএফও প্রত্যক্ষ দায়িত্বের মধ্যে পড়ে, একথা মনে রাখতে হবে।

ব্যবসাক্ষেত্রে বিশ্বায়নের প্রভাব ফাইন্যান্স পেশার জন্য কতটুকু প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন?

এটি আমাদের দেশের ফাইন্যান্স পেশার জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে, কারণ পেশাজীবীরা যে শিক্ষা গ্রহণ করছে তা বিশ্বব্যাপী একই চর্চা হচ্ছে। তাই বিশ্বায়ন ফাইন্যান্স পেশাজীবদের বরং আরও অনেক বিষয় নিয়ে কাজ করার সুযোগ তৈরী করে দিবে। বিশ্বায়নের মাধ্যমে আরও দক্ষ পেশাজীবীর প্রয়োজন হবে এতে করে পেশাজীবীদের চাহিদাও বিশ্বব্যাপী বাড়বে। তবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশ্বায়নের মোকাবিলা করার জন্য প্রযুক্তিগত, ব্যবস্থাপনাগত এবং পরিচালনাগত ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করতে হবে। এটা আমাদের দেশের ব্যবসায়র জন্য একটি বড় ধরণের চ্যালেঞ্জ। কারণ, আমাদের দেশে ব্যবসা এখন প্রথম প্রজন্ম দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। আগামী দিনে যাতে দ্বিতীয় প্রজন্ম এবং পেশাগত ব্যবস্থাপকের হাতে ব্যবসাগুলো আরোও ভালভাবে পরিচালিত হয় সে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।

ফিনটেকের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার জন্য কী করা উচিত বলে মনে করেন?

প্রতিনিয়ত নানা ধরনের প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আসছে, কৃত্রিম-বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স, ব্লকচেইন এগুলোর ব্যপক প্রসার ঘটছে। এই পরিবর্তনকে ভয় পাওয়া যাবে না। নিজেকে খাপ খাওয়ানোর মানসিকতার সঙ্গে প্রতিনিয়ত পরিবর্তন সম্পর্কে আপডেট থাকতে হবে। নতুন বিষয়ে পড়ালেখা করতে হবে, বিভিন্ন সভা-সেমিনারে যেতে হবে। নতুন বিষয়গুলো প্রতিষ্ঠানে বাস্তবায়ন করতে হবে।

শেষকথা,আগামীতে প্রযুক্তি মানুষের পৌন:পুনিক এবং পূর্বাভাসযোগ্য কাজগুলো নিয়ে যাবে, মানুষ বিশ্লেষণধর্মী ও পরামর্শমূলক কাজে এবং বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগে যথেষ্ট পারদর্শী হতে হবে। তাহলেই কেবল মানুষ পেশাগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..