প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

‘বি’ ক্যাটাগরিতে ফাইন ফুডস ও মোজাফফর হোসেন স্পিনিং

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘বি’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর হলো তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানি। কোম্পানি দুটি হলো ফাইন ফুডস লিমিটেড ও মোজাফফর হোসেন স্পিনিং মিলস লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে এ তথ্য।

সূত্রমতে, ফাইন ফুডস লিমিটেড ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাববছরে দুই শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর ফলে ‘জেড’ থেকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর হলো তারা। আর মোজাফফর হোসেন স্পিনিং মিলস লিমিটেড সমাপ্ত হিসাববছরে বিনিয়োগকারীদের পাঁচ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ায় ‘এ’ ক্যাটাগরি থেকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে নেমে গেলো। ‘বি’ ক্যাটাগরির অধীনে আজ থেকে শুরু হচ্ছে এ কোম্পানিগুলোর শেয়ার লেনদেন।

উল্লেখ্য, ফাইন ফুডস লিমিটেড ২০০২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। গতকাল কোম্পানির শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ বা দুই টাকা ১০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ২৩ টাকা ৯০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দরও ছিল ২৩ টাকা ৯০ পয়সা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনিম্ন ২৩ টাকা ৩০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২৩ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে হাতবদল হয়। ওইদিন ছয় লাখ ১৭ হাজার ৪৯৩টি শেয়ার মোট ২৪১ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর এক কোটি ৪৭ লাখ ৫৮ হাজার টাকা। গত এক বছরে শেয়ারদর সাত টাকা ২০ পয়সা থেকে ২৫ টাকার মধ্যে হাতবদল হয়। কোম্পানির ১০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১৩ কোটি ৩০ লাখ ১০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৫৩ লাখ টাকা। ২০১৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাববছরে আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য দুই শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল। এ সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) করেছিল ৮১  পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৬১ পয়সা।

২০১৫ সালে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ‘নো ডিভিডেন্ড’ ঘোষণা করেছিল। ওই সময় শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১৫ পয়সা এবং এনএভি ছিল ৯ টাকা ৭৯ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে ৪৮ পয়সা ও ৯ টাকা ৯৪ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী লোকসান ছিল ১৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা, যা আগের বছর ছিল ৬২ লাখ টাকা।

কোম্পানিটির চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইপিএস হয়েছিল ১৯ পয়সা। কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল ২৫ লাখ ৫২ হাজার টাকা।

কোম্পানির এক কোটি ৩৩ লাখ ৮৯৪টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, তাদের মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে এক দশমিক শূন্য ছয় শতাংশ শেয়ার রয়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর কাছে শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ ও ৯৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে।

মোজাফফর হোসেন স্পিনিং মিলস লিমিটেড ২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। গতকাল কোম্পানির শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের চেয়ে চর দশমিক ৯৫ শতাংশ বা এক টাকা বেড়ে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ২১ টাকা ২০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দরও ছিল ২১ টাকা ২০ পয়সা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ২০ টাকা ২০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২১ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে হাতবদল হয়। ওইদিন ৫১ লাখ ৬২ হাজার ৪৫৩টি শেয়ার মোট এক হাজার ৬০৪ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ১০ কোটি ৭৮ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। গত এক বছরে শেয়ারদর ১৩ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ২৭ টাকা ৮০ পয়সার মধ্যে হাতবদল হয়। কোম্পানির ৩০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৮৯ কোটি ৮০ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৪১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। ২০১৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাববছরে আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য পাঁচ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। এ সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) করেছিল এক টাকা ৭২ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৩২ পয়সা।

২০১৫ সালে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। ওই সময় ইপিএস ছিল দুই টাকা ২৫ পয়সা এবং এনএভি ছিল ১৬ টাকা ৮৪ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে দুই টাকা ৬২ পয়সা ও ১৮ টাকা ২৩ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা ছিল ১৭ কোটি ৫৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা, যা আগের বছর ছিল ১৩ কোটি ২৯ লাখ টাকা।

কোম্পানিটির চলতি বছর প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইপিএস হয়েছিল ৪০ পয়সা। কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল তিন কোটি ৬৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

তাদের আট কোটি ৯৮ লাখ সাত হাজার ৮১২টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ৩৯ দশমিক ৬১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর কাছে ২০ দশমিক ৬৩ শতাংশ ও ৩৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে।