প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

বৃহৎ খাতগুলোয় ছিল মুনাফা তোলার প্রবণতা

রুবাইয়াত রিক্তা: পুঁজিবাজারে গতকাল ছিল মুনাফা তোলার প্রবণতা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ও ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক নেতিবাচক হলেও ডিএস৩০ সূচক ছিল ইতিবাচক। গতকাল ডিএসইতে ৬২ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হওয়ার কারণে প্রধান সূচক নেতিবাচক হয়। তবে বহুজাতিক অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর ঊর্ধ্বগতিতে থাকায় ডিএস৩০ সূচক নেতিবাচক হতে পারেনি। গতকাল বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর মধ্যে বিএটিবিসি, বার্জারপিবিএল, গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন, ম্যারিকো, লিন্ডে বিডি, বাটা শু ও রেনাটার দর ইতিবাচক ছিল। তবে বৃহৎ সব খাতে মুনাফা তোলার প্রবণতা ছিল। ছোট খাতগুলোর মধ্যে ইতিবাচক ছিল তথ্য ও প্রযুক্তি, ভ্রমণ ও অবকাশ, চামড়াশিল্প এবং সিরামিক খাত।
গতকাল জ্বালানি খাতে লেনদেন হয় মোট লেনদেনের ১৯ শতাংশ বা ১৩০ কোটি টাকা। লেনদেনের শীর্ষে থাকলেও এ খাতে মুনাফা তোলার কারণে ৬৩ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। লেনদেনের শীর্ষে থাকা ইউনাইটেড পাওয়ারের ৫৫ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে ৮০ পয়সা। তবে পাওয়ার গ্রিডের প্রায় ১৪ কোটি টাকা লেনদেন হলেও দর কমেছে এক টাকা। বারাকা পাওয়ারের প্রায় ১৩ কোটি টাকা লেনদেন হলেও দর কমে ৩০ পয়সা। বিমা খাতে ১৪ শতাংশ লেনদেন হলেও মাত্র ১৯ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। সাত শতাংশ বেড়ে দরবৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স। বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের দর সাড়ে পাঁচ শতাংশ ও সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্সের চার শতাংশ বেড়েছে। প্রকৌশল ও বস্ত্র খাতে লেনদেন হয় ১১ শতাংশ করে। বস্ত্র খাতে ৪২ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের প্রায় ১৯ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে এক টাকা। প্রকৌশল খাতে ৪০ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। সিঙ্গার বিডির প্রায় ১৫ কোটি টাকা লেনদেন হলেও এক টাকা ৭০ পয়সা দরপতন হয়। ওষুধ ও রসায়ন খাতে মাত্র আট শতাংশ লেনদেন হলেও এ খাতের জেএমআই সিরিঞ্জ, ম্যারিকো ও গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন দরবৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে। ব্যাংক খাতে ৭০ শতাংশ ও আর্থিক খাতে ৮৩ শতাংশ কোম্পানি দরপতনে ছিল। বিবিধ খাতে ৩৩ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের প্রায় ১৫ কোটি টাকা লেনদেন হলেও দর অপরিবর্তিত ছিল। বার্জারপিবিএলের সোয়া ১২ কোটি টাকা লেনদেন হয়। ৯৬ টাকা ২০ পয়সা বেড়ে কোম্পানিটি দরবৃদ্ধিতে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে আসে। সিমেন্ট খাতের একমাত্র প্রিমিয়ার সিমেন্টের দর চার টাকা ৪০ পয়সা বেড়েছে। কোম্পানিটির বার্ষিক প্রতিবেদনে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার ভিত্তিতে দক্ষিণ এশীয় ফেডারেশন অব অ্যাকাউনটেন্টস (এসএএফএ) কোম্পানিটিকে ‘সাফা শ্রেষ্ঠ উপস্থাপিত বার্ষিক প্রতিবেদন পুরস্কার ২০১৭’ দিয়েছে। সেবা ও আবাসন খাত শতভাগ নেতিবাচক ছিল। সিরামিক খাতে ৬০ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..