প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

বেঙ্গল উইন্ডসরের সঙ্গে একীভূতকরণের অনুমতি দুই সহযোগীর

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতের বেঙ্গল উইন্ডসর থার্মোপ্লাস্টিকসের সঙ্গে দুই সহযোগী প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল পেট্রোকেম ও সিনথেটিক টেক্সটাইলস লিমিটেডের একীভূতকরণের অনুমতি দিয়েছেন উচ্চ আদালত। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, হস্তান্তরকারী ও হস্তান্তরিত কোম্পানিকে রায়ের সত্যায়িত কপি ছয় সপ্তাহের মধ্যে জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে জমা দিতে হবে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

উল্লেখ্য, গত ৩০ অক্টোবর বেঙ্গল উইন্ডসর থার্মোপ্লাস্টিকস বিশেষ সাধারণ সভার (ইজিএম) মাধ্যমে একীভূতকরণের বিষয়ে শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি নেওয়া হয়। এর আগে বেঙ্গল উইন্ডসরের পরিচালনা পর্ষদের সভায় সহযোগী প্রতিষ্ঠান দুটির একীভূতকরণের খসড়া অনুমোদন করা হয়। বেঙ্গল উইন্ডসর বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি সাপেক্ষেই কোম্পানি দুটির একীভূতকরণের খসড়া অনুমোদন করে।

এদিকে গত ২৯ আগস্ট উচ্চ আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে কোম্পানি দুটির একীভূতকরণের জন্য ইজিএম অনুষ্ঠানের অনুমতি দিলে বেঙ্গল উইন্ডসরের পরিচালনা পর্ষদ ইজিএমের সিদ্ধান্ত নেয়।

কোম্পানি দুটি একীভূতকরণ করা প্রসঙ্গে গতকাল বেঙ্গল উইন্ডসর থার্মোপ্লাস্টিকসের কোম্পানি সচিব দারুল আওয়াম তুহিন, এসিএস শেয়ার বিজকে বলেন, ‘প্রশাসনিক ও ট্যাক্স বাবদ খরচ কমানোর জন্য একই ক্যাটাগরির কোম্পানি দুটিকে একীভূত করার উদ্যোগ নেয় পরিচালনা পর্ষদ। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা মেনে বাকি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। হ্যাঙ্গার উৎপাদনকারী এ কোম্পানি দুটি একীভূত করা হলেও মূল কোম্পানির (বেঙ্গল উইন্ডসর থার্মোপ্লাস্টিকস) মূলধন বৃদ্ধি করা হবে না। এর মাধ্যমে সহযোগী দুটি কোম্পানি এক কোম্পানিতে পরিণত হবে।’

২০১৩ সালে তালিকাভুক্ত বেঙ্গল উইন্ডসর থার্মোপ্লাস্টিকসের চলতি বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৬ পয়সা। এর আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৬২ পয়সা। দেখা যাচ্ছে, এক বছরের ব্যবধানে ইপিএস ৬ পয়সা অর্থাৎ ১০ শতাংশ কমেছে। এদিকে আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ২৯ টাকা ১৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৬ পয়সা।

‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা। আর পরিশোধিত মূলধন ৮৩ কোটি টাকা। বেঙ্গল গ্রুপের এ কোম্পানির মোট শেয়ারের ৩২ দশমিক ২০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ। আর বাকি ৪৮ দশমিক ৯১ শতাংশ রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।