প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

বেড়েছে টমোটো ও গুঁড়ো দুধের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: গত সপ্তাহের তুলনায় দাম বেড়েছে টমোটো ও গুঁড়ো দুধের। গত সপ্তাহের প্রতি কেজি টমেটোর দাম ১২০ টাকা থেকে বেড়ে ২২০ টাকা হয়েছে। আর এক কেজি ফ্রেশ ব্র্যান্ডের গুঁড়ো দুধের দাম ৯০ টাকা বেড়ে হয়েছে ৬৯০ টাকা। মার্কস ব্র্যান্ডের দুধের কেজিতে বেড়েছে ৪০ টাকা। গত সপ্তাহে ৬৪০ টাকার মার্কস গুঁড়ো দুধ এখন বিক্রি হচ্ছে ৬৮০ টাকায়।

সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবির তথ্যানুযায়ী, গত এক সপ্তাহে গুঁড়ো দুধের দাম বেড়েছে ৭ শতাংশের কাছাকাছি।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, একদিকে করোনা সংক্রমণ, অন্যদিকে আমদানি ব্যয়-দুটোই বেড়েছে। এ কারণে বাড়ছে গুঁড়ো দুধের দামও। রাজধানীর কারওয়ান বাজারের গুঁড়ো দুধ ব্যবসায়ী সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা আগের দামে গুঁড়ো দুধ পাচ্ছি না। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়েছে। আমদানিতে খরচ বেড়েছে।

রাজধানীর বাজারগুলোতে ৩৮০ টাকার আমদানি করা শুকনো মরিচের দাম বেড়ে হয়েছে ৪০০ টাকা। এছাড়া, গত সপ্তাহের তুলনায় রাজধানীর বাজারগুলোতে দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ৫ টাকা। গত সপ্তাহে যে পেঁয়াজ ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, তা বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়। দুই সপ্তাহ আগেই পেঁয়াজের কেজি ছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা।

একইভাবে আলুর দাম কেজিতে বেড়েছে ৫ টাকা। গত সপ্তাহের ২৫-২৮ টাকা কেজির আলু এখন ৩০-৩৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। টিসিবির তথ্য অনুযায়ী আলুর দাম বেড়েছে কেজিতে ৫ শতাংশ।

দাম বাড়ার তালিকায় রয়েছেÑমসুর ডাল ও অ্যাংকর ডাল। গত সপ্তাহে ১২৫ টাকা কেজির মসুর ডাল এখন ১৩০ টাকায়। ১১৫ টাকার ডাল হয়েছে ১২০ টাকা। ৫৫ টাকা কেজির অ্যাংকর বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। তবে বেশিরভাগ সবজি, মুরগি ও গরুর মাংস আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে।

মুরগির বাজারে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৪৫-১৫০ টাকা। কক বা সোনালি মুরগির কেজি আকারভেদে ২৫০-২৮০ টাকা। গরুর মাংস ৬৮০ ও খাসির মাংস ৮৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

মুরগির ডিম (লাল) প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। কোথাও আবার তার ১২৫ টাকাও নেয়া হচ্ছে। দেশি মুরগির ডিম ১৯০ থেকে ২০০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে ব্যবসায়ীরা গত সপ্তাহের মতো সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি করছেন গাজর। এক কেজি গাজর এখন ১২০-১৫০ টাকা। গত সপ্তাহে ছিল ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা। বাজারে নতুন আসা কাঁকরোলের কেজি ৬০-৮০ টাকা। কাঁচা পেঁপে ২৫-৩০ টাকা, পটোল, ঢ্যাঁড়স, ঝিঙে, চিচিঙ্গা ৪০-৫০ টাকা, কাঁচা কলার হালি ৩০-৪০ টাকা এবং কচুর লতি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়।

এদিকে পাকা টমেটোর কেজিপ্রতি গত সপ্তাহের ১০০ থেকে ১১০ টাকা থেকে বেড়ে গতকাল বিক্রি হয়েছে ২০০ থেকে ২২০ টানকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে টমেটোর আমদানি কম থাকায় এ পণ্যের দাম বেড়েছে। এদিকে অপরিবর্তিত ছিল বরবটি ও বেগুনের দাম। বরবটি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বেগুন ৪০-৫০ টাকা। করলাও গত সপ্তাহের মতো ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়।

এদিকে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ মাছের দাম অপরিবর্তিত। বাজারে জোগানও আছে পর্যাপ্ত। শিং মাছ বিক্রি হয়েছে ৩০০-৪৬০ টাকা দরে। শোল মাছের কেজি ৪০০-৬০০ ও কৈ ২০০-২৩০ টাকা। রুই মাছের কেজি ৩০০-৪৫০ টাকা। এছাড়া, তেলাপিয়া ও পাঙাস ১৬০-১৮০ টাকা এবং পাবদার দাম ৩০০-৪৫০ টাকা।