বেতন পান না শিক্ষা বোর্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী

যশোর শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের একক সিদ্ধান্ত

প্রতিনিধি, যশোর: গত তিন মাস বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন যশোর শিক্ষা বোর্ড মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক কর্মচারীরা। প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পরিষদের সভাপতি যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের একক সিদ্ধান্তের কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের। শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেছেন, প্রতিষ্ঠানটি সরকারিকরণ হওয়ায় শিক্ষকদের পদবি ও স্কেল পরিবর্তন হওয়ায় আগের সিনিয়র স্কেলে বেতন দেয়ার ক্ষেত্রে আইনি জটিলতা দেখা দেয়ায় আপাতত বেতন বন্ধ রাখা হয়েছে।

জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর দেশের ১২টি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজকে সরকারিকরণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ওই প্রতিষ্ঠানগুলোরর মধ্যে যশোর শিক্ষা বোর্ড মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজও রয়েছে। বিদ্যালয়টি সরকারিকরণের তালিকাভুক্তির পর একই বছর ডিসেম্বরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ থেকে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য একটি নির্দেশনা দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়Ñ‘আত্মীয়করণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বর্তমানে কর্মরত অধ্যক্ষ-শিক্ষক, কর্মচারীরা স্ব-স্ব পদে কর্মরত থেকে বেতন ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন।’ তারপর থেকে শিক্ষক-কর্মচারীরা নিয়মিত বেতন-ভাতা উত্তোলন করে এলেও চলতি বছর জুলাই থেকে কোনো কারণ ছাড়াই বেতন ভাতা বন্ধ করে দেন যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান।

শিক্ষকরা জানান, তাদের বেতন-ভাতা বন্ধের ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোনো সিদ্ধান্ত না এলেও প্রতিষ্ঠানের সভাপতি যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোল্লা মো. আমীর হোসেন একক সিদ্ধান্ত নিয়ে বেতন বন্ধ রেখেছেন। বরং এ বিষয়ে গত ৮ মার্চ ২০২০ শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব আনোয়ারুল হক স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষসহ শিক্ষক কর্মচারীদের আত্মীয়করণ না হওয়া পর্যন্ত বেতন-ভাতার শুধু ঘাটতি ব্যয় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড যশোর কর্তৃক পরিশোধের নির্দেশনা দেয়া হয়। এ নির্দেশনা অনুযায়ী চলতি বছর জুন পর্যন্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন-ভাতা পেলেও জুলাই থেকে তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক মো. মতিয়ার রহমান বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে স্পষ্টভাবে যেখানে জানিয়ে দেয়া হয়েছে যে শিক্ষক-কর্মচারীদের আত্মীয়করণ না হওয়া পর্যন্ত তারা আগের স্কেল অনুযায়ী বেতন ভাতা উত্তোলন করতে পারবেন। অথচ এখন হঠাৎ কোনো ঘোষণা ছাড়াই জুলাই থেকে বেতন বন্ধ করে দেয়া হলো।

তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের একই আদেশে দেশের ১২টি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ সরকারিকরণ হয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহী ও কুমিল্লা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বেতন-ভাতা চলমান। আমাদের কাছে ডকুমেন্ট আছে সেখানকার শিক্ষক-কর্মচারীরা এখনও নিয়মিত বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। অথচ আমাদের এখানে বন্ধ রয়েছে। ফলে প্রতিষ্ঠানটির সব শিক্ষক-কর্মচারী বিপাকে পড়েছেন।

তিনি বৈশ্বিক কভিড পরিস্থিতিতে শিক্ষক-কর্মচারীদের মানবেতর জীবনযাপনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বেতন-ভাতা পরিশোধের আহ্বান জানান।

বিষয়টি সম্পর্কে প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কল্যাণ সরকারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গত জুলাইয়ে আমি শিক্ষকদের বেতন-ভাতার বকেয়া পাওনা বাবদ মোট ৬৫ লাখ ৭৪ হাজার টাকা চেয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড যশোরের চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত আবেদন করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।

তিনি বলেন, কভিড পরিস্থিতির কারণে এমনিতে শিক্ষক-কর্মচারীরা সংকটে রয়েছেন। তারপর আবার বেতন বন্ধ। এ কারণে আমার কাছে শিক্ষকরা বেতনের জন্য প্রতিনিয়ত আবেদন করছেন। তিনি বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড যশোরের চেয়ারম্যান ও যশোর শিক্ষা বোর্ড মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি প্রফেসর মোল্লা আমীর হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষকদের পদ পদবি পরিবর্তনের সঙ্গে স্কেলও পরিবর্তন হয়ে গেছে। এখন তারা সহকারী শিক্ষক ও লেকচারার। এ বিষয়ে আমার কাছে মন্ত্রণালয় থেকে চিঠিও এসেছে। ফলে শিক্ষকরা আগের সিনিয়র স্কেলে বেতন চাইলে তো আর আমি দিতে পারি না।

তিনি বলেন, সরকারিকরণ তালিকাভুক্ত দেশের বেশ কয়েকটি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষকদের পদ পদবি ও স্কেল পরিবর্তনের পর সিনিয়র স্কেলে বেতন নেয়ায় তা আবার ফেরত দিতে হয়েছে সংশ্লিষ্টদের। যশোর শিক্ষা বোর্ড মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে এ অবস্থার সৃষ্টি যাতে না হয় সেজন্য আমি আপাতত বেতন-ভাতা বন্ধ রেখেছি। আইন অনুযায়ী শিগগির এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়া হবে বলে তিনি জানান।

জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর দেশের ১২টি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজকে সরকারিকরণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ওই প্রতিষ্ঠানগুলোরর মধ্যে যশোর শিক্ষা বোর্ড মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজও রয়েছে। বিদ্যালয়টি সরকারিকরণের তালিকাভুক্তির পর একই বছর ডিসেম্বরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ থেকে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য একটি নির্দেশনা দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়Ñ‘আত্মীয়করণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বর্তমানে কর্মরত অধ্যক্ষ-শিক্ষক, কর্মচারীরা স্ব-স্ব পদে কর্মরত থেকে বেতন ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন।’ তারপর থেকে শিক্ষক-কর্মচারীরা নিয়মিত বেতন-ভাতা উত্তোলন করে এলেও চলতি বছর জুলাই থেকে কোনো কারণ ছাড়াই বেতন ভাতা বন্ধ করে দেন যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান।

শিক্ষকরা জানান, তাদের বেতন-ভাতা বন্ধের ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোনো সিদ্ধান্ত না এলেও প্রতিষ্ঠানের সভাপতি যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোল্লা মো. আমীর হোসেন একক সিদ্ধান্ত নিয়ে বেতন বন্ধ রেখেছেন। বরং এ বিষয়ে গত ৮ মার্চ ২০২০ শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব আনোয়ারুল হক স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষসহ শিক্ষক কর্মচারীদের আত্মীয়করণ না হওয়া পর্যন্ত বেতন-ভাতার শুধু ঘাটতি ব্যয় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড যশোর কর্তৃক পরিশোধের নির্দেশনা দেয়া হয়। এ নির্দেশনা অনুযায়ী চলতি বছর জুন পর্যন্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন-ভাতা পেলেও জুলাই থেকে তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক মো. মতিয়ার রহমান বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে স্পষ্টভাবে যেখানে জানিয়ে দেয়া হয়েছে যে শিক্ষক-কর্মচারীদের আত্মীয়করণ না হওয়া পর্যন্ত তারা আগের স্কেল অনুযায়ী বেতন ভাতা উত্তোলন করতে পারবেন। অথচ এখন হঠাৎ কোনো ঘোষণা ছাড়াই জুলাই থেকে বেতন বন্ধ করে দেয়া হলো।

তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের একই আদেশে দেশের ১২টি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ সরকারিকরণ হয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহী ও কুমিল্লা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বেতন-ভাতা চলমান। আমাদের কাছে ডকুমেন্ট আছে সেখানকার শিক্ষক-কর্মচারীরা এখনও নিয়মিত বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। অথচ আমাদের এখানে বন্ধ রয়েছে। ফলে প্রতিষ্ঠানটির সব শিক্ষক-কর্মচারী বিপাকে পড়েছেন।

তিনি বৈশ্বিক কভিড পরিস্থিতিতে শিক্ষক-কর্মচারীদের মানবেতর জীবনযাপনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বেতন-ভাতা পরিশোধের আহ্বান জানান।

বিষয়টি সম্পর্কে প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কল্যাণ সরকারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গত জুলাইয়ে আমি শিক্ষকদের বেতন-ভাতার বকেয়া পাওনা বাবদ মোট ৬৫ লাখ ৭৪ হাজার টাকা চেয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড যশোরের চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত আবেদন করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।

তিনি বলেন, কভিড পরিস্থিতির কারণে এমনিতে শিক্ষক-কর্মচারীরা সংকটে রয়েছেন। তারপর আবার বেতন বন্ধ। এ কারণে আমার কাছে শিক্ষকরা বেতনের জন্য প্রতিনিয়ত আবেদন করছেন। তিনি বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড যশোরের চেয়ারম্যান ও যশোর শিক্ষা বোর্ড মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি প্রফেসর মোল্লা আমীর হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষকদের পদ পদবি পরিবর্তনের সঙ্গে স্কেলও পরিবর্তন হয়ে গেছে। এখন তারা সহকারী শিক্ষক ও লেকচারার। এ বিষয়ে আমার কাছে মন্ত্রণালয় থেকে চিঠিও এসেছে। ফলে শিক্ষকরা আগের সিনিয়র স্কেলে বেতন চাইলে তো আর আমি দিতে পারি না।

তিনি বলেন, সরকারিকরণ তালিকাভুক্ত দেশের বেশ কয়েকটি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষকদের পদ পদবি ও স্কেল পরিবর্তনের পর সিনিয়র স্কেলে বেতন নেয়ায় তা আবার ফেরত দিতে হয়েছে সংশ্লিষ্টদের। যশোর শিক্ষা বোর্ড মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে এ অবস্থার সৃষ্টি যাতে না হয় সেজন্য আমি আপাতত বেতন-ভাতা বন্ধ রেখেছি। আইন অনুযায়ী শিগগির এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়া হবে বলে তিনি জানান।

সর্বশেষ..