কোম্পানি সংবাদ

ব্যবসায় বৈচিত্র্য আনবে ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টস

র‌্যাংকস পেট্রোলিয়ামের সঙ্গে খসড়া চুক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক

ব্যবসায় বৈচিত্র্য আনার জন্য র‌্যাংকস পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি করছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কোম্পানি ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টস লিমিটেড। আর এ দুই কোম্পানির মধ্যে চুক্তির খসড়া অনুমোদন দিয়েছে ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টসের পরিচালনা পর্ষদ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, বাংলাদেশ শেল ব্র্যান্ডের লুব্রিক্যান্টস বাজারজাতকরণের অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান র‌্যাংকস পেট্রোলিয়ামের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে ব্যবসায় বৈচিত্র্য আনতে চায় ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টস লিমিটেড। এ চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশে উভয় প্রতিষ্ঠান একত্রে শেল ব্র্যান্ডের লুব্রিক্যান্টস বিক্রি করবে। আর এ চুক্তির উদ্দেশ্যে তৈরি খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টসের পরিচালনা পর্ষদ।

এদিকে, কোম্পানিটি ২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত সময়ে ইপিএস হয়েছে ২৩ টাকা ৪৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি এনএভি দাঁড়িয়েছে ১৮২ টাকা ৭৬ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ১৩৭ টাকা ৪৭ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের

সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় মোটেল সৈকত, বংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, স্টেশন রোড, চট্টগ্রামে এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭ ডিসেম্বর।

এছাড়া চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কোম্পানিটি। আর গত বছরের তুলনায় এ বছরে কোম্পানিটির ইপিএস ৫১ পয়সা কমেছে।

তথ্যমতে, প্রথম প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে এক টাকা ১৪ পয়সা, আগের বছর একই সময় ছিল এক টাকা ৬৫ পয়সা। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির ইপিএস ৫১ পয়সা কমেছে। এছাড়া ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য হয়েছে ১৮৩ টাকা ৯০ পয়সা, যা ২০১৯ সালের ৩০ জুন ছিল ১৮২ টাকা ৭৬ পয়সা। আর এ প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ১৯ টাকা ৪০ পয়সা। আগের বছর একই সময় ছিল ১৬ টাকা ৯১ পয়সা।

এদিকে গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর ডিএসইতে এক দশমিক ৯৬ শতাংশ বা ২১ টাকা ৯০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ এক হাজার ১৪২ টাকায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল এক হাজার ১৫৬ টাকা ৭০ পয়সা। দিনজুড়ে ২১ হাজার ৫৩৪ শেয়ার মোট এক হাজার ৩৬০ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর দুই কোটি ৫৬ লাখ ১৯ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ এক হাজার ১৪২ টাকা থেকে সর্বোচ্চ এক হাজার ২৫০ টাকায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ৯৫১ টাকা ২০ পয়সা থেকে এক হাজার ৭৭০ টাকায় হাতবদল হয়।

কোম্পানিটি ১৯৭৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। পাঁচ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৯৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ১৫ কোটি ৮৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। কোম্পানির ৯ লাখ ৯৪ হাজার শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে সরকারি ৫১ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ২২ দশমিক ৮৮ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে ২৬ দশমিক ১২ শতাংশ শেয়ার।

এর আগে ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। যা তার আগের বছরের সমান। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ৩৬ টাকা ২৩ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১৬৯ টাকা ৩১ পয়সা। যা তার আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে ৪০ টাকা ৬৩ পয়সা এবং এনএভি ১৪৩ টাকা সাত পয়সা।

সর্বশেষ..