প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

ব্যবসা সম্প্রসারণে জমি কিনবে আমান ফিড

নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্যবসা সম্প্রসারণে জমি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তালিকাভুক্ত কোম্পানি আমান ফিড লিমিটেড। গত বুধবার কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানিটি সিনোগতি, উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জে কারখানা সংলগ্ন এলাকায় ৯৬ দশমিক ২৫ ডেসিমল জমি কিনবে। এ বাবদ রেজিস্ট্রেশন খরচসহ চার কোটি ৩৩ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা খরচ হবে।

উল্লেখ্য, ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটি ২০১৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে চার টাকা ৪৮ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ১৮ পয়সা।

২০১৫ সালে কোম্পানিটি ১০ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। ওই সময় ইপিএস ছিল পাঁচ টাকা সাত পয়সা এবং এনএভি ছিল ৩৫ টাকা ৯০ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল যথাক্রমে চার টাকা ৯৭ পয়সা ও ৩০ টাকা ৭৭ পয়সা।

ওই সময় কোম্পানিটি কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল ৩০ কোটি ৫৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা, যা আগের বছর ছিল ২৯ কোটি ৮১ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

গতকাল কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ার এক দশমিক ৩২ শতাংশ বা ৯০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ৬৯ টাকা ২০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৬৮ টাকা ৮০ পয়সা।

দিনজুড়ে কোম্পানির তিন লাখ ১২ হাজার ৬৯১টি শেয়ার ৪৯১ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর দুই কোটি ১৫ লাখ পাঁচ হাজার টাকা। শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৬৮ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৬৯ টাকা ৫০ পয়সায় ওঠানামা করে। এক বছরের মধ্যে শেয়ারদর ৪১ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ৯১ টাকা ১০ পয়সায় ওঠানামা করে।

সবশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারমূল্য আয় (পিই) অনুপাতে ১৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ১২ দশমিক দুই শতাংশ।

১৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১০৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

রিজার্ভের পরিমাণ ১৭০ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইপিএস হয়েছে এক টাকা ৪১ পয়সা। এটি আগের বছরের একই সময় ছিল এক টাকা চার পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস বেড়েছে ৩৭ পয়সা। চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এনএভি দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৬০ পয়সা, যা একই বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সময় ছিল ৩৪ টাকা ১৮ পয়সা। অর্থাৎ এনএভি বেড়েছে এক টাকা ৪২ পয়সা। কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ১৩ কোটি ৫৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

কোম্পানির ১০ কোটি ৫৬ লাখ শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৭০ দশমিক ৬০ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর কাছে ১৪ দশমিক ৬২ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীর কাছে শূন্য দশমিক শূন্য সাত শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ১৪ দশমিক ৮১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।