প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

ব্যাংক ও আর্থিক খাতের দর বৃদ্ধিতে সূচক ইতিবাচক

রুবাইয়াত রিক্তা: বেশিরভাগ কোম্পানির দরপতন সত্ত্বেও গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক ইতিবাচক অবস্থানে ছিল। এদিন ডিএসইএক্স ও ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক ইতিবাচক ছিল। কমেছে ডিএস৩০ সূচক। অধিকাংশ খাতে দরপতনের আধিক্য থাকা সত্ত্বেও সূচক ইতিবাচক করতে ভূমিকা রেখেছে ব্যাংক ও আর্থিক খাতের দরবৃদ্ধি। বিমা ও প্রকৌশল খাত লেনদেনের শীর্ষে থাকলেও এ দুটি খাতে বিক্রির চাপ বেশি থাকায় বেশিরভাগ কোম্পানির দরপতন হয়। মিউচুয়াল ফান্ড খাতে বেশিরভাগ ইউনিটের দর বেড়েছে। এছাড়া ডিএস৩০ সূচকে অন্তর্ভুক্ত ৩০ কোম্পানির মধ্যে ৫৭ শতাংশ ১৭টি দরপতনে থাকায় সূচকটি নেতিবাচক অবস্থানে চলে যায়।
সাধারণ ও জীবন বীমা মিলে বিমা খাতে লেনদেন হয় মোট লেনদেনের ১৯ শতাংশ, বা ৬৮ কোটি টাকা। এ খাতে দর কমেছে ৮৫ শতাংশ কোম্পানির। তবে সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্সের সাড়ে আট কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে এক টাকা। এরপরে প্রকৌশল খাতে লেনদেন হয় মোট লেনদেনের ১৭ শতাংশ। এ খাতে ৬৪ শতাংশ কোম্পানি দরপতনে ছিল। তবে প্রায় ১৩ কোটি টাকা লেনদেন হয় মুন্নু জুট স্টাফলার্সের। এ কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে ৯৩ টাকা ১০ পয়সা। কোম্পানিটি দরবৃদ্ধিতে নবম অবস্থানে উঠে আসে। ন্যাশনাল টিউবসের সোয়া ১১ কোটি টাকা লেনদেন হলেও সাত টাকা দরপতন হয়। ন্যাশনাল পলিমারের সোয়া সাত কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে তিন টাকা ৭০ পয়সা। ১০ শতাংশ লেনদেন হয়ে তৃতীয় অবস্থানে উঠে আসে ব্যাংক খাত। এ খাতে ৭৭ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে। প্রিমিয়ার ব্যাংকের সোয়া আট কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৩০ পয়সা। ব্যাংক এশিয়ার সোয়া পাঁচ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ৬০ পয়সা। আর্থিক খাতে ৮২ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয় ৯ শতাংশ। এ খাতে ৪০ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ৫৭ শতাংশ ইউনিটের দর বেড়েছে। দরবৃদ্ধির র্শীষ দশের তালিকায় ৬০ শতাংশ ছিল মিউচুয়াল ফান্ড খাতের দখলে। এছাড়া খাদ্য খাতের গ্লোল্ডেন হার্ভেস্ট এগ্রো প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে দরবৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে। গ্লোল্ডেন হাভেস্ট এগ্রো ও এসইএমএল এফবিএলএসএল গ্রোথ ফান্ডের শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন গতকাল একপর্যায়ে বিক্রেতা সংকটে হল্টেড হয়। বস্ত্র খাতে ৭২ শতাংশ কোম্পানি দরপতনে ছিল। তবে স্টাইল ক্রাফটের সাড়ে সাত কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ২৫ টাকা ২০ পয়সা। টেলিযোগাযোগ খাতের বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্লসের প্রায় ১৪ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে সাড়ে চার টাকা। এ খাতের অপর কোম্পানি গ্রামীণফোনের দর দুই টাকা ৪০ পয়সা কমেছে। সিরামিক খাতের স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের দর ৩৮ টাকা ৮০ পয়সা বেড়ে কোম্পানিটি দরবৃদ্ধির র্শীষ দশের তালিকায় অবস্থান করে। পাট খাত, কাগজ ও মুদ্রণ এবং ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে কোনো কোম্পানির দর বাড়েনি।

সর্বশেষ..