সারা বাংলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও সাভারে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত ৩

শেয়ার বিজ ডেস্কঃব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর ও সাভারের আশুলিয়ায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চাচা-ভাতিজাসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় গভীর রাতে চায়ের দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন দুজন। পুলিশ নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। গত মঙ্গলবার গভীররাতে উপজলার শ্রীরামপুর গ্রামের পূর্বপাড়া কাচারীমোড়ের শাহ আলমের চায়ের দোকানে বিস্ফোরণের এ ঘটনা ঘটে। নিহতেরা হলেন শ্রীরামপুর পূর্বপাড়ার শাহ আলম মিয়ার ছেলে বায়েজীদ মিয়া ও খলিল মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেন। তারা দুজনই ওই দোকানের কর্মচারী এবং সম্পর্কে চাচা-ভাতিজ।
জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন দেখে এসে দোকানেই ঘুমিয়ে পড়েন তারা। রাত ৩টার দিকে আচমকট দোকানে থাকা গ্যাসের সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই বায়জীদ ও আলমগীর নিহত হন। জড়ো হওয়া লোকজন বিস্ফোরণ থেকে সৃষ্ট আগুন নেভায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নবীনগর থানার পরিদর্শক রনোজিত রায় জানান, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয়েছে মর্গে। গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সাভার: সাভারের আশুলিয়ার বগাবাড়ী এলাকায় একটি সিলিন্ডারের দোকানে অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে দোকানটির এক কর্মচারী নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার বেলা ১১টার দিকে বগাবাড়ী এলাকার এইচআর ফায়ার ফাইটিং নামের অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডারের দোকানে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। নিহত আনিস হোসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার কৈতলা গ্রামের ফিরোজ হোসেনের ছেলে। আনিস হোসেন আশুলিয়ার বগাবাড়ি এলাকার এইচআর ফায়ার ফাইটিং নামে দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দোকানটি থেকে বিভিন্ন শিল্প-কারখানায় অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডার সরবরাহ করে থাকে। সকালে দোকান খোলার কিছুক্ষণ পরেই হঠাৎ করেই সেখানে মজুত রাখা সিলিন্ডারের মধ্যে একটি সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। এ সময় দোকানে থাকা কর্মচারী আনিস গুরুতর আহত হন। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে আশুলিয়ার গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক আবু সাঈদ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন কছেন। নিহতের পরিবারের দিক থেকে কোনোরকম অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ..