প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

বড় মূলধনি কোম্পানিগুলোর দরপতনে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব

রুবাইয়াত রিক্তা: পুঁজিবাজারে প্রতিদিনই সূচক নামছে। সর্বশেষ আট কার্যদিবসের মধ্যে সাত দিনই সূচকের পতন হয়। এর মধ্যে টানা পাঁচ কার্যদিবস ধরে সূচকে নেমে যাচ্ছে। সূচকের টানা পতনে ফের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে বাজারে। বড় মূলধনি কোম্পানিগুলোর দরপতন বাজারে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। গ্রামীণফোনের বড় দরপতন ছাড়াও ইউনাইটেড পাওয়ার, বিএটিবিসি, ব্র্যাক ব্যাংক, স্কয়ার ফার্মার মতো কোম্পানিগুলোর দরপতন বাজারে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। কোনো খাতই ভালো অবস্থানে ছিল না।
১৯ শতাংশ লেনদেন হয়ে শীর্ষে উঠে আসে ওষুধ ও রসায়ন খাত। এ খাতে লেনদেন হয় প্রায় ৭০ কোটি টাকা। এ খাতে ৪৭ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। সিলকো ফার্মার সোয়া ৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে এক টাকা ৬০ পয়সা। কোম্পানিটি দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে অবস্থান করে। বীকন ফার্মার সাড়ে সাত কোটি টাকা ও জেএমআই সিরিঞ্জের সোয়া সাত কোটি টাকা লেনদেন হয়। জেএমআই সিরিঞ্জের দর কমেছে এক টাকা ৭০ পয়সা। সাড়ে চার শতাংশ বেড়ে গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে উঠে আসে। প্রকৌশল খাতে লেনদেন হয় ১৮ শতাংশ। এ খাতে ৪৩ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। মুন্ন– জুট স্টাফলার্সের সাড়ে ১৮ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে ১৩ টাকা। কোম্পানিটি লেনদেনে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। সাড়ে সাত শতাংশ বেড়ে এসএস স্টিল দর বৃদ্ধিতে তৃতীয় অবস্থানে উঠে আসে। ১১ শতাংশ লেনদেন হয় বস্ত্র খাতে। এ খাতে ৩৪ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় অবস্থান করা দেশ গার্মেন্টের ৯ শতাংশ, স্টাইল ক্রাফটের পৌনে ৯ শতাংশ দর বেড়েছে। সাড়ে ১৪ কোটি টাকা লেনদেন হয়ে স্টাইল ক্রাফট লেনদেনে তৃতীয় অবস্থানে উঠে আসে। জ্বালানি খাতে লেনদেন হয় সাত শতাংশ। এ খাতের ইউনাইটেড পাওয়ারের সাড়ে ৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দরপতন হয় সাত টাকা ৭০ পয়সা। গ্রামীণফোনের ৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর পতন হয় ৯ টাকা ৩০ পয়সা। এ দুই কোম্পানি সূচকে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। লেনদেনের শীর্ষে উঠে আসা মুন্নু সিরামিকের প্রায় ২৮ কোটি টাকা লেনদেন হলেও দরপতন হয় ৯ টাকা ৬০ পয়সা। এ কোম্পানির কারণে সিরামিক খাতের লেনদেন বেড়ে ৯ শতাংশ হয়। তবে এ খাতে কোনো কোম্পানির দর বাড়েনি। খাদ্য খাতে ৫৯ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। প্রায় ৯ শতাংশ বেড়ে জেমিনি সী ফুড দর বৃদ্ধিতে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে আসে। বিবিধ খাতের মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ ও বিএসসি দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় অবস্থান করে। চামড়া শিল্প খাতের লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের সোয়া ৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে চার টাকা ৩০ পয়সা। ভ্রমণ ও অবকাশ, সেবা ও আবাসন, কাগজ ও মুদ্রণ খাতে কোনো কোম্পানির দর বাড়েনি। পাট খাতে শতভাগ কোম্পানির দর বেড়েছে। সোনালী আঁশ দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে উঠে আসে।

সর্বশেষ..