বিশ্ব প্রযুক্তি

ভাইরাসে বিঘ্নিত হতে পারে আইফোন উৎপাদন

শেয়ার বিজ ডেস্ক: চলতি বছর আইফোনের উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে মার্কিন প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। প্রতিষ্ঠানটির বেশিরভাগ কারখানা চীনে। কিন্তু প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় বাধার মুখে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি। কাক্সিক্ষত উৎপাদনে বিঘœ ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করেছে তারা। খবর: রয়টার্স।

বছরের প্রথমার্থে ১০ শতাংশ উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছিল মার্কিন প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। এ লক্ষ্যে ২০২০ সালের প্রথমার্ধে আট কোটি আইফোন বানাতে সরবরাহকারীদের নির্দেশ দিয়েছে অ্যাপল। এর মধ্যে সাড়ে ছয় কোটি পুরোনো এবং দেড় কোটি নতুন আইফোন উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।

এর মধ্যে অনেকেরই উৎপাদন কারখানা চীনে। আগামী ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে বড় পরিসরে এ উৎপাদন শুরুর পরিকল্পনা ছিল। এবার তা করোনা ভাইরাসের কারণে পেছানো হতে পারে বলে প্রতিবেদনে জানিয়েছে নিক্কেই। এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এরই মধ্যে ১০০ জনের বেশি মারা গেছে এবং সাড়ে চার হাজারের বেশি আক্রান্ত হয়েছে।

২০১৯ সালে অ্যাপলের শেয়ার মূল্য বেড়েছে প্রায় ৮৬ শতাংশ। মার্কিন চিপ ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে করোনা ভাইরাস-আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় গত সোমবার অ্যাপলের শেয়ার মূল্য তিন শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩০৮ ডলার ৯৫ সেন্টে। গত বছর অক্টোবরে নিক্কেই’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আইফোন ১১ মডেলের উৎপাদন ৮০ লাখ ইউনিট বা ১০ শতাংশ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে অ্যাপল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল,  উৎপাদন আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে শুরুর দিকে অ্যাপল বেশ রক্ষণশীল ছিল। ফলে গত বছর কমসংখ্যক আইফোন উৎপাদন করেছিল। এখন উৎপাদন বাড়িয়ে দেওয়ার ফলে আইফোন ১১’র মোট উৎপাদন গত বছরের তুলনায় অনেক বাড়বে।

এদিকে ক্রয়াদেশ প্রবণতার ওপর ভিত্তি করে অ্যাপলের পক্ষ থেকে উৎপাদন আদেশ বাড়ানো হলেও এ নিয়ে এখনও সংশয়মুক্ত নন সরবরাহকারীরা। তাদের আশঙ্কা, এ চাহিদা বেশি দিন স্থায়ী হবে না। সরবরাহকারী একটি কোম্পানির নির্বাহী পর্যায়ের এক কর্মকর্তা নিক্কেইকে বলেন, এখন চাহিদা ভালো। তবে খুব আশাবাদী হওয়ার আগে আমাদের সতর্ক হতে হবে। তারপরও আমি আশা করব, এবারের বিক্রি মৌসুম গত বছরের চেয়ে দীর্ঘ হবে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..