প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

ভারত জানালেই পি কে হালদারকে আনার বিষয়ে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিপুল অর্থ আত্মসাতের পর পশ্চিমবঙ্গে পালিয়ে থাকা পি কে হালদারকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে ভারত এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ সরকারকে কিছু জানায়নি। ভারত এ ব্যাপারে জানালেই তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, পি কে হালদার ওয়ান্টেড ব্যক্তি, ইন্টারপোলের মাধ্যমে অনেক দিন ধরে তাকে চাচ্ছি। সে গ্রেপ্তার হয়েছে, তবে আমাদের কাছে এখনও (ভারত থেকে) অফিশিয়ালি কিছু আসেনি। আমাদের যা কাজ থাকে, তা হলো আইনগতভাবে তাকে…। ‘শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: ইতিহাসের পুনঃনির্মাণ’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে পি কে হালদারের বিষয়ে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

অনিয়মের মাধ্যমে বাংলাদেশের আর্থিক খাত থেকে বিপুল অর্থ আত্মসাতের পর পালিয়ে থাকা এনআরবি গেøাবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পি কে হালদার নামে পরিচিত। হাজার কোটি টাকা আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ নিয়ে বছর কয়েক ধরে ফেরারি জীবনযাপন করা পি কে হালদার কানাডায় পালিয়েছিলেন বলে গুঞ্জন ছড়ালেও গ্রেপ্তার হয়েছেন ভারতে; যেখানে তার ও সহযোগীদের বিপুল সম্পদ রয়েছে বলে অভিযোগ আসছে।

ভারতের ব্যাঙ্কশাল স্পেশাল সিবিআই আদালত পি কে হালদার ও তার চার সহযোগীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে বলে খবর এসেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে।

পি কে হালদার গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাকে কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, সে বিষয়টিই সামনে আসছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে জানালে যত দ্রæত সম্ভব বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। তবে কবে নাগাদ তাকে আনা সম্ভব, সে বিষয়ে কোনো ধারণা তিনি দিতে পারননি।

বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে পি কে হালদারের বিপুল অর্থ আত্মসাতের ঘটনা সামনে আসার পর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত নামলে গা ঢাকা দেন তিনি।

দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকার পর ভারতে গ্রেপ্তারের খবরের সঙ্গে সঙ্গে তার স্ত্রী সুস্মিতা সাহা এবং তার ভাইকেও পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়।