সম্পাদকীয়

ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়নই নারায়ণগঞ্জের চ্যালেঞ্জ

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভীর বিপুল বিজয় এরই মধ্যে শেয়ার বিজসহ দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে প্রকাশিত। লক্ষণীয়, আলোচিত এ নির্বাচনে কাউন্সিলর পদেও জয়ীদের বেশিরভাগ ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়নই নারায়ণগঞ্জের চ্যালেঞ্জ
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভীর বিপুল বিজয় এরই মধ্যে শেয়ার বিজসহ দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে প্রকাশিত। লক্ষণীয়, আলোচিত এ নির্বাচনে কাউন্সিলর পদেও জয়ীদের বেশিরভাগ ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ মনোনীত। এ কারণেই কি না জানা নেই, নিজেদের মনোনীত মেয়র প্রার্থীর পরাজয়ের পর নাসিক নির্বাচনের বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। কথা হলো, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা পর্যবেক্ষণ করেছেন। গণমাধ্যমের কাভারেজও কম ছিল না। তাতে এ নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য অনিয়ম বা কারচুপি পরিলক্ষিত হয়নি। স্থানীয় নেতা শামীম ওসমানের ব্যালট পেপার প্রদর্শনের বিতর্কিত ছবি সামাজিক মাধ্যমগুলোয় ঝড় তুলেছে বটে। এর নিন্দা বা এর বিরুদ্ধে বিধিসম্মত ব্যবস্থাও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর পরাজয় ঠেকাতে পারতো বলে মনে হয় না। অনেকেই মনে করেন, বিএনপির এখন উচিত হবে শুধু রাজনীতির স্বার্থে রাজনীতি না করে দলীয় রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনার চেষ্টা করা। যেভাবেই হোক আর যেদিকেই হোক, ক্ষমতাসীনরা কাজটি করতে পেরেছেন বলে মনে হয়। যা হোক, সুস্পষ্ট ব্যবধানে নাসিকে জয়ী হয়েছেন আইভী। বাহ্যত তিনি যে দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে আগ্রহী, সে বার্তাও দিয়েছেন পরাজিত প্রার্থীর বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করে। এজন্য তিনি অভিনন্দন পাওয়ার যোগ্য। একই সঙ্গে যারা পরাজিত হয়েছেন তাদের প্রতি আহ্বান থাকবে, কেবল রাজনীতির খাতিরে বিরোধিতা না করে জনস্বার্থে নিয়োজিত থাকুন। নিঃসন্দেহে জনকল্যাণে অবদানের প্রতিদান দেবে জনগণ।
খেয়াল করার মতো বিষয়, সেলিনা হায়াৎ আইভী এ নিয়ে টানা দুবার নাসিকের মেয়র নির্বাচিত হলেন। নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে এটা ইতিবাচক নিঃসন্দেহে। জনপ্রতিনিধিরা প্রায়ই অভিযোগ তোলেন, বড় বড় উন্নয়নকাজ তারা শুরু করলেও শেষ করে যেতে পারেন না। পরিণামে হয় তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা এর কৃতিত্ব নিজের বলে দাবি করে বসেন কিংবা জনবিরোধী বলে অভিযোগ তুলে সেটি বাতিল করে দেন। আইভীর সুবিধা হলো, নারায়ণগঞ্জবাসীর হাতে সারবত্তাসম্পন্ন উন্নয়ন তুলে দেওয়ার বাড়তি সময় পাচ্ছেন তিনি। জয়ের পরপরই সহযোগী এক দৈনিকে আইভী বলেছেন বন্দরের উন্নয়ন, ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণসহ নানা প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা। এও ঘোষণা দিয়েছেন, নারী উৎপাদকদের জন্য পৃথক মার্কেট করতে চান তিনি। সবাই চাইবেন, তার ঘোষিত ও প্রতিশ্রুত উন্নয়নকর্মগুলো ফলপ্রসূ হোক। লক্ষণীয়, শিল্প ও বন্দরনগরী নারায়ণগঞ্জের অনেক উন্নয়নকর্ম এখনও অসম্পন্ন। এদিকে ব্যাপক শিল্পায়নের ফলে নগরটির প্রাকৃতিক পরিবেশ মারাত্মক দূষিত। অথচ নারায়ণগঞ্জের শিল্প ব্যবস্থাপনার সুনাম ছিল ব্রিটিশ আমলেও। আমরা চাইবো, নিছক উন্নয়ন নয়Ñনাসিকের ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতি বেশি নজর দেবেন মেয়র আইভী। এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রারও (এসডিজি) অন্যতম উদ্দেশ্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও জোর দিচ্ছেন বাংলাদেশের দ্রুত, ভারসাম্যপূর্ণ ও টেকসই উন্নয়নের ওপর। মেয়র আইভীর জন্য সুবিধাজনক দিক হলো, তাকে একেবারে প্রথম থেকে শুরু করতে হবে না। চমক দেখানোর জন্য নতুন বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণেরও দরকার নেই তার। শুধু অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত অর্থনৈতিক কর্মসূচিগুলোও যদি তিনি ফলপ্রসূ করতে সক্ষম হন, তাতে নাসিকের দৃশ্যমান উন্নয়ন ঘটবে বলে আমাদের বিশ্বাস। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপে তার সাবেক বিরোধিতাকারীর প্রতিপত্তি খানিকটা হলেও খর্ব হয়ে থাকবে বলেই প্রতীয়মান। এ অবস্থায় বন্দর ও শিল্পনগরী নারায়ণগঞ্জের ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়নে তিনি অধিকতর যতœবান হবেন বলে আমাদের প্রত্যাশা। নিঃসন্দেহে অসম্ভব কোনো দাবি নয় এটা।
মনোনীত। এ কারণেই কি না জানা নেই, নিজেদের মনোনীত মেয়র প্রার্থীর পরাজয়ের পর নাসিক নির্বাচনের বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। কভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়নই নারায়ণগঞ্জের চ্যালেঞ্জ
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভীর বিপুল বিজয় এরই মধ্যে শেয়ার বিজসহ দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে প্রকাশিত। লক্ষণীয়, আলোচিত এ নির্বাচনে কাউন্সিলর পদেও জয়ীদের বেশিরভাগ ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ মনোনীত। এ কারণেই কি না জানা নেই, নিজেদের মনোনীত মেয়র প্রার্থীর পরাজয়ের পর নাসিক নির্বাচনের বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। কথা হলো, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা পর্যবেক্ষণ করেছেন। গণমাধ্যমের কাভারেজও কম ছিল না। তাতে এ নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য অনিয়ম বা কারচুপি পরিলক্ষিত হয়নি। স্থানীয় নেতা শামীম ওসমানের ব্যালট পেপার প্রদর্শনের বিতর্কিত ছবি সামাজিক মাধ্যমগুলোয় ঝড় তুলেছে বটে। এর নিন্দা বা এর বিরুদ্ধে বিধিসম্মত ব্যবস্থাও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর পরাজয় ঠেকাতে পারতো বলে মনে হয় না। অনেকেই মনে করেন, বিএনপির এখন উচিত হবে শুধু রাজনীতির স্বার্থে রাজনীতি না করে দলীয় রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনার চেষ্টা করা। যেভাবেই হোক আর যেদিকেই হোক, ক্ষমতাসীনরা কাজটি করতে পেরেছেন বলে মনে হয়। যা হোক, সুস্পষ্ট ব্যবধানে নাসিকে জয়ী হয়েছেন আইভী। বাহ্যত তিনি যে দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে আগ্রহী, সে বার্তাও দিয়েছেন পরাজিত প্রার্থীর বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করে। এজন্য তিনি অভিনন্দন পাওয়ার যোগ্য। একই সঙ্গে যারা পরাজিত হয়েছেন তাদের প্রতি আহ্বান থাকবে, কেবল রাজনীতির খাতিরে বিরোধিতা না করে জনস্বার্থে নিয়োজিত থাকুন। নিঃসন্দেহে জনকল্যাণে অবদানের প্রতিদান দেবে জনগণ।
খেয়াল করার মতো বিষয়, সেলিনা হায়াৎ আইভী এ নিয়ে টানা দুবার নাসিকের মেয়র নির্বাচিত হলেন। নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে এটা ইতিবাচক নিঃসন্দেহে। জনপ্রতিনিধিরা প্রায়ই অভিযোগ তোলেন, বড় বড় উন্নয়নকাজ তারা শুরু করলেও শেষ করে যেতে পারেন না। পরিণামে হয় তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা এর কৃতিত্ব নিজের বলে দাবি করে বসেন কিংবা জনবিরোধী বলে অভিযোগ তুলে সেটি বাতিল করে দেন। আইভীর সুবিধা হলো, নারায়ণগঞ্জবাসীর হাতে সারবত্তাসম্পন্ন উন্নয়ন তুলে দেওয়ার বাড়তি সময় পাচ্ছেন তিনি। জয়ের পরপরই সহযোগী এক দৈনিকে আইভী বলেছেন বন্দরের উন্নয়ন, ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণসহ নানা প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা। এও ঘোষণা দিয়েছেন, নারী উৎপাদকদের জন্য পৃথক মার্কেট করতে চান তিনি। সবাই চাইবেন, তার ঘোষিত ও প্রতিশ্রুত উন্নয়নকর্মগুলো ফলপ্রসূ হোক। লক্ষণীয়, শিল্প ও বন্দরনগরী নারায়ণগঞ্জের অনেক উন্নয়নকর্ম এখনও অসম্পন্ন। এদিকে ব্যাপক শিল্পায়নের ফলে নগরটির প্রাকৃতিক পরিবেশ মারাত্মক দূষিত। অথচ নারায়ণগঞ্জের শিল্প ব্যবস্থাপনার সুনাম ছিল ব্রিটিশ আমলেও। আমরা চাইবো, নিছক উন্নয়ন নয়Ñনাসিকের ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতি বেশি নজর দেবেন মেয়র আইভী। এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রারও (এসডিজি) অন্যতম উদ্দেশ্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও জোর দিচ্ছেন বাংলাদেশের দ্রুত, ভারসাম্যপূর্ণ ও টেকসই উন্নয়নের ওপর। মেয়র আইভীর জন্য সুবিধাজনক দিক হলো, তাকে একেবারে প্রথম থেকে শুরু করতে হবে না। চমক দেখানোর জন্য নতুন বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণেরও দরকার নেই তার। শুধু অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত অর্থনৈতিক কর্মসূচিগুলোও যদি তিনি ফলপ্রসূ করতে সক্ষম হন, তাতে নাসিকের দৃশ্যমান উন্নয়ন ঘটবে বলে আমাদের বিশ্বাস। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপে তার সাবেক বিরোধিতাকারীর প্রতিপত্তি খানিকটা হলেও খর্ব হয়ে থাকবে বলেই প্রতীয়মান। এ অবস্থায় বন্দর ও শিল্পনগরী নারায়ণগঞ্জের ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়নে তিনি অধিকতর যতœবান হবেন বলে আমাদের প্রত্যাশা। নিঃসন্দেহে অসম্ভব কোনো দাবি নয় এটা।
থা হলো, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা পর্যবেক্ষণ করেছেন। গণমাধ্যমের কাভারেজও কম ছিল না। তাতে এ নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য অনিয়ম বা কারচুপি পরিলক্ষিত হয়নি। স্থানীয় নেতা শামীম ওসমানের ব্যালট পেপার প্রদর্শনের বিতর্কিত ছবি সামাজিক মাধ্যমগুলোয় ঝড় তুলেছে বটে। এর নিন্দা বা এর বিরুদ্ধে বিধিসম্মত ব্যবস্থাও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর পরাজয় ঠেকাতে পারতো বলে মনে হয় না। অনেকেই মনে করেন, বিএনপির এখন উচিত হবে শুধু রাজনীতির স্বার্থে রাজনীতি না করে দলীয় রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনার চেষ্টা করা। যেভাবেই হোক আর যেদিকেই হোক, ক্ষমতাসীনরা কাজটি করতে পেরেছেন বলে মনে হয়। যা হোক, সুস্পষ্ট ব্যবধানে নাসিকে জয়ী হয়েছেন আইভী। বাহ্যত তিনি যে দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে আগ্রহী, সে বার্তাও দিয়েছেন পরাজিত প্রার্থীর বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করে। এজন্য তিনি অভিনন্দন পাওয়ার যোগ্য। একই সঙ্গে যারা পরাজিত হয়েছেন তাদের প্রতি আহ্বান থাকবে, কেবল রাজনীতির খাতিরে বিরোধিতা না করে জনস্বার্থে নিয়োজিত থাকুন। নিঃসন্দেহে জনকল্যাণে অবদানের প্রতিদান দেবে জনগণ।
খেয়াল করার মতো বিষয়, সেলিনা হায়াৎ আইভী এ নিয়ে টানা দুবার নাসিকের মেয়র নির্বাচিত হলেন। নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে এটা ইতিবাচক নিঃসন্দেহে। জনপ্রতিনিধিরা প্রায়ই অভিযোগ তোলেন, বড় বড় উন্নয়নকাজ তারা শুরু করলেও শেষ করে যেতে পারেন না। পরিণামে হয় তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা এর কৃতিত্ব নিজের বলে দাবি করে বসেন কিংবা জনবিরোধী বলে অভিযোগ তুলে সেটি বাতিল করে দেন। আইভীর সুবিধা হলো, নারায়ণগঞ্জবাসীর হাতে সারবত্তাসম্পন্ন উন্নয়ন তুলে দেওয়ার বাড়তি সময় পাচ্ছেন তিনি। জয়ের পরপরই সহযোগী এক দৈনিকে আইভী বলেছেন বন্দরের উন্নয়ন, ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণসহ নানা প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা। এও ঘোষণা দিয়েছেন, নারী উৎপাদকদের জন্য পৃথক মার্কেট করতে চান তিনি। সবাই চাইবেন, তার ঘোষিত ও প্রতিশ্রুত উন্নয়নকর্মগুলো ফলপ্রসূ হোক। লক্ষণীয়, শিল্প ও বন্দরনগরী নারায়ণগঞ্জের অনেক উন্নয়নকর্ম এখনও অসম্পন্ন। এদিকে ব্যাপক শিল্পায়নের ফলে নগরটির প্রাকৃতিক পরিবেশ মারাত্মক দূষিত। অথচ নারায়ণগঞ্জের শিল্প ব্যবস্থাপনার সুনাম ছিল ব্রিটিশ আমলেও। আমরা চাইবো, নিছক উন্নয়ন নয়Ñনাসিকের ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতি বেশি নজর দেবেন মেয়র আইভী। এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রারও (এসডিজি) অন্যতম উদ্দেশ্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও জোর দিচ্ছেন বাংলাদেশের দ্রুত, ভারসাম্যপূর্ণ ও টেকসই উন্নয়নের ওপর। মেয়র আইভীর জন্য সুবিধাজনক দিক হলো, তাকে একেবারে প্রথম থেকে শুরু করতে হবে না। চমক দেখানোর জন্য নতুন বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণেরও দরকার নেই তার। শুধু অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত অর্থনৈতিক কর্মসূচিগুলোও যদি তিনি ফলপ্রসূ করতে সক্ষম হন, তাতে নাসিকের দৃশ্যমান উন্নয়ন ঘটবে বলে আমাদের বিশ্বাস। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপে তার সাবেক বিরোধিতাকারীর প্রতিপত্তি খানিকটা হলেও খর্ব হয়ে থাকবে বলেই প্রতীয়মান। এ অবস্থায় বন্দর ও শিল্পনগরী নারায়ণগঞ্জের ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়নে তিনি অধিকতর যতœবান হবেন বলে আমাদের প্রত্যাশা। নিঃসন্দেহে অসম্ভব কোনো দাবি নয় এটা।

সর্বশেষ..