দিনের খবর শেষ পাতা

ভার্চুয়াল আদালতে ২৬৪২ জনের জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক: কভিড-১৯ সংক্রমণ রোধকল্পে দ্বিতীয় দফার লকডাউনে সারাদেশের নিম্ন আদালতে চার হাজার ৫০৪টি আবেদনের ভার্চুয়াল শুনানি ও নিষ্পত্তি করে দুই হাজার ৬৪২ আসামিকে জামিন দেয়া হয়েছে। এর ফলে লকডাউনের ১৯ কার্যদিবসে মোট ৬৩ হাজার ১০৯টি মামলায় মোট ৩৩ হাজার ৮৫০ হাজতি জামিনপ্রাপ্ত হয়ে কারামুক্ত হয়েছেন।

গতকাল সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার মুহাম্মদ সাইফুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।

জানা গেছে, করোনা সংক্রমণ রোধকল্পে দ্বিতীয় দফার লকডাউনে সারাদেশে অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালে শারীরিক উপস্থিতি ব্যতিরেকে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে জামিন এবং জরুরি ফৌজদারি দরখাস্তের ওপর শুনানি হয়েছে। গত রোববার সারাদেশের অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালে ভার্চুয়াল শুনানিতে চার হাজার ৫০৪টি জামিনের দরখাস্ত নিষ্পত্তি করা হয়েছে এবং দুই হাজার ৬৪২ অভিযুক্ত হাজতি আসামিকে জামিন দেয়া হয়েছে।

এর আগে দ্বিতীয় দফায় ভার্চুয়াল আদালতের প্রথম দিন সারাদেশে অধস্তন আদালতে এক হাজার ৬০৪ জন, দ্বিতীয় দিন তিন হাজার ২৪০ জন, তৃতীয় দিন দুই হাজার ৩৬০ জন,  চতুর্থ দিন এক হাজার ৮৪২ জন, পঞ্চম দিন এক হাজার ৬৩৫ জন, ষষ্ঠ দিন এক হাজার ৫৭৬ জন, সপ্তম দিন এক হাজার ৩৪৯ জন, অষ্টম দিন এক হাজার ৫৯২ জন, নবম দিন এক হাজার ৮৩৯ জন, দশম দিন এক হাজার ৫৯৩ জন, ১১তম দিন এক হাজার ৩৯৫ জন, ১২তম দিন এক হাজার ৪২২ জন, ১৩তম দিন এক হাজার ৪১২ জন, ১৪তম দিন এক হাজার ৭২১ জন, ১৫তম দিন এক হাজার ৭১৪ জন, ১৬তম দিন এক হাজার ৫৩৬ জন, ১৭তম দিন এক হাজার ৪৪৭ জন ও ১৮তম দিন এক হাজার ৯১৭ জন আসামিকে জামিন দেয়া হয়।

সবমিলে সর্বমোট ১৯ কার্যদিবসে ৬৩ হাজার ১০৯টি মামলায় ভার্চুয়াল শুনানির মাধ্যমে মোট ৩৩ হাজার ৮৫০ হাজতি কারামুক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে জামিনপ্রাপ্ত শিশুর সংখ্যা ৪২২ জনের বেশি।

এর আগে ভার্চুয়াল আদালত শুরু হওয়ার পর প্রথম দফায় ২০২০ সালের ১১ মে থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত মোট ৫৮ কার্যদিবসে সারাদেশে অধস্তন আদালত এবং ট্রাইব্যুনালে ভার্চুয়াল শুনানিতে মোট এক লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৯টি ফৌজদারি মামলায় জামিনের দরখাস্ত নিষ্পত্তি হয় এবং ৭২ হাজার ২২৯ জন অভিযুক্ত ব্যক্তির (শিশুসহ) জামিন মঞ্জুর করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ১১ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে  বলা হয়, করোনার  ব্যাপক বিস্তার রোধকল্পে ১২ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে জামিন এবং অতীব জরুরি ফৌজদারি দরখাস্তগুলো নিষ্পত্তি করার উদ্দেশ্যে আদালত ও ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

এছাড়া সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় প্রত্যেক চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক বা একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে শারীরিক উপস্থিতিতে দায়িত্বপালন করবেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
ট্যাগ ➧

সর্বশেষ..