বাণিজ্য সংবাদ শিল্প-বাণিজ্য

ভুটানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রীর মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ভুটান স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম স্বীকৃতিকারী দেশ। উভয় দেশের ব্যবসা বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য আমরা গত বছরের ৬ ডিসেম্বর প্রিপারেন্সিয়াল ট্রেড এগ্রিমেন্ট (পিটিএ) স্বাক্ষর করেছি। এটি বাংলাদেশের প্রথম পিটিএ প্লান্ট।

তিনি বলেন, উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। এ সুযোগকে কাজে লাগানোর জন্য আমরা পিটিএ স্বাক্ষর করেছি। যতদ্রুত সম্ভব উভয় দেশের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে পিটিএ এর সুবিধা কাজে লাগাতে চাই। এজন্য আগামী মার্চে জয়েন্ট ওয়াকিং গ্রুপের মিটিং করে উভয় দেশের প্রয়োজনীয় কাজগুলো শেষ করা যায়।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ভুটান থেকে নির্মাণকাজের সামগ্রী আমদানি করে থাকে। ভুটানের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, প্লাইউড, মিনারেল ওয়াটার, জুস, ওষুধ, শুকনা খাবারসহ অনেক পণ্যের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশের সরাসরি পরিবহন চালু হলে উভয় দেশ বাণিজ্যিকভাবে উপকৃত হবে।

গতকাল সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত রিনচেন কুয়েন্টশিলর সঙ্গে মতবিনিময়ের সময়  বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ভুটানের রাষ্ট্রদূত বলেন, স্বাক্ষরিত পিটিএ এর সুবিধা গ্রহণের জন্য ভুটান সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে। আসন্ন জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভায় প্রয়োজনীয় সব কাজ সম্পন্ন করা হবে। বাণিজ্য সহজ ও দ্রুত করতে বাংলাদেশের বুড়িমারি, বাংলাবান্ধা, সোনাহাট এবং আখাউড়া স্থলবন্দরের সক্ষমতা ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

তিনি পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে তৃতীয় কোনো পক্ষের সহযোগিতা ছাড়াই সরাসরি বাণিজ্য করার ওপর গুরুত্ব দেন।

তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করে বলেন, ভুটান বাংলাদেশের চাহিদা মোতাবেক প্রয়োজনীয় পাথর সরবরাহ করতে আগ্রহী। তিনি বাংলাদেশ থেকে কৃষিকাজে ব্যবহারের জন্য রাসায়নিক সার আমদানি করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশ ভুটানে সাত দশমিক ৫৬ মিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..