মত-বিশ্লেষণ

ভোক্তাবান্ধব নীতি ছাড়া সুস্থ প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা কি সম্ভব?

এসএম নাজের হোসাইন : বাজারে পণ্যের দাম নিয়ে কারসাজি নিয়ন্ত্রণ করে সুস্থ প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করতে ২০১২ সালে সরকার ‘বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন’ আইন প্রণয়ন করে। ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ উৎসাহিত করতে ষড়যন্ত্রমূলক যোগসাজশ এবং মনোপলি অবস্থা ও সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরির মাধ্যমে নিত্যপণ্যে বাজার স্থিতিশীল রাখাই কমিশনের মূল লক্ষ্য। ভোজ্যতেল ও চিনির মূল্য নিয়ে যখন কারসাজির চরমে, তখন অনেকে আশা করেছিলেন প্রতিযোগিতা কমিশন বিষয়টি দেখভাল করবে। কারণ এই পণ্য দুটির চাহিদা মোটামুটি আমদানিকৃত পণ্য দিয়ে মেটানো হয়। আর আমদানিকারকের সংখ্যা হাতেগোনা কয়েকজন। সে আশা গুড়েবালি হলো।

দেশে বিভিন্ন অজুহাতে অসাধু ব্যবসায়ীদের একটি চক্র (সিন্ডিকেট) নিত্যপণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করে জনজীবন অতিষ্ঠ করে তোলে। ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের জন্য পণ্যমূল্যের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করে এই চক্রটি। মূলত পণ্যের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির জন্য এই সিন্ডিকেটই দায়ী। ভোগ্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা দূর করতে ক্যাব দীর্ঘদিন ধরে দেশে পৃথিবীর বিভিন্ন উন্নত দেশের আদলে দেশে প্রতিযোগিতা আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার দাবি করে আসছিল। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশনের সঙ্গে বেশ কয়েকটি পরামর্শ সভায় ক্যাব বেশ কিছু প্রস্তাব দাখিল করেছিল। তারই ধারাবাহিকতায় সরকার ২০১২ সালে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন আইন প্রণয়ন করে। আর ২০১৬ সালে প্রতিযোগিতা কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। আর এই কমিশনের উদ্দেশ্য হলো অর্থনীতিতে টেকসই প্রতিযোগিতা সৃষ্টির মাধ্যমে বাজারে সমতা আনার পাশাপাশি ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা করা। প্রতিযোগিতা আইন বাংলাদেশের জন্য নতুন হলেও আধুনিক যুগে ১৮৮৯ সালে প্রথম কানাডায়, ১৮৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে এবং ১৯৪৭ সালে জাপানে প্রতিযোগিতা-সংক্রান্ত আইন পাস হয়। ১৯৯০ সাল পর্যন্ত বিশ্বের মাত্র ১০টি দেশে এ আইন প্রচলিত ছিল। ২০১৭ সালে এ আইন বিশ্বের ১৩০টি দেশে চালু হয়। এখন এশিয়ার ১৭টি দেশে প্রতিযোগিতা আইন চালু আছে। অস্ট্রেলিয়ায়

এক জরিপে দেখা গেছে, প্রতিযোগিতা কমিশন পুরোপুরি কাজ করতে পারলে দেশের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি বা জিডিপিতে দুই থেকে তিন শতাংশ ভূমিকা রাখতে পারে।

বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে যেকোনো পণ্য বা সেবার কেনা-বেচা, উৎপাদন, সরবরাহ, বিতরণ ও পণ্যের গুদামজাতকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই আইনটি প্রযোজ্য। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের ও ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশের মর্যদা আদায়ের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। এজন্য দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে অসম প্রতিযোগিতা কমিয়ে বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে কাক্সিক্ষত প্রবৃদ্ধি অর্জন প্রয়োজন। বাজারে অনৈতিক মুনাফার লোভে ষড়যন্ত্রমূলক প্রতিযোগিতাবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করাই প্রতিযোগিতা আইনের উদ্দেশ্য। একইসঙ্গে এই আইন বাস্তবায়নে উচ্চতর জ্ঞানভিত্তিক গবেষণাধর্মী এবং তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তিনির্ভর একটি কমিশন গড়ে তোলার কথাও বলা হয়েছে।

ব্যবসা-বাণিজ্যে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ষড়যন্ত্রমূলক যোগসাজশ করতে পারবে না। ‘বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২’ প্রণয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশে ‘মনোপলিস অ্যান্ড রেসট্রিকটিভ ট্রেড প্র্যাকটিসেস (কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৭০’ বাতিল করা হয়। আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী এক চেয়ারপারসন ও চার সদস্যের সমন্বয়ে কমিশন গঠিত হবে। সদ্য অবসরে যাওয়া বাণিজ্য সচিব মফিজুল ইসলামকে এই কমিশনের দ্বিতীয় চেয়ারপারসন হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।

মূলত তিনটি উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে প্রতিযোগিতা কমিশন গঠন করা হয়েছে। এগুলো হলোÑএক. দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করে তা বজায় রাখা। দুই. বাজারে ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড, এককভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ চেষ্টা ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মুষ্টিমেয় কিছু প্রতিষ্ঠানের হাতে বাজারের নিয়ন্ত্রণ রাখা কিংবা কর্তৃত্বময় অবস্থানের অপব্যবহার-সংক্রান্ত প্রতিযোগিতাবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করা। তিন. এমন কিছু হলে তা নিয়ন্ত্রণ বা নির্মূল করা। কোড অব সিভিল প্রডিউসর, ১৯০৮ (অ্যাক্ট-৫ অব ১৯০৮)-এর অধীনে একটি দেওয়ানি আদালত যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন, প্রতিযোগিতা কমিশনও সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে। কমিশন যেসব কাজ করবে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোÑ(ক) বাজারে প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব বিস্তারের অপচেষ্টা নির্মূল করা, প্রতিযোগীকে উৎসাহিত করা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। (খ) কোনো অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিযোগিতাবিরোধী সব চুক্তি, কর্তৃত্বময় অবস্থান ও অপচেষ্টার তদন্ত করা। (গ) প্রতিযোগিতা আইনের অধীনে অপরাধের তদন্ত পরিচালনার পাশাপাশি মামলা দায়ের ও পরিচালনা করা। (ঘ) জোটবদ্ধতা ও জোটবদ্ধতা-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তদন্তের পাশাপাশি জোটবদ্ধতার শর্তাদি ও জোটবদ্ধতা অনুমোদন বা নামঞ্জুর-সংক্রান্ত বিষয় নির্ধারণ করা। (ঙ) প্রতিযোগিতা-সংক্রান্ত বিধিমালা, নীতিমালা, দিকনির্দেশনামূলক পরিপত্র বা প্রশাসনিক নির্দেশনা প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নের সরকারকে পরামর্শ ও সহযোগিতা দেয়া। (চ) প্রতিযোগিতামূলক কর্মকাণ্ডের উন্নয়ন ও প্রতিযোগিতা-সংক্রান্ত বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য উপযুক্ত মানদণ্ড নির্ধারণ করা। (ছ) সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির লোকজনের মধ্যে প্রতিযোগিতা-সম্পর্কিত সার্বিক বিষয়ে প্রচার ও প্রকাশনার মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করার জন্য প্রয়োজনীয় কর্মসূচি গ্রহণ করা। (জ) সরকারের পাঠানো প্রতিযোগিতা-সংক্রান্ত যেকোনো বিষয় প্রতিপালন, অনুসরণ বা বিবেচনা করা। (ঝ) ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ও বাস্তবায়নের বিষয়ে অন্য কোনো আইনের অধীন গৃহীত ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা।

কমিশন থেকে দেয়া সিদ্ধান্ত না মানলে বা কমিশনের কাজে অসহযোগিতা করলে তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে মামলা করার বিধান রয়েছে। বাজারে যেসব পণ্য ও সেবা রয়েছে, সেগুলোর ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কাজ করবে কমিশন। বাজারে প্রতিযোগিতা থাকলে সাধারণ মানুষ ন্যায্যমূল্যে ভালো পণ্য ও সেবা পাবে। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান একা কোনো পণ্য তৈরি করে বাজারজাত করে, তাহলে সে অনেক সময় সুযোগ বুঝে নিজের ইচ্ছামতো দাম বাড়িয়ে দিতে পারে। কিন্তু কমিশন ক্রেতার অধিকার রক্ষায় ওই প্রতিষ্ঠানকে বাধ্য করবে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি করতে। এছাড়া কয়েকটি প্রতিষ্ঠান মিলে সিন্ডিকেট তৈরি করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করতে পারে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের যোগসাজশে এমন কোনো অবস্থা তৈরি হয়, যা প্রতিযোগিতাবিরোধী। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠান তার উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে সর্বোচ্চ শতকরা ১০ ভাগ লাভ করতে পারবে। কমিশনের পক্ষ থেকে সেটিই নিশ্চিত করা হবে।

প্রতিযোগিতা কমিশন বাজার ব্যবস্থার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কাজ করে। অর্থাৎ উৎপাদন, বিপণন এবং বাজারে ক্রেতার হাতে ন্যায্যমূল্যে পৌঁছানো নিশ্চিত করা পর্যন্ত তাদের কাজের বিস্তৃতি। কমিশনের কাজের আওতা উৎপাদন থেকে ক্রেতার হাত পর্যন্ত। অর্থাৎ একটি পণ্য প্রতিষ্ঠানের উৎপাদক, মূল্য নির্ধারণ, বিপণন ও বাজারে ক্রেতার কাছে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি নিশ্চিত করা পর্যন্ত কমিশনের কাজ থাকে। এমনকি সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পণ্য কেনাবেচাতেও কমিশনের নজর থাকবে। তবে কাগজে-কলমে প্রতিযোগিতা কমিশনের অনেক বড় কর্মপরিকল্পনা ও কাজের ক্ষেত্র থাকলেও জনবল ও লজিস্টিক সুবিধার কথা বলে থমকে আছে কার্যক্রম।

তবে কাগজে-কলমে অনেক সুন্দর পরিকল্পনা থাকলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন কী সে বিষয়ে বলার অপেক্ষা রাখে না। ব্যবসা-বাণিজ্য ও ভোক্তা বিশেষজ্ঞদের মতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক অবসরে যাওয়া সচিবকে কমিশনের চেয়ারম্যান করা হলেও তার পক্ষে কি সমগ্র ব্যবসায়ীদের পক্ষে সুবিচার দেয়া সম্ভব? কারণ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মূল কাজ ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সুরক্ষা করা। সেখানে ভোক্তা বা সাধারণ ব্যবসায়ীদের স্বার্থ পর্যন্ত অনেকটাই গৌণ। তাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কোনো প্রতিষ্ঠান বা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত ছিলেন তাদের পক্ষে ব্যবসায়ীদের সেবা দেয়া যতটা সহজ ততটা কঠিন সাধারণ ভোক্তাদের জন্য কাজ করা। আর ব্যবসায়ীদের মধ্যে বড় ব্যবসায়ী এবং অসাধু, ষড়যন্ত্রমূলক, যোগসাজশপূর্ণ, মনোপলি, সিন্ডিকেটবিরোধী ও প্রতিযোগিতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের স্বার্থ রক্ষাই যেন তাদের মূল কাজ। সে কারণে দেশে পেঁয়াজের সংকট, আলু নিয়ে কারসাজি, চাল, ভোজ্যতেল, চিনি সংকটের নেপথ্যে যারা রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বা প্রতিযোগিতা কমিশন কোনো ব্যবস্থা নিতে সাহস তো দূরের কথা, তাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে সক্ষম হননি। আবার ভারত সরকার পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দিলে দেশের পেঁয়াজের আমদানিকারক, কমিশন এজেন্ট ও আতদাররা জোটবদ্ধ হয়ে ২০ টাকার পেঁয়াজ ৭০ টাকায় উন্নীত করলে প্রতিযোগিতা কমিশন ও ট্যারিফ কমিশন নামক কাগুজে প্রতিষ্ঠানের কোনো তৎপরতা পরিলক্ষিত হয়নি।

সরকার নিজেকে ব্যবসাবান্ধব বলে দাবি করে আসছে। সরকারের কর্মকাণ্ডে বিষয়টি প্রতীয়মান হচ্ছে। মন্ত্রিসভা ও সংসদ থেকে শুরু করে সিটি করপোরেশন, উপজেলা, পৌরসভাসহ ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের একটি বড় অংশ ব্যবসায়ীরা দখল করে নিয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে যখনই কোনো সভা ও সরকারি-বেসরকারি আয়োজন করা হোক না কেন, সেখানে দেখা যায় ছোট ব্যবসায়ীরা বড় ব্যবসায়ীদের ওপর দোষ চাপায়। আর বড় ব্যবসায়ীরা দোষ চাপায় খুচরা ও ছোট ব্যবসায়ীদের ওপর। তাতে করে সহজে অনুমেয় সরকার কতটুকু ব্যবসায়ীবান্ধব? নাকি বড় করপোরেট গ্রুপের স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত। তাই সরকারের উচিত হবে ব্যবসায়ী ও ভোক্তাবান্ধব হওয়া। কারণ দেশে বৃহৎ অংশের ভোক্তারা আছে বলে বড় করপোরেট গ্রুপ দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারছে। আর ভ্যাট-ট্যাক্স, রাজনৈতিক দলের চাঁদা যা-ই দেয়া হোক না কেন, সবকিছুর বোঝা বহন করতে হচ্ছে ভোক্তাদের। ব্যবসায়ীরা অনেকটাই সংগ্রহকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ। তার পরও ভোক্তারা অবহেলিত এবং তাদের মতামত কোনোভাবেই প্রতিফলিত হচ্ছে না।

তাই প্রতিযোগিতা কমিশন নামক কাগুজে প্রতিষ্ঠানকে সত্যিকারের স্বাধীন কমিশনে পরিণত করতে প্রথমেই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণমুক্ত করা দরকার। উন্নত বিশ্বের আদলে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে দায়-দায়িত্ব প্রদান করে স্বাধীন কমিশনে পরিণত করা, কমিশনের নীতিনির্ধারণে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি ভোক্তাদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা, সব স্তরের ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণের পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যের মূল অংশীজন ভোক্তার স্বার্থ রক্ষায় কমিশনের কাজের আওতা ও বিধিবিধান সংশোধন করা আবশ্যক।

ভাইস প্রেসিডেন্ট

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)

[email protected]

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..