দিনের খবর প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

মন্দাবাজারে চাহিদা বেশি ছিল ব্যাংক, আর্থিক ও বিমা খাতের

রুবাইয়াত রিক্তা: সপ্তাহের প্রথম দিনে গতকাল নেতিবাচক গতিতে লেনদেন হলেও সার্কিট ব্রেকারের নতুন নিয়মের কারণে বড় পতন ঠেকানো গেছে। গতকাল লেনদেনের প্রথামার্ধে বিক্রির চাপে সূচকের টানা পতন হয়। এরপর শেষার্ধে শেয়ার কেনার চাপ কিছুটা বাড়লেও শেষ পর্যন্ত সূচক নেতিবাচকই থেকে যায়। সূচক কমার পাশাপাশি তিন ঘণ্টায় মাত্র ১৪৬ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। ৬০ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। বেড়েছে ৩১ শতাংশের দর। অপরিবর্তিত ছিল বাকিগুলোর দর।

করোনা-আতঙ্কে হাউসগুলো বিনিয়োগকারী শূন্য থাকলেও টেলিফোনে ও অনলাইনে লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বেশিরভাগ কোম্পানি দরপতনে থাকলেও যেসব কোম্পানির দর বেড়েছে এর অধিকাংশই ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক খাতের। এছাড়া মোট লেনদেনের এক পঞ্চমাংশ ছিল ব্যাংক খাতের দখলে। ব্যাংকগুলো বিশেষ তহবিল গঠন করে শেয়ার কেনা শুরু করাতে ফের ব্যাংক খাতের শেয়ারের চাহিদা বাড়তে শুরু করেছে। ২০ শতাংশ লেনদেন হয়ে শীর্ষে উঠে আসে ব্যাংক খাত। এ খাতে দর বেড়েছে ৬৩ শতাংশ কোম্পানির। ব্যাংক এশিয়ার দুই কোটি ৮১ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দরপতন হয় ২০ পয়সা। মার্কেন্টাইল ব্যাংকের এক কোটি ৯৩ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৫০ পয়সা। ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এক কোটি ৮৩ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে এক টাকা ৮০ পয়সা। প্রিমিয়ার ব্যাংকের এক কোটি ৭৮ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ১০ পয়সা। সিটি ব্যাংকের এক কোটি ৭২ লাখ ও আল-আরাফাহ্ ব্যাংকের এক কোটি ৭০ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দুটির দরই বেড়েছে। এরপরে ১৮ শতাংশ লেনদেন হয় ওষুধ ও রসায়ন খাতে। এ খাতে মাত্র ৩১ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। স্কয়ার ফার্মার সাড়ে চার কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে দুই টাকা ১০ পয়সা। জেএমআই সিরিঞ্জের তিন কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ১০ টাকা ৩০ পয়সা। দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় উঠে আসে এসিআই ফরমুলা ও এসিআই লিমিটেড। সিরামিক খাতে লেনদেন হয় ১৬ শতাংশ। এ খাতে মুন্নু ও স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক কোম্পানি দুটির  দর বেড়েছে। ১৭ কোটি টাকা লেনদেন হয়ে মুন্নু সিরামিক শীর্ষে উঠে আসে। দর বেড়েছে সাড়ে ১০ টাকা। প্রকৌশল খাতে লেনদন হয় ১০ শতাংশ। এ খাতে মাত্র ২০ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। কে অ্যান্ড কিউর এক কোটি ৮৫ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ১১ টাকা ২০ পয়সা।  দর বৃদ্ধিতে নবম অবস্থানে ছিল কোম্পানিটি। বিমা খাতে দর বেড়েছে ৪২ শতাংশ কোম্পানির। দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে উঠে আসে প্রগতী ইন্স্যুরেন্স। আর্থিক খাতে দর বেড়েছে ৫০ শতাংশ কোম্পানির। ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস ও ফাস ফাইন্যান্স দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় অবস্থান করে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..