প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

মন্দাবাজারে তুলনামূলক ভালো অবস্থানে বস্ত্র ও কাগজ খাত

রুবাইয়াত রিক্তা:একদিন বৃদ্ধির পরেই ফের দরপতনের কবলে পড়েছে পুঁজিবাজার। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মাত্র ৩২ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। দরপতন হয় প্রায় ৫১ শতাংশ কোম্পানির। লেনদেন কমেছে প্রায় ২৮ কোটি টাকা। বিক্রির চাপ প্রায় সব খাতেই দেখা গেছে। তুলনামূলক ভালো অবস্থানে ছিল বস্ত্র খাত। দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় ৬০ শতাংশ ছিল বস্ত্র খাতের দখলে। ক্ষুদ্র খাতগুলোর মধ্যে কাগজ ও মুদ্রণ এবং চামড়া শিল্প খাত ভালো অবস্থানে ছিল। মন্দাবাজারে মিউচুয়াল ফান্ড খাতও কিছুটা ইতিবাচক ছিল। পাট খাত পুরোপুরি নেতিবাচক ছিল।

১৮ শতাংশের বেশি লেনদেন হয়ে প্রকৌশল খাত লেনদেনের শীর্ষে উঠে আসে। এ খাতে ৫৬ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। বিবিএস কেব্লসের ১১ কোটি ৩০ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে তিন টাকা ৪০ পয়সা। এছাড়া বাংলাদেশ  বিল্ডিং সিস্টেমসের সাত কোটি ২২ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৫০ পয়সা। ৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ বেড়ে প্রকৌশল খাতের কেডিএস এক্সেসরিজ, ৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেড়ে ওয়াইম্যাক্স ইলেকট্রোড, ছয় দশমিক ৮৩ শতাংশ বেড়ে নাহি এলুমিনিয়াম ক্যাপিটাল দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে উঠে আসে। বস্ত্র খাতে লেনদেন হয় ১৩ শতাংশ। এ খাতে ৬২ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৯০ পয়সা। ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ বেড়ে মোজাফফর হোসেন স্পিনিং, আট দশমিক ৬৯ শতাংশ বেড়ে মেট্রো স্পিনিং, আট দশমিক ১৯ শতাংশ বেড়ে মালেক স্পিনিং, সোয়া সাত শতাংশ বেড়ে জাহিন স্পিনিং এবং ছয় দশমিক ৬৪ শতাংশ বেড়ে সোনারগাঁও টেক্সটাইল দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় স্থান পায়। ১১ শতাংশ লেনদেন হয় ওষুধ ও রসায়ন খাতে। এ খাতে ৪৭ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। স্কয়ার ফার্মার সাড়ে সাত কোটি টাকা লেনদেন হলেও ৮০ পয়সা দরপতন হয়। আগের দিন লাফার্জহোলসিমের বড় অঙ্কের লেনদেন ও দর বৃদ্ধির পরে গতকাল এ কোম্পানি থেকে মুনাফা তুলে নেওয়া হয়। যার কারণে লেনদেন নেমে আসে ২৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকায়। দরপতন হয় ৭০ পয়সা। বিবিধ খাতে মাত্র দুই কোম্পানির দর বেড়েছে। এসকে ট্রিমসের ৯ কোটি ৬৯ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে দুই টাকা ৪০ পয়সা। চামড়া শিল্প খাতে ৬৬ শতাংশ ও কাগজ মুদ্রণ খাত শতভাগ ইতিবাচক ছিল। খাদ্য খাতের বিএটিবিসির ৯ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লেনদেন হলেও দর পতন হয় ৪২ টাকা ৪০ পয়সা। গ্রামীণফোনের আট কোটি ৩৭ লাখ টাকা লেনদেন হয়, দরপতন হয় তিন টাকা ৭০ পয়সা।