বাণিজ্য সংবাদ

‘মানব অভিবাসনে জেন্ডার সংবেদনশীলতার প্রয়োজন’

সাম্প্রতিককালে প্রতারণা, হয়রানি এবং কঠোর ও অমানবিক কাজের পরিবেশের সম্মুখীন হয়ে বহু বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিক দেশে ফিরতে বাধ্য হয়েছেন। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে পশ্চিমা ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অভিবাসী-বিমুখ পরিস্থিতি সৃষ্টির সঙ্গে প্রযুক্তির অগ্রগতি ও শিল্পায়নে স্বয়ংক্রিয়তার ফলে বিশ্বে অভিবাসী কর্মীদের কাজের বাজারও সাম্প্রতিক সময়ে পরিবর্তিত হয়েছে। এ জন্য মানব অভিবাসনে জেন্ডার-সংবেদনশীলতার প্রয়োজন।

আগামী ১৮-২২ নভেম্বর ইকুয়েডরে অনুষ্ঠিতব্য ‘১২তম গ্লোবাল ফোরাম অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক সম্মেলন উপলক্ষে গত মঙ্গলবার রাজধানীর এক হোটেলে ‘মানব অভিবাসনে জেন্ডার-সংবেদনশীল টেকসই প্রক্রিয়া’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলা হয়।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, জাতিসংঘের মাইগ্রেশন নেটওয়ার্ক এবং অভিবাসনের বৈশ্বিক অঙ্গীকারে নাগরিক সমাজের (সিজিসিএম) যৌথ উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

গ্লোবাল ফোরাম অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট-২০১৯ সম্মেলনের মূল আলোচ্য ‘মানব অভিবাসনের টেকসই পদ্ধতি: অধিকার সংরক্ষণ, রাষ্ট্রীয় সংস্থা শক্তিশালী করা, অংশীদারিত্ব এবং যৌথ পদক্ষেপের মাধ্যমে উন্নয়নের অগ্রগতি’।

সভায় জানানো হয়, বিশ্বব্যাপী ১৫ কোটি অভিবাসীর মাঝে ৪৪ শতাংশই নারী। তাই মানব অভিবাসনের টেকসই প্রক্রিয়া নিরূপণে জেন্ডার-সংবেদনশীলতার প্রয়োজন সন্দেহাতীত। একইভাবে জিএফএমডি ২০১৯-এ বাংলাদেশের একটি মূল আলোচ্য বিষয় থাকবে নারী অভিবাসীদের জন্য সংবেদনশীল ও নারীবান্ধব অভিবাসন আলোচনা ত্বরান্বিত করা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সচিব মো. সেলিম রেজা।

ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রকাশ প্রকল্পের সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে ইনস্টিটিউট অব ইনফর্মেটিকস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইআইডি) এবং বাংলাদেশ নারী শ্রমিক কেন্দ্র (বিএনএসকে)। বিজ্ঞপ্তি

সর্বশেষ..